সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: টানটান উত্তেজনার ম্যাচ গড়াল শেষ বলে। জয়ের জন্য দরকার ৫ রান। এহেন পরিস্থিতিতে নো বল করে বসলেন বোলার। ফ্রি হিটে ছক্কা মেরে ম্যাচ জিতে নিল বিপক্ষ। শেষ মুহূর্তে পয়েন্ট টেবিলের লাস্ট বয়ের কাছে হেরে রীতিমতো ক্ষিপ্ত রাজস্থান রয়্যালসের অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন (Sanju Samson)। ম্যাচের পর সাক্ষাৎকার দিতে এসে তিনি বলেন, আইপিএলটা এমনই টুর্নামেন্ট যে ম্যাচ শেষ হলেও মাঠ ছেড়ে বেরনোর উপায় নেই।
রবিবার ঘরের মাঠে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের (Sunrisers Hyderabad) বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিল রাজস্থান (Rajasthan Royals)। প্লে অফের লড়াইয়ে টিকে থাকতে এদিনের ম্যাচ জেতা খুবই জরুরি ছিল সঞ্জুদের জন্য। প্রথমে ব্যাট করে ২১৪ রান তোলে রাজস্থান। ৯৫ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন জস বাটলার। বিশাল রান তাড়া করতে নেমে ইনিংসের ভিত গড়েন অভিষেক শর্মা ও রাহুল ত্রিপাঠী। জয়ের দিকে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান ফর্মে থাকা হেনরিক ক্লাসেন।
[আরও পড়ুন: রবীন্দ্রজয়ন্তীতে ফের একমঞ্চে বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব, ‘খোলা হাওয়া’র অনুষ্ঠানে শুভেন্দু-সুকান্তরা]
শেষের দিকে ক্রমেই উত্তেজক হয়ে ওঠে দুই দলের লড়াই। শেষ বলে জয়ের জন্য সানরাইজার্সের দরকার ছিল ৫ রান। সেই বলে আবদুল সামাদকে আউট করে দেন সন্দীপ শর্মা। ম্যাচ জয়ের আনন্দে আত্মহারা হয়ে ওঠেন রাজস্থানের খেলোয়াড়রা। সেই সময়েই আম্পায়ার ঘোষণা করেন, নো বলে উইকেট পেয়েছেন সন্দীপ। পরের ফ্রি হিটে ছক্কা মেরে রুদ্ধশ্বাস ম্যাচ জেতান সামাদ।
ম্যাচের পর একেবারে বিধ্বস্ত হয়ে পড়েন রাজস্থানের অধিনায়ক সঞ্জু। তিনি বলেন, “এটাই আসলে আইপিএলের বিশেষত্ব। একইরকম পরিস্থিতিতে চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে ম্যাচ জিতিয়েছিল সন্দীপ। নো বলের পর কীরকম ডেলিভারি করতে হবে, সেটা ও ভালই জানে। আসলে আইপিএলের সময়ে বোঝা যায় না, আদৌ ম্যাচ জিতেছি কিনা।” প্রসঙ্গত, নো বলের কারণে ইতিমধ্যেই সন্দীপকে তোপ দেগেছেন ক্রিকেটবিশেষজ্ঞরা।
[আরও পড়ুন: দেউলিয়া শ্রীলঙ্কার পথেই বাংলাদেশ! উদ্বেগ প্রকাশ IMF-এর]
সর্বশেষ খবর
-
কবে মুক্তি পাবে কিয়ারার ‘টক্সিক’? দিনক্ষণ ঘোষণা যশের
-
পুত্রসন্তান ৮ লাখ, ‘প্রাইস ট্যাগ’ লাগিয়ে বিকোচ্ছে শিশু! দিল্লিতে ভয়ংকর পাচার চক্রের পর্দাফাঁস
-
আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে আয়কর আবাসন, পূর্বায় বিশেষ যোগ শিবির
-
স্লেজিংয়ের জবাব ব্যাটে! বৈভবের বিশ্বরেকর্ডে তছনছ শ্রীলঙ্কা
-
আমেরিকার পর এবার ব্রিটেনের রোষে ভারতীয় নাবিকরা! বিলেতে গ্রেপ্তার জাহাজের ক্যাপ্টেন