বিশ্রী ফিল্ডিং। একের পর এক ক্যাচ মিস। একটা সময় এগুলি করত পাকিস্তান। কিন্তু এশিয়া কাপ থেকে ফিল্ডিং মিসের এই নয়া রোগ ধরেছে ভারতকে। এশিয়া কাপেও ক্যাচ ধরার নিরিখে পিছনের সারিতে ছিলেন সূর্যকুমার যাদবরা। বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বেও তাই। বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ২০টি দলের মধ্যে ক্যাচ ধরার নিরিখে উনিশ নম্বরে ভারত।
এমনিতে গ্রুপের বাধা টপকাতে বিশেষ বেগ পেতে হয়নি সূর্যকুমার যাদবদের। ৪ ম্যাচের চারটিতেই মোটামুটি অনায়াসে জিতেছে টিম ইন্ডিয়া। ব্যাটিং বা বোলিং নিয়ে বিশেষ চিন্তা নেই। তবে ফিল্ডিং সত্যিই চিন্তার কারণ। কারণ গ্রুপ পর্বের চার ম্যাচে ৯টি ক্যাচ ছেড়ে দিয়েছে ভারতীয় দল। বুধবার রাতে নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধেও দুটি ক্যাচ ছেড়েছেন সূর্যকুমার যাদবরা। ডাচরা যে ভারতের বিরুদ্ধে ১৭৬ রান তুলে দিল, সেটার মূল কারণও ওই ফিল্ডিং মিস।
আরও পড়ুন:
গ্রুপ পর্বের চার ম্যাচে ৯টি ক্যাচ ছেড়ে দিয়েছে ভারতীয় দল। বুধবার রাতে নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধেও দুটি ক্যাচ ছেড়েছেন সূর্যকুমার যাদবরা।
পরিসংখ্যান বলছে, বিশ্বকাপে (T20 World Cup) যে ২০টি দল খেলছে সেগুলির মধ্যে ক্যাচ ধরার নিরিখে উনিশটি দলের থেকে পিছিয়ে টিম ইন্ডিয়া। সূর্যকুমার যাদবরা ৪ ম্যাচে ৯টি ক্যাচ ছেড়েছেন। একমাত্র আয়ারল্যান্ড ৪ ম্যাচে ১০টি ক্যাচ ছেড়ে ভারতের উপরে রয়েছে। নামিবিয়া ৬টি ক্যাচ নিয়ে তৃতীয় স্থানে। সব মিলিয়ে ভারতের ক্যাচ ধরার হার ৭০ শতাংশের নিচে। এর আগে এশিয়া কাপেও এই বিশ্রী ফিল্ডিং পরিসংখ্যান দেখা গিয়েছে। লাগাতার ক্যাচ মিসের এই প্রবণতা সুপার এইটের আগে বেশ চাপে রাখবে গম্ভীর ব্রিগেডকে।
ভারতীয় দলের ক্যাচ ছাড়া নিয়ে উদ্বেগপ্রকাশ করেছেন প্রাক্তন পেসার বরুণ অ্যারনও। তিনি বলছেন, “এটা বিরাট চিন্তার। গত ১২ মাসে ভারত সবচেয়ে বাজে ক্যাচিং টিম হওয়ার দৌড়ে সবার আগে ভারত। প্রতি ম্যাচ ২-৩টি ক্যাচ ছাড়া। আমাদের ক্যাচ ধরার গড় ৭০ শতাংশের নিচে। আশা করব সুপার এইট এবং সেমিফাইনালে এই ভুলগুলি হবে না।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘আচরণে যেন বদল না আসে’, নতুন ভবনের উদ্বোধনে স্বয়ংসেবকদের সতর্কবার্তা আরএসএসের
-
লাল সন্ত্রাস ছেড়ে মূল স্রোতে মাও দম্পতি! বৌমার হাতের রান্না খাওয়ার অপেক্ষায় শাশুড়ি
-
বাবা-মা হলেন রাজা-পিয়ান, পুজোর আগেই তারকাদম্পতির সংসারে সুখবর
-
টাকার ছড়াছড়ি! এক দলেই খরচ ১০৬ কোটি, আরও বড় হচ্ছে দেশের এই ফ্রাঞ্চাইজি লিগ
-
ক্যানসারজয়ী দত্তককন্যার প্রথম সিনেমা, ‘নিজের লড়াই ভুলে যেও না মা’, আবেগঘন বিবেক ওবেরয়