সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আমেরিকায় ক্রিকেট এখনও বিপুল জনপ্রিয় নয়। বরং বাস্কেটবল আর বেসবলের দাপটই বেশি মার্কিন মুলুকে। কিন্তু শচীন তেণ্ডুলকরের (Sachin Tendulakar) হাতে ব্যাট থাকলে আজও ফুল ফোটান তিনি। ক্রিকেট মাঠ না হোক, আমেরিকায় বেসবল ব্যাট হাতেই দাপট দেখালেন মাস্টার ব্লাস্টার।
রবিবার নাসাও স্টেডিয়ামে মুখোমুখি ভারত আর পাকিস্তান। ঐতিহাসিক মহারণের আগে চাঁদের হাট নিউ ইয়র্কে। কে নেই সেখানে! শচীনের সঙ্গে রয়েছেন ভারতের প্রাক্তন কোচ রবি শাস্ত্রীও (Ravi Shastri)। ম্যাচের আগে শচীনকে দেখা গেল বেসবল ব্যাট হাতে। বল নিয়ে শাস্ত্রী। আর মার্কিন জনতার সামনে ‘ছক্কা’ হাঁকালেন শচীন। আইসিসি থেকে শেয়ার করা সেই ভিডিও মূহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায় সোশাল মিডিয়ায়।
[আরও পড়ুন: সেয়ানে-সেয়ানে, ভারত-পাক মহারণের ভাগ্য নির্ধারণ করবে এই পাঁচ ‘খণ্ডযুদ্ধ’]
দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর ম্যাচে অসংখ্য রেকর্ড গড়েছেন শচীন। কে ভুলতে পারে ২০০৩ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শচীনের ৯৮ রানের ইনিংস। কিংবা শারজার সেই বিখ্যাত ‘মরুঝড়’। ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট যুদ্ধের আগে তাঁকে দেখে নস্টালজিক হয়ে পড়ছেন ভক্তরা। তিনি নিজেও মুখ খুলেছেন সেই বিষয়ে। মাস্টার ব্লাস্টার বলেন, “ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ সবসময়ই সেরা অনুভূতি নিয়ে আসে। আমার প্রথম বিশ্বকাপের অভিজ্ঞতা ১৯৯২ সালে, অস্ট্রেলিয়ার মাঠে। তার পর থেকে আমরা বহু ম্যাচ খেলেছি। আর সবকটাই চরম উত্তেজনার ছিল।”
View this post on Instagram
কীভাবে ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলতেন তিনি? পাকিস্তানের বিরুদ্ধে নামার আগে ক্রিকেটারদের মানসিকতাই কীরকম থাকত? শচীন জানান, “আমি জানি, দুটো দলই মাঠের নামার আগে যথেষ্ট প্রস্তুতি নেয়। মাঠে সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করে। ম্যাচের আগে ভারতকে শুভেচ্ছা জানাই।” শচীনের উপস্থিতিতেই মাঠে ৭-১ করার জন্য ঝাঁপাবেন রোহিতরা।
View this post on Instagram
[আরও পড়ুন: ভারত-পাক মহারণের আগে রোহিতের চিন্তায় পিচ, পেস বিভাগই ভরসা বাবরের]
সর্বশেষ খবর
-
বিশ্বকাপের প্রথম ডোপপাপী ও এক স্বৈরশাসকের ভয়ংকর গল্প
-
আয়ুষ্মান ভবঃ, ঘুম থেকে উঠে এই ৫ অভ্যাস বদলে দেবে জীবনের মান! বলছেন চিকিৎসকরা
-
বারাকপুরে জোড়া ধাক্কা তৃণমূলে, ভাঙল গ্রাম পঞ্চায়েত, ইস্তফা পুরসভার চেয়ারম্যানেরও
-
বাংলাদেশে ঢুকলেই ‘খুন’ করা হবে! ‘জিরো পয়েন্টে’ থাকা ১২ বাংলাদেশিকে ফেরাল ‘মানবিক’ বিএসএফ
-
ফরাক্কায় হেরোইন ল্যাব! ৪ মহিলা-সহ ৭ গ্রেপ্তার, পলাতক বিহারের মূল পাণ্ডা