তিনি আপনভোলা, নিজের মর্জির মালিক। তা সে যতই পাকিস্তানের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক তলানিতে থাকুক। যতই ক্রিকেটাররা বোর্ডের অঘোষিত নির্দেশে পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের সঙ্গে প্রথামাফিক করমর্দন করতে অস্বীকার করুন, রোহিত শর্মা এসবের ধার ধারেন না। সে কারণেই হয়তো এত বিতর্কের মধ্যেও তাঁকে দিব্যি খোশমেজাজে গল্প করতে দেখা গেল পাক কিংবদন্তি ওয়াসিম আক্রমের সঙ্গে। অনেকক্ষণ কথা বললেন, করমর্দন করলেন, দিব্যি খোশগল্পেও মাতলেন আক্রম ও রোহিত।
এই বিষয়ে আরও খবর
আসলে চলতি টি-২০ বিশ্বকাপের ব্র্যান্ড আম্বাসাডর হিটম্যান। তাঁর হাত দিয়েই শেষ টি-২০ বিশ্বকাপ এসেছিল ভারতের ঝুলিতে। সেই ট্রফি রবিবার তিনিই নিজের হাতে মাঠে আনেন। সেই অনুষ্ঠানেই আক্রমের সঙ্গে দেখা তাঁর। সেখানেই বেশ কিছুক্ষণ কথা বলতে দেখা যায় দুই কিংবদন্তিকে। হাত মেলান, হাসাহাসি করেন। সেই ছবি নিয়ে বিতর্কেরও উদ্রেক হয়েছে। নেটদুনিয়ায় অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন, পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক যখন তলানিতে তখন রোহিতের এই খোশগল্পের কোনও দরকার ছিল কী? কেউ বলছেন, বিসিসিআই যেখানে ‘নো হ্যান্ডশেক’টাকে নিয়ম করে ফেলেছে, সেখানে রোহিত আক্রমের সঙ্গে করমর্দন না করলেই পারতেন।
আসলে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে আর অধিনায়কদের করমর্দন হবে না। এটাই যেন এখন ‘নিয়ম’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এশিয়া কাপে শুরু হয়েছিল করমর্দন না করার ‘প্রথা’। সেই টুর্নামেন্টে তিনটি ম্যাচ, মেয়েদের বিশ্বকাপ থেকে ছোটদের একাধিক টুর্নামেন্ট, এই ‘নিয়মই’ বহাল থেকেছে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে কলম্বোতে এই ম্যাচে যে নিয়ম বদলাবে, তার পূর্বাভাস ছিল না। টসের সময় দুই দেশের তারকা মাঠে আসতেই বোঝা যায়, বরফ একটুও গলেনি। বয়কট নাটকের পর যে ভারত-পাক ম্যাচের গুরুত্ব আরও বেড়েছে, সে কথা বলাই বাহুল্য। টসের সময়ও দেখা গেল দুই অধিনায়কই গুরুগম্ভীর, চোয়াল শক্ত। করমর্দন করেননি। এসবের মধ্যে রোহিত-আক্রমের খোশগল্প খানিক বেমানান। তাতে প্রশ্ন ওঠাটা স্বাভাবিক।

কিন্তু ভুলে গেলে চলবে না, রোহিত শর্মা এখানে ভারতীয় দলের প্রতিনিধি হিসাবে জাননি। তিনি গিয়েছেন ব্যক্তি হিসাবে, তার চেয়েও বড় কথা টি-২০ বিশ্বকাপের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর রোহিত। তিনি যদি পাকিস্তানের মতো প্রথম সারির দলের কিংবদন্তির সঙ্গে হেসে-খেলে কথা বলেন, তাতে অন্যায়ের কিছু নেই। তাছাড়া ওয়াসিম আক্রমন এমন একজন কিংবদন্তি, যিনি নিজগুণে সীমান্তের বেড়াজালের ঊর্ধ্বে উঠে নিজেকে সর্বকালের সেরা ক্রিকেটারদের অন্যতম হিসাবে প্রতিষ্ঠা করছেন। ফলে তাঁর সঙ্গে কথা বলাই দোষের কিছু আছে কী?
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
‘তুষ্টিকরণে চাপা পড়েছিল উন্নয়ন’, সনাতনীদের অনুষ্ঠানে বাংলার ইতিহাস স্মরণ শুভেন্দুর
-
মেয়রের ইস্তফার পরেই বিধাননগর পুরনিগমে বসল প্রশাসক, হাওড়া পুরসভাতেও নয়া কমিশনার
-
তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার তৃণমূল কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য, ‘চোর’ স্লোগান জনতার
-
ঝড়-বৃষ্টি, হড়পা বানে বিপর্যস্ত উত্তরের বিস্তীর্ণ এলাকা, সিকিমে ভূমিধসে মৃত ১, নিখোঁজ ৪
-
বঙ্গে সাংগঠনিক রদবদলের পথে বিজেপি, দিল্লিতে শমীক-বনসল দীর্ঘ বৈঠক



