Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২১ আগস্ট ২০২৬
সরফরাজ

‘গোটা পাকিস্তান কাশ্মীরের পাশে আছে’, ৩৭০ ইস্যুতে মুখ খুললেন সরফরাজ আহমেদ

কষ্ট আছে কাশ্মীরবাসী, দাবি পাক অধিনায়কের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৩, ২০১৯, ২০:৪৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৩, ২০১৯, ২০:৪৫

options
link
‘গোটা পাকিস্তান কাশ্মীরের পাশে আছে’, ৩৭০ ইস্যুতে মুখ খুললেন সরফরাজ আহমেদ zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারত সরকার ৩৭০ ধারা বিলোপ করার পর পাকিস্তানে যেন বিনা মেঘে বজ্রপাত হয়েছে। পাক সরকার বারবার প্রমাণ করার চেষ্টা করছে, এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ভারত সরকার কাশ্মীরবাসীর নাগরিক অধিকারে হস্তক্ষেপ করেছে। শুধু পাক সরকার নয়, সেদেশের সেলিব্রিটিরাও ভারত সরকারের এই সিদ্ধান্তকে তুলোধোনা করেছেন। ইতিমধ্যেই মুখ খুলেছেন শাহিদ আফ্রিদির মতো ক্রিকেটার। এবার সেই তালিকায় নাম লেখালেন পাকিস্তানের অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদও।

[আরও পড়ুন: শুক্রবারই বিরাটদের কোচ নিয়োগের ইন্টারভিউ, ডাকা হল ৬ জন হেভিওয়েটকে]

৩৭০ ইস্যুতে মুখ খুলে কার্যত নিজের দেশের সরকারের ভাষাতেই কথা বললেন পাক অধিনায়ক। বোঝাতে চাইলেন কাশ্মীরবাসী খুব কষ্টে আছে। তাদের সাহায্যের প্রয়োজন। সোমবার করাচিতে ইদের নমাজ শেষে সরফরাজ বলেন, “কাশ্মীরিদের দুঃখ-দুর্দশা আমরা যেন একসঙ্গে ভাগ করে নিতে পারি। আর এই কঠিন পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে সর্বশক্তিমান আল্লা যেন তাঁদের সাহায্য করেন, সেই প্রার্থনাই করি।” কিন্তু, কাশ্মীরবাসীর কোন দুঃখ দুর্দশার কথা বলছেন সরফরাজ তা উল্লেখ করেননি। প্রসঙ্গত, এর আগে শাহিদ আফ্রিদিও ৩৭০ ধারা বিলোপের সরকারি সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করেন। তিনি টুইট করে বলেন, ভারত সরকারের এই সিদ্ধান্ত বিনা প্ররোচনায় মানবতার বিরুদ্ধে সংঘঠিত অপরাধ। এই প্রসঙ্গে রাষ্ট্রসংঘের নীরবতাকেও প্রশ্নের মুখে দাঁড় করান পাক কিংবদন্তি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: কোহলি-ভুবির দাপটে দুমড়ে গেল ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ৫৯ রানে জয়ী ভারত]

উল্লেখ্য, ৩৭০ ধারা বিলোপের পর এখনও কাশ্মীর থেকে সে অর্থে বড় কোনও হিংসার খবর আসেনি। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম অবশ্য বেশ কয়েকটি সংগঠিত বিক্ষোভ হয়েছে বলে দাবি করেছে। কিন্তু, সেসব দাবি খারিজ করে দিয়েছে ভারত সরকার। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জানিয়েছে, কাশ্মীরে বিচ্ছিন্ন হিংসার খবর এলেও, কোনওটিতেই ২০ জনের বেশি লোক জড়ো হয়নি। এখনও পর্যন্ত বিক্ষোভ দমন করতে একটি বুলেটও খরচ করতে হয়নি সেনাবাহিনীকে। প্রশ্ন হল, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের এই দাবি যদি সত্যি হয়, তাহলে কীসের ভিত্তিতে এমন মন্তব্য করলেন সরফরাজ?

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.