সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ফাইনাল শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে এসে উড়িয়ে দিয়েছিলেন অবসরের কথা। পরিষ্কার বলে দিয়েছিলেন, ওয়ানডে ক্রিকেট থেকে এই মুহূর্তে অবসরের কোনও চিন্তাভাবনাই নেই তাঁর। এবার ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মা মুখ খুললেন ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ নিয়ে। তিনি জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে ২০২৭ বিশ্বকাপ নিয়ে আলোচনা করার কোনও মানে হয় না।
জিও হটস্টারে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রোহিত বলেছেন, “পরিস্থিতি অনুযায়ী চলার চেষ্টা করছি। খুব বেশিদূর চিন্তাভাবনা করা আমার উচিত হবে না। এখন আমি ভালো খেলা এবং সঠিক মানসিকতার উপর জোর দিচ্ছি। ২০২৭ বিশ্বকাপ খেলব কি খেলব না, তা নিয়ে এখনই কিছু বলা উচিত হবে না। এই ধরনের বক্তব্যের কোনও মানে নেই।” তিনি আরও বলেছেন, “নিজের কেরিয়ার নিয়ে আমি ধাপে ধাপে এগিয়েছি। ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে আমি এগোতে পছন্দ করি না। অতীতেও করিনি। আপাতত আমি আমার ক্রিকেট এবং দলের সঙ্গে সময় কাটানো উপভোগ করছি। আশা করছি, সতীর্থরাও আমার উপস্থিতি উপভোগ করবে। এটাই গুরুত্বপূর্ণ।”
তিনি একইসঙ্গে জানিয়েছেন যে, এমন একটা দল তৈরি করতে চেয়েছিলেন যাকে প্রতিপক্ষ কখনও হালকাভাবে দেখবে না। তাঁর বক্তব্য, “অন্য দলগুলি আমাদের কীভাবে দেখবে, সে ব্যাপারে আমি কোনও কথা বলতে চাই না। আমি শুধু চাই, প্রতিপক্ষ যেন কখনও আমাদের হালকাভাবে না নেয়। পাঁচ উইকেট পড়ে গেলেও লড়াই করে খেলার মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা আছে আমাদের।” একইসঙ্গে তিনি সতীর্থ মহম্মদ শামিকে প্রশংসায় ভরিয়ে দেন। ভারত অধিনায়কের কথায়, “জশপ্রীত বুমরাহ হয়তো চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আগে ফিট হতে পারবে না, এমন সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু ইংল্যান্ড সিরিজ থেকে শামিকে পেয়ে স্বস্তির শ্বাস ফেলেছিলাম। কারণ আইসিসি টুর্নামেন্টে ও বারবার দারুণ পারফর্ম করেছে।” রোহিতের মতে, দুবাইয়ে খেলার বিষয়টি তাঁদের হাতে ছিল না। তা সত্ত্বেও বারবার দুবাইয়ে খেলা নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে ভারতীয় দলকে।
সর্বশেষ খবর
-
বেসরকারি স্কুলের সিকরুমে কন্ডোম! উদ্ধার লক্ষ লক্ষ টাকা, কাঁচরাপাড়ায় ব্যাপক চাঞ্চল্য
-
আইএসএল জয় উদযাপন, শহরে বিশেষ অনুষ্ঠান ‘ইস্টবেঙ্গল উত্তরাধিকার’ সমষ্টির
-
বাড়ির আইনি দখল নিতে গিয়ে আক্রান্ত পুলিশ, হাসপাতালে তালতলার এস আই
-
‘মহান প্রধানমন্ত্রী, জ্ঞানী ব্যক্তি’, ‘দীর্ঘতম’ সময়ের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর ‘বন্ধু’ মোদিকে শুভেচ্ছা ট্রাম্পের
-
বন্ধ ‘থ্রেট কালচার’, অভয়া কাণ্ডে যুক্তদের সাজা, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসে আর কী অঙ্গীকার শারদ্বতের?