Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬
টি-২০ বিশ্বকাপ ২০২৬
Jasprit Bumrah

বার্বাডোজ থেকে মুম্বই, বুমরাহই যেন ভারতীয় ক্রিকেটের ‘চিরপ্রণম্য অগ্নি’

১৮তম ওভারটায় বুমরাহকে সামলাতে গিয়ে রীতিমতো হিমশিম খেলেন ওয়াংখেড়ের বাইশ গজে তাণ্ডব তুলে দেওয়া বেথেল। যেখানে ১৫ করে দরকার ছিল, বুমরাহর ওভারের পর তা গিয়ে পৌঁছল সাড়ে উনিশে। সেই চাপেই তালগোল পাকাল ইংল্যান্ড।

Advertisement
প্রসেনজিৎ দত্ত
প্রসেনজিৎ দত্ত

শেষ আপডেট: মার্চ ৬, ২০২৬, ১৭:০০

link
প্রসেনজিৎ দত্ত
প্রসেনজিৎ দত্ত

শেষ আপডেট: মার্চ ৬, ২০২৬, ১৭:০০

options
link
বার্বাডোজ থেকে মুম্বই, বুমরাহই যেন ভারতীয় ক্রিকেটের ‘চিরপ্রণম্য অগ্নি’ zoom
জশপ্রীত বুমরাহ। ছবি ফেসবুক।

মেঘের আড়ালে সূর্য হাসছে। এর একটিই অর্থ। ভয় না পেয়ে সামনে এগিয়ে যাও। মেঘ কাটবেই। এই বিশ্বাসটা সবার আগে রাখো। কবির কথায় ‘মেঘ দেখে কেউ করিসনে ভয়, আড়ালে তার সূর্য হাসে’। মহাকাশ থেকে সূর্য যেমন হাসে, চওড়া হাসি আর এক সূর্যর মুখেও। যিনি ভারতীয় দলের অধিনায়ক। সূর্যকুমার যাদব। সেই সূর্যের মুখে হাসি এনে দিয়েছেন জশপ্রীত বুমরাহ। বার্বাডোজ থেকে মুম্বই, এই বুমরাহই যেন ভারতীয় ক্রিকেটের ‘চিরপ্রণম্য অগ্নি’।  

প্রায় পাঁচশো রানের একটা টি-টোয়েন্টি যুদ্ধে ডেথ ওভারে এসে স্রেফ ১৪ রান দিয়ে গেলেন তিনি। ১৬তম ওভারে ৮। ১৮তম ওভারে ৬। নিজের চতুর্থ ওভারে যখন বল করতে এলেন, ইংল্যান্ডের দরকার ১৮ বলে ৪৫। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এটুকু রান হয়েই যায়। কিন্তু কেন তিনি বিশ্বের সেরা পেসার, প্রমাণ করে দিলেন। ০, ১, ১, ২, ১, ১। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এমন স্পেল এক কথায় অবিশ্বাস্য। সঞ্জু স্যামসনের ৪২ বলে ৮৯ রান কিংবা অক্ষর প্যাটেলের দুর্ধর্ষ দুই ক্যাচের সঙ্গে তাই সমানভাবে বন্দিত বুমরাহর ‘বুমবুম’ স্পেল।

Advertisement

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে আড়াইশোর উপর রানও সুরক্ষিত নয়। যা দেখা গেল বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে। ওয়াংখেড়ের দর্শকঠাসা ‘ক্লাসরুমে’ অল্পের জন্য পাশমার্ক পেল না ইংল্যান্ড। স্কোর বোর্ড বলছে, হ্যারি ব্রুকদের ৭ রানে হারিয়ে ফাইনালে ভারত। কিন্তু স্কোর বোর্ড ‘বোকা’। যাঁরা খেলা দেখলেন না, তাঁরা বঞ্চিত হলেন জেকব বেথেল নামক ২২ বছরের যুবকের অতিমানবীয় সেঞ্চুরির লড়াই দেখা থেকে। তাঁর ভয় ধরানো ব্যাটিংয়ের সামনে পার পাননি কোনও ভারতীয় বোলার। পরিত্রাতা জশপ্রীত বুমরাহ ছাড়া।

১৮তম ওভারটায় বুমরাহকে (Jasprit Bumrah) সামলাতে গিয়ে রীতিমতো হিমশিম খেলেন ওয়াংখেড়ের বাইশ গজে তাণ্ডব তুলে দেওয়া বেথেল। যেখানে ১৫ করে দরকার ছিল, বুমরাহর ওভারের পর তা গিয়ে পৌঁছল সাড়ে উনিশে। সেই চাপেই তালগোল পাকাল ইংল্যান্ড। বুমরাহর দেওয়া সেই চাপ বজায় রেখে পরের ওভারে হার্দিক পাণ্ডিয়া ফেরালেন স্যাম কারেনকে। অন্তিম ওভারে স্ট্রাইক নিজের কাছে রাখতে গিয়ে রান আউট হয়ে ফিরলেন বেথেল। বুমরাহই যেন ভারতীয় ক্রিকেটের ‘চিরপ্রণম্য অগ্নি’। অমন আগুনে স্পেলের পর ম্যাচের শেষে জয়ের উচ্ছ্বাসে তাঁর দু’হাত মুষ্ঠিবদ্ধ। চোখ দু’টি স্থির। শিয়রে বিশ্বকাপ ফাইনাল। স্বপ্ন দেখার সেই সরণিতে আরও একবার হেঁটে বিশ্বজয় করতে চান। দু’টো বছর আগে, বার্বাডোজে ঠিক এইভাবেই দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে অতিমানব হয়ে উঠেছিলেন। রবিবার কি স্বপ্নের পুনরাবৃত্তি হবে?

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.