Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১০ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২৬ জুন ২০২৬

অধিনায়ক হিসেবে টেস্টে ৬টি দ্বিশতরান, লারাকে টপকে বিশ্বরেকর্ড কোহলির

কোটলায় কোহলি কম্পন, আর কী কী রেকর্ড গড়লেন ক্যাপ্টেন?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৯, ১৩:৩৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৯, ১৩:৩৭

options
link
অধিনায়ক হিসেবে টেস্টে ৬টি দ্বিশতরান, লারাকে টপকে বিশ্বরেকর্ড কোহলির zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শুধু খেলা নয়। এ যেন রেকর্ড ভাঙার খেলা। আর তাতেই যেন বুঁদ ক্যাপ্টেন কোহলি। রবিবারে নিজের টেস্ট কেরিয়ারে ৬টি দ্বিশতরানের মালিক হলেন তিনি। সেই সঙ্গে গড়ে ফেললেন নয়া রেকর্ড। এবার তিনি টপকে গেলেন কিংবদন্তি ব্রায়ান লারাকেও। অধিনায়ক হিসেবে এতদিন তাঁর আস্তিনেই লুকনো ছিল পাঁচটি দ্বিশতরানের রেকর্ড। আপাতত তা বিরাটের কবজায়।

[  ‘বিশ্বকাপ জিতলে লন্ডনের রাস্তায় জামা খুলে ঘুরবে কোহলি’ ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কোটলা টেস্টে গোড়া থেকেই চালকের আসনে ভারত। সৌজন্যে সেই কোহলির মহারাজকীয় ফর্ম। আগের টেস্টে নাগপুরেও দ্বিশতরান হাঁকিয়েছিলেন। ম্যাচ তো জিতেইছেন। সেইসঙ্গে লারার সঙ্গে একাসনে বসেছিলেন তিনি। কোটলায় ছিল তা টপকানোর লক্ষ্য। যেভাবে বিরাটের ব্যাট চলছিল, তাতে নয়া রেকর্ড গড়া যে স্রেফ সময়ের অপেক্ষা, তা বোঝাই যাচ্ছিল। ক্রিকেট বিশেষজ্ঞ না হয়েও সকলেই অনুমান করতে পারছিলেন যে, কোনও অঘটন না ঘটলে শীর্ষে পৌঁছবেন কোহলি। হলও তাই। রবিবার নিজের টেস্ট কেরিয়ারের ষষ্ঠ দ্বিশতরানটি হাসিল করেন ভারত অধিনায়ক। সেই সঙ্গে লারারও আগে বসিয়ে ফেললনে নিজের নাম। অধিনায়ক হিসেবে তিনিই এখন সর্বোচ্চ দ্বিশতরানের মালিক। রেকর্ডের নিরিখে একাসনে বসলেন বীরেন্দ্র সেওয়াগ আর শচীন তেণ্ডুলকরেরও। এই ফর্মে থাকলে তা টপকাতেও খুব বেশি সময় লাগবে না বলেই মনে করছেন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা।

নাগপুর ও কোটলা- টানা দুটি টেস্টে দ্বিশতরান করলেন বিরাট। বিশ্বে চতুর্থ ব্যাটসমান হিসেবে এ কাজ করলেন বিরাট। ভারতীয়দের মধ্যে বিনোদ কাম্বলির পর এই নজির গড়লেন তিনি। টেস্টে দ্রুত ২০টি শতরান করার ক্ষেত্রে অবশ্য শচীনকেও ছাপিয়ে গিয়েছেন কোহলি। লিটল মাস্টার তা করেছিলেন ১০৭ ইনিংসে। কোহলি করলেন ১০৫ ইনিংসে। সামনে সুনীল গাভাসকর। যিনি ৯৩টি ইনিংসেই কাজ হাসিল করেছিলেন।

সর্ব ফর্ম্যাটেই কোহলির ফর্ম ঈর্ষনীয়। যার ভূয়সী প্রশংসা করছেন প্রাক্তনরা। প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় তো কোহলিকে দরাজ সার্টিফিকেট দিয়েই রেখেছেন। অধিনায়ক হিসেবে কোহলির ভূমিকার প্রশংসাতেও পঞ্চমুখ সৌরভ। কোহলির কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক হয়েছে। তবে দলের জন্য যা ভাল মনে করছেন, তা করতে পিছপা হননি। নিজের ফর্ম দিয়েই তিনি প্রমাণ করে দিচ্ছেন, সমালোচনার জবাব দেওয়া যায় পারফরম্যান্সেই। অন্য কিছুতে নয়। ক্যাপ্টেন কোহলির এই মনোভাবই তারিফ কুড়োচ্ছে প্রাক্তনদের।

বিরাটের মুকুটে নয়া পালক, টেস্টে ৫০০০ রানের ক্লাবে অধিনায়ক ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.