Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Shakib Al Hasan

ঝাপসা দৃষ্টি নিয়ে বিশ্বকাপে খেলেছিলেন, বিস্ফোরক দাবি শাকিবের

কী পরামর্শ দিয়েছিলেন চিকিৎসক?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৬, ২০২৩, ১৮:১২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৬, ২০২৩, ১৮:১২

options
link
ঝাপসা দৃষ্টি নিয়ে বিশ্বকাপে খেলেছিলেন, বিস্ফোরক দাবি শাকিবের zoom
শাকিবের এই সমস্যার কথা কেউই জানেন না। ফাইল চিত্র।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা ছিল। চোখের সমস্যা নিয়েই বিশ্বকাপে খেলেছিলেন শাকিব আল হাসান (Shakib Al Hasan)। এক সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের তারকা ক্রিকেটার স্বয়ং জানিয়েছেন এই কথা।
ক্রিকেট সংক্রান্ত একটি ওয়েবসাইটকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শাকিব বলেছেন, ”বিশ্বকাপে কেবল একটি বা দুটি ম্যাচে নয়, গোটা বিশ্বকাপ জুড়েই বাঁ চোখের দৃষ্টি ঝাপসা ছিল।” সাক্ষাৎকারে শাকিব জানিয়েছেন, চোখের সমস্যা নিয়ে খেলতে খুব সমস্যা হচ্ছিল তাঁর। বিশ্বকাপে নিজের সেরা ফর্মে ধরা দেননি শাকিব। অনেকেই মনে করছেন, হতশ্রী পারফরম্যান্সের জন্যই শাকিব অজুহাত দিচ্ছেন। 

[আরও পড়ুন: পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলতে না চাওয়ার জের, বড় শাস্তির মুখে সুমিত নাগাল]

তবে কী কারণে শাকিবের চোখে সমস্যা হয়েছিল, তার কারণ স্পষ্ট করে জানা যায়নি। শাকিব চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁর পরামর্শ নেন। সেই চিকিৎসক স্ট্রেস কমাতে বলেন বাংলাদেশের অধিনায়ককে। শাকিব বলেছেন, ”আমি যখন চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে গিয়েছিলাম, তখন আমার কর্নিয়া বা রেটিনায় জল জমেছিল। চিকিৎসকরা আমাকে ড্রপ দেওয়ার পরামর্শ দেন। চিকিৎসকরা স্ট্রেস কমানোর পরামর্শ দেন। তবে স্ট্রেসজনিত কারণেই যে আমার দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হয়েছে, এটা আমি মনে করি না। কিন্তু বিশ্বকাপের শেষে আমেরিকায় পৌঁছনোর পরে আর কোনও স্ট্রেস ছিল না। চিকিৎসককে বলি, বিশ্বকাপও শেষ, স্ট্রেসও গায়েব।”
বিশ্বকাপে শাকিব বিতর্কে জড়িয়েছেন। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ম্যাচে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউজকে টাইমড আউট করেছিলেন। তা নিয়ে জল অনেক দূর গড়িয়েছিল। 

Advertisement

[আরও পড়ুন: সুপার কাপ খেলবে না মহামেডান, ফেডারেশনকে জানিয়ে দিল সাদা-কালো ব্রিগেড]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.