সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রথম টেস্টে হারতে হয়েছিল ৭ উইকেটে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে তবু কিছুটা লড়াই করেছিলেন বাংলাদেশের মেহেদি হাসান, জাকের আলিরা। দ্বিতীয় টেস্টে সেই লড়াইটাও চোখে পড়ল না। মাত্র তিনদিনেই হেরে গেল বাংলাদেশ। একই দিনে দুবার অল আউট হলেন শান্তরা। ইনিংস ও ২৭৭ রানে পরাজয়ের লজ্জা নিয়ে সিরিজও হারালেন তাঁরা।
চট্টগ্রাম টেস্টে প্রথমদিনই যেন দেওয়াললিখন পড়া যাচ্ছিল। টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন এডেন মার্করাম। তাইজুল ইসলাম ৫ উইকেট নিয়ে কিছুটা চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটাররা অনায়াসে উড়িয়ে দিয়েছিলেন হাসান মাহমুদ, নাদিদ রানাদের। টনি দে জর্জি করেন ১৭৭ রান, ত্রিস্তান স্টাবস করেন ১০৬ রান। এখানেই শেষ নয়। ডেভিড বেডিংহামের ৫৯-র পর শেষের দিকে ঝড় তোলেন উইয়ান মুল্ডার ও সেনুরান মুথুস্বামী। মুল্ডার অপরাজিত থাকেন ১০৫ রানে। অন্যদিকে সেনুরানও ৬৮ রান করে অপরাজিত থাকেন।
জবাবে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেমে যায় মাত্র ১৫৯ রানে। মোমিনুল হক করেন ৮২ রান। তাইজুল করেন ৩০ রানে। বাকিদের আর কারওরই রান ১০-র গণ্ডি পেরোয়নি। ৫ উইকেট তোলেন কাগিসো রাবাডা। স্বাভাবিকভাবেই ফলো অন নিয়ে ফের ব্যাট হাতে নামেন শান্তরা। দ্বিতীয় ইনিংসে তাঁরা করেন মাত্র ১৪৩। অর্থাৎ কোনও ইনিংসেই তারা জোর্জির রানকে টপকে যেতে পারেনি। শান্ত করেন ৩৬ রান। অন্যদিকে হাসান মাহমুদ ৩৮ রানে অপরাজিত থাকেন। কেশব মহারাজ তোলেন ৫ উইকেট, সেনুরানের শিকার ৪ উইকেট।
বাংলাদেশ হারে ইনিংস ও ২৭৩ রানে। ম্যাচের সেরা হন ডে জর্জি। দুটি টেস্টেই জয় পেল দক্ষিণ আফ্রিকা। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ৮ ম্যাচে মার্করামদের পয়েন্ট শতাংশ ৫৪.১৭। তাদের সিরিজ জয়ে চাপ বাড়ল ভারতের উপরেও।
সর্বশেষ খবর
-
ড্রোন তৈরিতে পড়ুয়াদের হাতেখড়ি, আইইএমের ‘অ্যাভিওনিক্স ২০২৬’ ঘিরে তুঙ্গে উন্মাদনা
-
স্পনসরের আকালে গিল-শ্রেয়সরা! ডেডলাইনের দু’সপ্তাহ পরেও খালি হাত বোর্ডের, কেন এই দুরবস্থা?
-
রাজ্যের অনুরোধে সাড়া! প্রধানমন্ত্রী ফসল বিমা যোজনায় নথিভুক্তকরণের সময়সীমা বাড়াল কেন্দ্র
-
‘বিদ্রোহী’ আবু তাহের এবং খলিলুরের হাতে রাখি পরালেন দিলীপ, ফের নয়া সমীকরণ?
-
শামুকের গতির WiFi নিয়ে নাজেহাল? এই সহজ পদ্ধতিতেই হবে মুশকিল আসান