অস্ট্রেলিয়া: ৫৫ ওভারে ১৬৬/২ (লাবুশানে ৬৭*, সাইনি ১/৩২)
প্রথম দিনের খেলা শেষ।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অ্যাডিলেডে লজ্জাজনক হারের পর মেলবোর্ন টেস্টে দুরন্ত কামব্যাক করেছিল টিম ইন্ডিয়া। তবে সিডনিতে তৃতীয় টেস্টে খেলতে নামার আগে ক্রিকেট নয়, ক্রিকেটের বাইরের জিনিস নিয়েই বিতর্ক বেশি হয়েছে। ভারতীয় ক্রিকেটারদের চাপে ফেলতে মাঠের বাইরে উঠে–পড়ে লেগেছিল অজি সংবাদমাধ্যম। তার উপর দলে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়ের অনুপস্থিতি। আর এসবের প্রভাবই যেন এদিন পড়ল রাহানেদের খেলায়। বৃষ্টিবিঘ্নিত প্রথম দিনে খেলা হল মাত্র ৫৫ ওভার। আর তার মধ্যেই পুকোভস্কি, লাবুশানে এবং স্মিথের দুরন্ত ব্যাটিংয়ের সৌজন্যে দিনের শেষে অজিদের রান দু’উইকেটে ১৬৬। ক্রিজে লাবুশানে ৬৭ এবং স্মিথ ৩১।
এদিন টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন অজি অধিনায়ক টিম পেইন। চোট সারিয়ে ফেরা ডেভিড ওয়ার্নারকে শুরুতেই ফেরান মহম্মদ সিরাজ। মাত্র পাঁচ রানে প্যাভিলিয়নে ফেরেন বাঁ–হাতি ওপেনার। এরপর অবশ্য পুকোভস্কি–লাবুশানে জুটি দলের হাল ধরেন। দু’জনে মিলে জুটিতে ১০০ রান যোগ করেন। শেষপর্যন্ত ৬২ রানে নভদীপের বলে আউট হন পুকোভস্কি। সিডনিতেই টেস্টে অভিষেক হল নভদীপের। তিনি ফেরান বিপজ্জনক হয়ে ওঠা পুকোভস্কিকে। তবে আরও আগেই ফেরানো যেত তাঁকে। দু’বার জীবন ফিরে পান তিনি। ব্যক্তিগত ২৬ ও ৩২ রানে পুকোভস্কিকে ফেলেন পন্থ। যা নিয়ে টুইটারে ট্রোলডও হতে হয় তাঁকে। পুকোভস্কি ফেরার পর স্মিথ–লাবুশানে ইনিংস গড়ে তোলেন। প্রথম দিনের খেলা শেষ হওয়ার সময় হাফ সেঞ্চুরি করে ফেলেন লাবুশানে। দিনের শেষে তিনি অপরাজিত রয়েছেন ৬৭ রানে। ৩১ রানে ক্রিজে রয়েছেন স্মিথ।
Pant gives Puc a life! #AUSvIND pic.twitter.com/PwhpHuJI4D
— cricket.com.au (@cricketcomau) January 7, 2021
[আরও পড়ুন: পরপর তিন ম্যাচে হারের জের! আইএসএলের মাঝপথেই কোচ বিদায় বেঙ্গালুরুর]
প্রথম দু’টি টেস্টে দুরন্ত বোলিং করলেও এদিন অবশ্য দাগ কাটতে পারেননি জসপ্রীত বুমরাহ। ১৪ বল করে ৩০ রান দিলেও উইকেট পাননি তিনি। অন্যদিকে, অশ্বিনও উইকেটহীন থেকেছেন। ১৭ ওভার বল করে ৫৬ রান দিয়েছেন তিনি। সিরাজ একটি এবং নভদীপ একটি উইকেট পেয়েছেন।
এদিন ম্যাচের শুরুতেই শিরোনামে আসেন সিরাজ। ম্যাচের বল গড়ানোর আগে জাতীয় সংগীত চলাকালীন অঝোরে কাঁদলেন টিম ইন্ডিয়ার তরুণ এই তারকা। তাঁর সেই আবেগাপ্লুত ছবি নিয়ে চর্চা হল সোশ্যাল মিডিয়ায়। সিরিজ চলাকালীনই প্রয়াত হন সিরাজের বাবা। পিতৃবিয়োগের খবর শুনেও দেশে ফেরেননি তিনি। রয়ে যান দলের সঙ্গে। বাবা স্বপ্ন দেখতেন, ছেলে একদিন দেশের হয়ে খেলবে। সেই স্বপ্নপূরণ করার জন্যই লড়াই করেছেন সিরাজ। তার পরিশ্রম কাজে এসেছে। অভিষেক ম্যাচেই মেলবোর্নে পাঁচ-পাঁচটি উইকেট নেন। সিডনিতেও ফেরান বিধ্বংসী ওয়ার্নারকে। বাবার স্বপ্নপূরণ করতে পেরেছেন সিরাজ। কিন্তু তা দেখতে পেলেন না বাবা। নিজের আবেগ তাই নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেননি সিরাজ। বল হাতেও কিছু করে দেখানোর তাগিদ দেখা গিয়েছে তাঁর মধ্যে।
[আরও পড়ুন: কেনাকাটা করতে গিয়ে সত্যিই কোভিডবিধি ভেঙেছিলেন বিরাটরা? কী বললেন অস্ট্রেলিয়ার ওই দোকান মালিক?]
সর্বশেষ খবর
-
সম্পত্তি হাতাতেই ‘খুন’ দেবস্মিতা, বর্ধমানে গ্রেপ্তার ভাড়াটে দম্পতি! দিল্লিতে অধ্যাপিকা খুনের কিনারা
-
মেসি কাণ্ডে অরূপ বিশ্বাসের বাড়িতে পুলিশ, আরও বিপাকে প্রাক্তন মন্ত্রী
-
আপত্তি সত্ত্বেও শরীর প্রদর্শন! ‘মা সেটে থাকলে অন্যায় হত না’, ‘পেড্ডি’ বিতর্কে বিস্ফোরক জাহ্নবী
-
মাঝরাস্তায় খিদের টান! ৫ টাকা দিয়ে ‘মা আহারে’ মধ্যাহ্নভোজ সারলেন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল
-
টুটু বোস স্মরণে রক্তদান শিবির, উত্তর কলকাতায় একমঞ্চে ভিন্ন রাজনৈতিক মতের মানুষ