Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
টি-২০ বিশ্বকাপ ২০২৬
Ajit Agarkar

‘গালমন্দ’ হজম করেও নীরবে বিশ্বজয়ের কারিগর, ভারতের সবচেয়ে সফল নির্বাচকপ্রধান কি আগরকরই?

শুধু ট্রফিজয় নয়, ভারতীয় দলে বিরাট যুগবদলও হয়েছে আগরকরের হাত ধরেই। ওয়ানডে-তেও আগামী দিনে সেই একই ভবিষ্যতের পথে হাঁটতে পারেন তিনি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৯, ২০২৬, ১৭:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৯, ২০২৬, ১৭:৩৮

options
link
‘গালমন্দ’ হজম করেও নীরবে বিশ্বজয়ের কারিগর, ভারতের সবচেয়ে সফল নির্বাচকপ্রধান কি আগরকরই? zoom
জাতীয় দলের নির্বাচকপ্রধান অজিত আগরকর। ফাইল ছবি।

ভারতের মতো ক্রিকেট পাগল দেশে নির্বাচকপ্রধান হওয়াটা মোটে সহজ কাজ নয়। এ দেশে প্রত্যেক ক্রিকেটপ্রেমীর নিজস্ব মতামত রয়েছে, প্রত্যেকেই যেন বিশেষজ্ঞ, সবজান্তা। ফলে যাকেই দলে নেওয়া হোক, বহু মানুষের তাতে আপত্তি থাকবেই। তাছাড়া দল নির্বাচন বড় স্বীকৃতিহীন কাজ। ভালো দল নির্বাচন করলে মনে করা হয় সেটাই প্রত্যাশিত। আর কোনও সিদ্ধান্ত ভুল হলেই মুন্ডপাত। রবিবারের পর বলা বাহুল্য, এই কঠিন কাজটি খুব ভালোভাবে করেছেন অজিত আগরকর।

এমনিতে ভারতীয় ক্রিকেট নির্বাচক হিসাবে দিলীপ বেঙ্গসরকার, কৃষ্ণমাচারি শ্রীকান্তের মতো কিংবদন্তিদের দেখেছে। এদের তুলনায় লো প্রোফাইল হলেও আগরকরের ক্রিকেটীয় অর্জন কম কিছু নয়। কিন্তু যে কোনও কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে গেলেই তাঁর ক্রিকেটীয় অর্জন টেনে এনে খোঁচা দেওয়া হত। বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মাদের নিয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে সমালোচনা করা হত। প্রশ্ন তোলা হত, নির্বাচক প্রধান কেন দলের সঙ্গে বিদেশ সফরে যাবেন। প্রশ্ন তোলা হত, কেন ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত দেখা যায় না তাঁকে। সেই সব প্রশ্নের উত্তর আগরকর দিয়েছেন পারফরম্যান্স দিয়ে।

Advertisement
এর মধ্যে ২০২৪ ও ২০২৬ টি-২০ বিশ্বকাপে ভারত চ্যাম্পিয়ন। ২০২৫ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি চ্যাম্পিয়নও ভারত। আবার গোটা দুই এশিয়া কাপও জিতেছে টিম ইন্ডিয়া। একটা মাত্র আইসিসি ট্রফিতে ভারত 'ব্যর্থ' হয়েছে। সেটা ২০২৩। সেবারও টিম ইন্ডিয়া রানার্স আপ।
আগরকর। ফাইল ছবি।

২০২৩ সালের মাঝামাঝি জাতীয় নির্বাচক হন তিনি। খানিক বিরূপ পরিস্থিতিতেই। চেতন শর্মাকে বিতর্কিত কারণে সরানোর পরা আগরকরকে আনা হয়। তাঁর প্রথম বড় দায়িত্ব ছিল ২০২৩ বিশ্বকাপের দল বাছা। এরপর তিনি সব মিলিয়ে মোট চারটি আইসিসি ট্রফির দল বেছেছেন। এর মধ্যে ২০২৪ ও ২০২৬ টি-২০ বিশ্বকাপে ভারত চ্যাম্পিয়ন। ২০২৫ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি চ্যাম্পিয়নও ভারত। আবার গোটা দুই এশিয়া কাপও জিতেছে টিম ইন্ডিয়া। একটা মাত্র আইসিসি ট্রফিতে ভারত ‘ব্যর্থ’ হয়েছে। সেটা ২০২৩। সেবারও টিম ইন্ডিয়া রানার্স আপ। অর্থাৎ নিজের সময়কালে চারটি আইসিসি ট্রফির ৩টিই দলকে জিতেছেন আগরকর। অপরটিতে টিম ইন্ডিয়া রানার্স আপ। আর কোনও নির্বাচক অন্তত খাতায় কলমে এতটা সফল নন।

এর মধ্যে ২০২৪ ও ২০২৬ টি-২০ বিশ্বকাপে ভারত চ্যাম্পিয়ন। ২০২৫ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি চ্যাম্পিয়নও ভারত। আবার গোটা দুই এশিয়া কাপও জিতেছে টিম ইন্ডিয়া। একটা মাত্র আইসিসি ট্রফিতে ভারত ‘ব্যর্থ’ হয়েছে। সেটা ২০২৩। সেবারও টিম ইন্ডিয়া রানার্স আপ।

সবচেয়ে বড় ব্যাপার হল, ভারতের এসবের জয়ের মধ্যেও দলে একটি বড়সড় ট্রানজিশন হয়ে গিয়েছে। গৌতম গম্ভীর, সূর্যকুমার যাদব, শুভমান গিলদের হাত ধরে নতুন যুগের সূচনা হয়েছে। দুটি ফরম্যাটে বিরাট-রোহিত নির্ভরতা ঘুচিয়ে টিম গেম খেলছে টিম ইন্ডিয়া। ওয়ানডে-তেও আগামী দিনে সেই একই ভবিষ্যতের পথে হাঁটতে পারেন তিনি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.