সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জীবনের সেরা ইনিংসটা খেলে দেশকে গর্বিত করেছেন। ফেভারিট অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ভারতকে ফাইনালে তুলেছেন। শুধু কি নিজের ক্রিকেট কেরিয়ারের সেরা ইনিংস? না বোধহয়। ভারতের ক্রিকেট ইতিহাসেও সোনার অক্ষরে লেখা থাকবে জেমাইমা রদ্রিগেজের ১৩৪ বলে ১২৭ রানের ইনিংস। এমনকী ১৯৮৩-র বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম নায়ক সন্দীপ পাটিল মনে করেন, তাঁর ইনিংসের থেকেও ভালো জেমাইমার ব্যাটিং।
১৯৮৩-র বিশ্বকাপ জয় ভারতের ক্রিকেট ইতিহাস এক লহমায় বদলে দিয়েছিল। বিশ্ব ক্রিকেটে তেরঙ্গা পতাকা উড়িয়ে ছিলেন কপিল দেবরা। সব ক্রিকেটারই কোনও না কোনও সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়ে কিংবদন্তি হয়ে উঠেছেন। যেমন সেমিফাইনালে মহিন্দর অমরনাথ ৪৬ রান করেন ও ২ উইকেট নেন। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সেই ম্যাচে হাফসেঞ্চুরি করেন যশপাল শর্মা (৬১) ও সন্দীপ পাটিল (৫১)। রান তাড়া করে ভারত ৬ উইকেটে জেতে।
সেদিনের নায়ক সন্দীপ জেমাইমার ইনিংস নিয়ে বলছেন, “ভারতের এই ম্যাচে জয় দেখে আমার ১৯৮৩-র বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে জয়ের কথা মনে পড়ে যাচ্ছে। অস্ট্রেলিয়াকে হারানো সবসময় স্পেশাল। এটা অনেকটা আটের দশকে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারানোর মতো। অস্ট্রেলিয়ার মেয়েদের দলও অত্যন্ত শক্তিশালী। ভারতের কোচ অমল মজুমদারকেও আমি অভিনন্দন পাঠিয়েছি।”
তিনি আরও বলেন, “আমার ইনিংসের থেকেও অনেক ভালো জেমাইমার ইনিংস। ওর শট নির্বাচন, মাথা ঠান্ডা রাখা আর মুম্বইয়ের চেনা ‘খাড়ুস’ জেদি মানসিকতা ভারতকে ম্যাচ জিতিয়েছে। মাথায় বিরাট রানের বোঝা ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ক্রিজে ছিল। অসাধারণ সেঞ্চুরি। আমার হাফসেঞ্চুরিটা এর কাছে সব দিক থেকেই অর্ধেক। আমি ৫১ রানে অপরাজিত ছিলাম, জেমাইমা ১২৭ রানে অপরাজিত। যখনই ভারতীয় মহিলা দলের কেউ সেঞ্চুরি করে, খুব ভালো লাগে।”
সর্বশেষ খবর
-
বিশ্বকাপের প্রথম ডোপপাপী ও এক স্বৈরশাসকের ভয়ংকর গল্প
-
আয়ুষ্মান ভবঃ, ঘুম থেকে উঠে এই ৫ অভ্যাস বদলে দেবে জীবনের মান! বলছেন চিকিৎসকরা
-
বারাকপুরে জোড়া ধাক্কা তৃণমূলে, ভাঙল গ্রাম পঞ্চায়েত, ইস্তফা পুরসভার চেয়ারম্যানেরও
-
বাংলাদেশে ঢুকলেই ‘খুন’ করা হবে! ‘জিরো পয়েন্টে’ থাকা ১২ বাংলাদেশিকে ফেরাল ‘মানবিক’ বিএসএফ
-
ফরাক্কায় হেরোইন ল্যাব! ৪ মহিলা-সহ ৭ গ্রেপ্তার, পলাতক বিহারের মূল পাণ্ডা