সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ম্যাচ তখন প্রায় শেষের পথে। আর হয়তো কিছুক্ষণের অপেক্ষা। তারপরই বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নের মুকুট উঠবে দক্ষিণ আফ্রিকার মাথায়। কিন্তু অধিনায়ক টেম্বা বাভুমার মুখে সেভাবে কোনও তাপ-উত্তাপ নেই। অবশেষে বহুকাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত। বেডিংহাম ও ভেরেনি জুটি ম্যাচ জেতানোর পর শুধু হাততালি দিলেন। কিন্তু তাঁর চোখও একটু ছলছল করে উঠল? ক্রিকেটভক্তরা কিন্তু সেরকমই মনে করছেন।
তারপর তিনি মাঠে নামলেন। হাতে উঠল বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের মেস। সেটাকে নিয়ে আবার স্টেনগানের ভঙ্গি করলেন। পরে বলেন, “আমরা যেভাবে ফাইনালে উঠেছি, তাতে অনেকে সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন। আর আজকের এই জয় সেগুলোকে মুছে দিল। আজ আমাদের কাছে জাতি হিসেবে একটা সুযোগ এসেছে। আমাদের যত বিভাজন আছে, সেগুলোকে মুছে একত্রিত হওয়ার। এবার একত্রিত হিসেবে সেলিব্রেট করব।” সেই সঙ্গে সতীর্থ রাবাডা ও মার্করামের প্রশংসায় পঞ্চমুখ বাভুমা।
তিনি আরও বলেন, “দল হিসেবে আজকের মুহূর্তটা আমাদের কাছে স্পেশাল। বাড়ি ফিরেও বিষয়টা বিশ্বাস করতে আমাদের কিছুদিন সময় লাগবে। দল হিসেবে আমরা এটা জিততে চেয়ছিলাম, সেই তাগিদটাও ছিল। আমরা বারবার দরজায় কড়া নাড়ছিলাম। আগের প্লেয়ারদের অনেক হৃদয়ভঙ্গের যন্ত্রণা দেখতে হয়েছে। এবার সূর্যোদয় হল। আশা করি, এটা দিয়েই আমাদের সাফল্যের সূত্রপাত হল।”
অন্যদিকে আনন্দে কেঁদেই ফেলেন কেশব মহারাজ। ফাইনালের সেরা মার্করাম বলেন, “লর্ডস এমন একটা জায়গা, যেখানে টেস্ট ক্রিকেটাররা সাফল্য পেতে চায়। এখানে যে দক্ষিণ আফ্রিকান সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন, তাদের জন্য বিশেষ দিন। এই ধরনের ম্যাচে চাপ নিতে হয়। তাছাড়া বাভুমাও পাশে থেকেছে। ও সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছে। ওর ইনিংসটা লোকে বহুদিন মনে রাখবে।”
সর্বশেষ খবর
-
ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে রক্ত বিক্রি! এক সপ্তাহে তদন্ত শেষের নির্দেশ হাই কোর্টের
-
শোভনের হাতে পায়েস মুখ, সোহিনীর সাধভক্ষণে কী ছিল মেনুতে?
-
অন্নপূর্ণার আবেদন ‘আন্ডার প্রসেস’, বাতিল হবে না তো? জেনে নিন এই সময়ে কী করণীয়
-
যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যই মূল, ঢেলে সাজানো হচ্ছে শিয়ালদহ-বহরমপুর ডিভিশন
-
সোশাল মিডিয়ার ‘পরীক্ষা’য় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের রিপোর্ট কার্ড, ‘ফ্রেন্ডস’ ভিডিও ডিলিটেও ফার্স্ট বয় মোদি!