টি-২০ বিশ্বকাপ বিতর্কে জড়িয়ে গেল ইডেনের নাম। বুধবার সেমিফাইনাল খেলতে নেমে বিতর্কিতভাবে আউট হলেন এডেন মার্করাম। তাঁর শটে ক্যাচ ধরার আগেই বল মাঠে পড়ে গিয়েছিল, এমনটাই মনে করছেন ক্রিকেটপ্রেমীদের একাংশ। আউটের ভিডিও ভাইরাল হতেই বেড়েছে বিতর্ক। যেহেতু টিভি আম্পায়ার ছিলেন ভারতীয় নীতীন মেনন, তাই ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিতও করছেন নেটিজেনদের একাংশ। তবে প্রাথমিক ধাক্কা সামলে সেমিতে লড়াকু স্কোর খাড়া করল দক্ষিণ আফ্রিকা। নেপথ্যে মার্কো জানসেনের ঝোড়ো হাফসেঞ্চুরি।
এই বিষয়ে আরও খবর
টসে জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেন কিউয়ি অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার। ক্যাপ্টেনের সিদ্ধান্ত সঠিক প্রমাণ করে দ্বিতীয় ওভারেই জোড়া উইকেট তুলে নেন ‘অখ্যাত’ কোল ম্যাককঞ্চি। মাত্র ১০ রান করে আউট হয়ে যান কুইন্টন ডি’কক। পরের বলেই আউট রায়ান রিকলটন। মাত্র ১২ রানে জোড়া উইকেট খোয়ানোর পর অধিনায়ক মার্করামের সঙ্গে পার্টনারশিপ গড়ার চেষ্টা শুরু করেন ডেওয়াল্ড ব্রেভিস। ৪৩ রান ওঠে তাঁদের জুটিতে।
অষ্টম ওভারে বল করতে আসেন রাচীন রবীন্দ্র। চতুর্থ বলে বড় শট মারেন মার্করাম। বাউন্ডারি লাইন থেকে বেশ কিছুটা দৌড়ে এসে বল তালুবন্দি করেন ড্যারিল মিচেল। কিন্তু তিনি নিজেই নিশ্চিত ছিলেন না, ক্যাচটা সঠিকভাবে ধরা হয়েছে কিনা। তৃতীয় আম্পায়ারের দিকে ইশারা করেন কিউয়ি ফিল্ডার। বেশ কিছুক্ষণ ধরে ফুটেজ খতিয়ে দেখেন তৃতীয় আম্পায়ার নীতীন মেনন। তারপরে আউট দেন মার্করামকে। কিন্তু ভাইরাল হওয়া ভিডিও দেখে নেটিজেনদের অনেকেই দাবি করেন, বল আগেই মাটি ছুঁয়েছিল। সেকারণেই মিচেল নিজেও ক্যাচ নিয়ে নিশ্চিত ছিলেন না। ভারতীয় আম্পায়ার নীতীন মেননকেও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি নেটিজেনরা।
মাত্র ৭৭ রানে পাঁচ উইকেট খুইয়ে ধুঁকছিল প্রোটিয়া ইনিংস। সেখানে অক্সিজেন যোগালেন জানসেন। ছয় নম্বরে নেমে মাত্র ৩০ বলে তিনি করলেন ৫৫ রান। অন্যান্য ব্যাটারদের থেকে সহযোগিতা বলতে ব্রেভিসের ৩৪ এবং ট্রিস্টান স্টাবসের ২৯। নির্ধারিত কুড়ি ওভার শেষে ১৬৯ রান তুলে অন্তত মানরক্ষা করল দক্ষিণ আফ্রিকা। শিশিরে ভেজা ইডেনে এই রান আদৌ আটকাতে পারবেন প্রোটিয়া বোলাররা?
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
সোশাল মিডিয়ায় আলাপ, ভিনরাজ্যে ‘ধর্ষণে’র শিকার বঙ্গকন্যা, প্রভাব খাটিয়ে জেলমুক্ত যুবক!
-
কঠিন সময়ে অলকাকে বিশেষ বার্তা শানু ও শানের, কী বললেন তাঁরা?
-
ভারতে ঢুকেছিল তিনটি পাকিস্তানি বিমান, এয়ার ইন্ডিয়া বিপত্তির এক সপ্তাহ আগে
-
সারান্ডায় তাড়া খেয়ে বাংলামুখী, ১৪ বছর পর ‘ঘরে’ই আশ্রয় নাকি আত্মসমর্পণ মাওবাদী আকাশের?
-
তারাতলার গুদাম নির্মাণে ‘কুখ্যাত’ আসগর, বিপর্যয়ের বহু আগেই বন্দর কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছিল বাম কর্মী ইউনিয়ন



