সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কয়েকদিন আগে পর্যন্ত তিনি ছিলেন সহ-অধিনায়ক। অথচ রাতারাতি টি-২০ বিশ্বকাপের দল থেকে বাদ পড়ে গেলেন শুভমান গিল। যা কিনা বিশ্বাস করতেই কষ্ট হচ্ছে সুনীল গাভাসকরের। লিটল মাস্টার বলছেন, টিম ম্যানেজমেন্টের এই সিদ্ধান্তে তিনি শুধু চমকে গিয়েছেন তাই নয়, রীতিমতো স্তম্ভিত। গাভাসকরের ধারণা, গিলের উপর কারও কুনজর পড়েছে।
শনিবারই বিশ্বকাপের জন্য ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে বিসিসিআই। সেই দলে জায়গা হয়নি চূড়ান্ত ছন্দহীন শুভমান গিলের। যা দেখে স্তম্ভিত গাভাসকর বলছেন, “শুভমান ক্লাসি প্লেয়ার। ব্যাট হাতে দুর্দান্ত একটি মরশুম কাটিয়েছে। হ্যাঁ, দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে কয়েকটি ম্যাচে রান পায়নি। কিন্তু ক্লাসটাই আসল, সেটাই শেষ পর্যন্ত নিজেকে প্রমাণ করতে সাহায্য করবে। ফর্ম তো সাময়িক।’ গিলের পাশে দাঁড়িয়ে খারাপ ফর্মের জন্য সাফাইও দিয়েছেন লিটল মাস্টার। তিনি বলছেন, ‘ও দীর্ঘ বিরতির পর দলে ফিরেছিল। আসলে ছোট ফরম্যাটে শুরু থেকেই মারতে হয়। ভালো ছন্দ না থাকলে এটা খেলা কঠিন। গিল ছন্দে ছিল না। সেটাই ওঁর বিপক্ষে গিয়েছে।”
যদিও টিম ম্যানেজমেন্ট বলছে, ফর্মের কারণে বাদ পড়েননি গিল। টিম কম্বিনেশনের জন্য বাদ পড়েছেন। নির্বাচক প্রধান অজিত আগরকর বলছেন, “শুভমানের মান নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। ও হয়তো সম্প্রতি রান পায়নি। তবে আপনাদের মতের সঙ্গে আমার মত আলাদা হতে পারে। এটা ঠিক যে, একেক সময় খেলোয়াড় বেছে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। তবে ফর্মে ওঠানামা থাকে। তবে কোন কম্বিনেশনে খেলব সেটা গুরুত্বপূর্ণ। কাউকে না কাউকে তো বাদ পড়তেই হত। আমাদের হাতে এই মুহূর্তে বিকল্প রয়েছে।”
গিলের বাদ পড়ার পিছনে অবশ্য আরও একটা কারণ থাকতে পারে বলে ধারণা গাভাসকরের। খানিক কুসংস্কারাচ্ছন্ন হয়েই তিনি বলছেন, “সদ্য আমেদাবাদ থেকে শুভমান গিল ও সূর্যকুমার যাদবের সঙ্গে একই ফ্লাইটে ফিরেছি। ওকে বলেছিলাম, ওর কিছু চোট অদ্ভুত ধরনের। ঘাড় ও হাঁটুর চোট লেগেছে। মনে হয় কারও নজর লেগেছে। বাড়ির কাউকে দিয়ে ওর কুনজর কাটানোর দরকার। আমি বিশ্বাস করি, কখনও কখনও নজরও লাগে।’
সর্বশেষ খবর
-
বরানগর-বারাকপুর মেট্রো পিঙ্ক লাইনের ছাড়পত্র দিল কলকাতা পুরসভা, অভিনন্দন শুভেন্দুর
-
ইরানের উপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা! ‘তেহরানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করুন, না হলে…’, বিশ্বনেতাদের হুমকি আমেরিকার
-
যাদবপুরে বৈঠক শেষে বেরনোর সময় পড়ে গেলেন উপাচার্য! ‘নাটক করছেন’, দাবি বিক্ষোভকারীদের
-
কাপড়ের ব্যবসা, শিবপুরের ঘিঞ্জি এলাকায় বাস, বানাতেন জাল নথিও, সীমান্তে ধৃত কে এই আফগান যুবক?
-
বাবা পরিযায়ী শ্রমিক, বহু কষ্টে পড়াশোনা, নিটে সফল আতাউলের স্বপ্ন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ হওয়া
