Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
টি-২০ বিশ্বকাপ ২০২৬
Rohit Sharma

বাদ পড়া সঞ্জুর পাশে ছিলেন রোহিত, বুঝিয়ে দিলেন খেলোয়াড়ের মন বোঝে খেলোয়াড়ই

সঞ্জুকে জড়িয়ে ধরে হিটম্যান বলেছিলেন, "দুঃখ পেও না। এটা লম্বা টুর্নামেন্ট। ঠিক সুযোগ পাবে।" কিন্তু কেন এমন বলেছিলেন প্রাক্তন অধিনায়ক, ফাইনালের আগে সেই ব্যাখ্যাও করেছেন তিনি। 

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৮, ২০২৬, ১৮:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৮, ২০২৬, ১৮:১৫

options
link
বাদ পড়া সঞ্জুর পাশে ছিলেন রোহিত, বুঝিয়ে দিলেন খেলোয়াড়ের মন বোঝে খেলোয়াড়ই zoom
ছবি সংগৃহীত।

বিশ্বকাপের আগে ফর্মে ছিলেন না। ওই সময়টায় নানান উত্থান-পতনের সাক্ষী ছিলেন। নিজের পছন্দের জায়গা হারিয়েছেন। দল থেকে বাদ পড়েছেন। আবার ফিরে এসেছেন। তাঁর ব্যাটে ভর করে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে টিম ইন্ডিয়া। অনেকেই হয়তো জানেন না, বিশ্বকাপে নামার আগে সঞ্জুকে পরামর্শ দিয়েছিলেন রোহিত (Rohit Sharma)। সেটাই তাঁর সাফল্যের চাবিকাঠি। সঞ্জুকে জড়িয়ে ধরে হিটম্যান বলেছিলেন, “দুঃখ পেও না। এটা লম্বা টুর্নামেন্ট। ঠিক সুযোগ পাবে।” কিন্তু কেন এমন বলেছিলেন প্রাক্তন অধিনায়ক, ফাইনালের আগে সেই ব্যাখ্যাও করেছেন তিনি। 

সম্প্রতি রোহিত ও সঞ্জুর কথোপকথনের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। ইডেন গার্ডেন্সে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ৫০ বলে ৯৭ রানের ঝোড়ো ইনিংসের পর সেই ভিডিও সামনে আসে। সেখানে দেখা যায়, ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক সঞ্জুর কাছে গিয়ে তাঁকে আশ্বস্ত করে বলছেন, দলে সুযোগ আসবেই। ঘটনাটি ৭ ফেব্রুয়ারি আমেরিকার বিরুদ্ধে ম্যাচে জাতীয় সঙ্গীতের ঠিক আগের মুহূর্তের। প্রথম ম্যাচে সুযোগ পাননি টিম ইন্ডিয়ার উইকেটরক্ষক-ব্যাটার। রোহিত জানান, নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি মানসিকভাবে শক্ত থাকতে বলেছিলেন। হিটম্যান নিজেও একই রকম পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিলেন। ২০১১ বিশ্বকাপ দলে সুযোগ পাননি। কেরিয়ারের শুরুর দিকে বারবার দল থেকে বাদ পড়ার অভিজ্ঞতাও রয়েছে তাঁর। সেই কারণেই সঞ্জুর মানসিক অবস্থা বুঝতে পেরেছিলেন।

Advertisement

রোহিতের কথায়, “আমি অনেক সময় খেলোয়াড়দের মানসিক অবস্থা বুঝতে পারি। নিজেও এমন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গিয়েছি। একটা সময় বড় টুর্নামেন্টে সুযোগ পাইনি। তখন সবার আগে গুরুত্বপূর্ণ হল ফোকাস ঠিক রাখা। সেই সময় হতাশ হলে চলবে না।” তিনি আরও বলেন, “বিশ্বকাপের শুরুতে সঞ্জুকে দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। তখন ওকে বলেছিলাম, এটা দীর্ঘ টুর্নামেন্ট। সুযোগ অবশ্যই আসবে, তাই প্রস্তুত থাকতে হবে।”

কাঙ্ক্ষিত সেই সুযোগ আসে সুপার এইট পর্বে জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে ম্যাচে। এরপর থেকেই ব্যাট হাতে দলের অন্যতম ভরসা হয়ে ওঠেন ৩১ বছর বয়সি ক্রিকেটার। সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৮৯ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলে ভারতকে ফাইনালে তুলতেও বড় ভূমিকা রাখেন তিনি। চার ম্যাচে ইতিমধ্যেই ২৩২ রান করেছেন সঞ্জু। গড় ৭৭.৩৩। স্ট্রাইক রেট ২০১.৭৩। সেই সঞ্জুর কপাল খুলেছিল রোহিতের পেপ-টকেই। এখন গোটা দলের লক্ষ্য ফাইনাল জয়। সেই ম্যাচেও ঝড়ের সাক্ষী হোক সঞ্জুর ব্যাট, চাইছে অসমুদ্রহিমাচল।

 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

A post shared by ICC (@icc)

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.