Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Sachin Tendulkar

বাবার স্মৃতিতে বিশেষ উদ্যোগ শচীনের, শিক্ষক দিবসে চালু করলেন ফেলোশিপ

শিক্ষক দিবসে বাবার স্মৃতিতে বিশেষ উদ্যোগ শচীন তেণ্ডুলকরের। প্রয়াত বাবা রমেশ তেণ্ডুলকরের নামে 'প্রফেসর রমেশ তেন্ডুলকর মেমোরিয়াল ফেলোশিপ' চালু করলেন লিটল মাস্টার।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬, ২০:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬, ২০:৫৭

options
link
বাবার স্মৃতিতে বিশেষ উদ্যোগ শচীনের, শিক্ষক দিবসে চালু করলেন ফেলোশিপ zoom
বাবার সঙ্গে শচীন। ফাইল ছবি।
Advertisement

শিক্ষক দিবসে বাবার স্মৃতিতে বিশেষ উদ্যোগ শচীন তেণ্ডুলকরের। প্রয়াত বাবা রমেশ তেণ্ডুলকরের নামে ‘প্রফেসর রমেশ তেন্ডুলকর মেমোরিয়াল ফেলোশিপ’ চালু করলেন লিটল মাস্টার। শ্রীনগরে ক্লেফট এবং ক্র্যানিয়োফেসিয়াল চিকিৎসায় তরুণ চিকিৎসকদের বিশেষ প্রশিক্ষণের সুযোগ করে দেওয়াই এই উদ্যোগের লক্ষ্য।

এই ফেলোশিপের মাধ্যমে প্রতি বছর একজন এমডি চিকিৎসককে এক বছরের জন্য শ্রীনগরে ক্লেফট ও ক্র্যানিয়োফেসিয়াল চিকিৎসার বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এই প্রশিক্ষণের খরচের জন্য আর্থিক সাহায্য করবে ফাউন্ডেশন। প্রশিক্ষণ শেষ হলে চিকিৎসককে শচীন তেণ্ডুলকর ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে একটি শংসাপত্রও দেওয়া হবে। শিক্ষক দিবসে ফেলোশিপ ঘোষণা করতে গিয়ে তাঁর জীবনে বাবার ভূমিকার কথা স্মরণ করেছেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে একশো সেঞ্চুরির মালিক। তাঁর কথায়, ক্রিকেট মাঠে পা রাখার অনেক আগেই তাঁর জীবনের ভিত তৈরি হয়েছিল বাড়িতে। “আমার সাফল্যের পথ যাঁরা তৈরি করে দিয়েছেন, তাঁদের কথা বলতে গেলে প্রথমেই ক্রিকেট মাঠ বা কোনও কোচের কথা মনে আসে না। সবার আগে মনে পড়ে আমার পরিবারের কথা।” মন্তব্য শচীনের।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
বাবার সঙ্গে স্মৃতিমেদুর মুহূর্ত। ছবি শচীন তেণ্ডুলকর/ ইনস্টাগ্রাম।

রমেশ তেণ্ডুলকর ছিলেন অধ্যাপক, লেখক ও কবি। শচীনের কাছে তিনি শুধু বাবা ছিলেন না, ছিলেন তাঁর শিক্ষক, পথপ্রদর্শক ও পরামর্শদাতা। ক্রিকেটকে পেশা হিসাবে বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্তে তিনি শচীনকে পুরো স্বাধীনতা দিয়েছিলেন। তবে সবসময় বলতেন, জীবনে সাফল্যের চেয়ে ভালো মানুষ হওয়া বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সে কথাই বলেন তিনি। ছোটবেলায় বাবার দেওয়া একটি শিক্ষাও আজও মনে রেখেছেন শচীন। তাঁর কথায়, “ব্যর্থতা জীবনের অংশ হতে পারে, কিন্তু অসততার কোনও জায়গা নেই।”

মাস্টারব্লাস্টার জানিয়েছেন, ক্রিকেটে তাঁর প্রতিভা বাবা বুঝতে পেরেছিলেন ঠিকই, কিন্তু কখনও নিজের ইচ্ছা চাপিয়ে দেননি। শচীনের সংযোজন, “আমি নিতান্তই এক সাধারণ ছেলে ছিলাম। যে ক্রিকেট খেলতে ভালোবাসত। বাবা আমার মধ্যে আরও কিছু দেখতে পেয়েছিলেন। কিন্তু আমি কী হব, তা তিনি ঠিক করে দিতে চাননি। বরং নিজের পথ নিজে খুঁজে নেওয়ার জন্য আমাকে সব সময় সমর্থন করেছিলেন।” আর সেই জায়গা থেকেই শচীনের উপলব্ধি, “একজন ভালো শিক্ষক বা মেন্টর ঠিক সেটাই করেন। আপনি নিজের মধ্যে যে সম্ভাবনাটা দেখতে পাওয়ার আগেই তিনি সেটাকে চিনে ফেলেন।”

 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

A post shared by Sachin Tendulkar (@sachintendulkar)

বাবার স্মৃতিতে এই ফেলোশিপ রমেশ তেণ্ডুলকরের আদর্শকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ারও চেষ্টা বলে জানিয়েছেন লিটল মাস্টার। তিনি বলেন, “আমার কাছে এটি শুধুমাত্র একটি ফেলোশিপ নয়। বাবার গভীর বিশ্বাসকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার একটি পথ। তিনি বিশ্বাস করতেন, শিক্ষা সুযোগ তৈরি করে। আর সেই সুযোগ তখনই সত্যিকারের অর্থবহ হয়ে ওঠে, যখন তা অন্যের সেবায় কাজে লাগে।” দেশে প্রতিভার অভাব নেই। কিন্তু সঠিক পরিবেশের অভাবে বহু তরুণ সেই সম্ভাবনাকে পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারে না। শচীন বলেন, “বাবা আমাকে নিজের পথ খুঁজে নেওয়ার আত্মবিশ্বাস দিয়েছিলেন। তিনি সারা জীবন অন্যদের শিক্ষা দিয়েছেন। পথ দেখিয়েছেন। আমিও চাই, অন্যদের জন্য সেই একই দরজা খুলে দিতে।”

শচীন আরও বলেন, “একজন শিক্ষকের শিক্ষাদান শুরু হয় একজন ছাত্রকে দিয়ে। কিন্তু তার প্রভাব সুদূরপ্রসারী। তার প্রভাব এক জীবন থেকে আর এক জীবনে, এক প্রজন্ম থেকে পরের প্রজন্মে।” ১৯৯৯ সালে মুম্বইয়ের বাড়িতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় রমেশ তেণ্ডুলকরের। সেসময় ইংল্যান্ডে বিশ্বকাপ খেলছিলেন শচীন। বাবার মৃত্যুসংবাদ পেয়ে দেশে ফিরে আসেন। কিন্তু দেশের কর্তব্য তাঁর কাছে সবার আগে। বাবার শেষকৃত্য সম্পন্ন করে ইংল্যান্ডে ফিরে বিশ্বকাপের ম্যাচে সেঞ্চুরি করেছিলেন। এই ঘটনা ভারতের ক্রিকেট ইতিহাসে মিথের পর্যায়ে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.