বাছাই পর্বে ইটালির মতো অখ্যাত দলের কাছে হারতে হয়েছে। এমনকী জার্সি নামের নামগোত্রহীন দলও পয়েন্ট টেবিলে তাদের উপরে ছিল। অথচ ভাগ্যের ফেরে আচমকা বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ পেয়েছে স্কটল্যান্ড। পড়ে পাওয়া চোদ্দ আনার মতো সেই সুযোগ লুফে নিতে চায় স্কটিশরা। কিন্তু সমস্যা অন্য জায়গায়। বাছাই পর্বে সুযোগ না পাওয়ায় বিশ্বকাপের প্রস্তুতি পুরোপুরি বন্ধ করে দেয় স্কটল্যান্ড। এখন আচমকা সুযোগ চলে আসায় রীতিমতো খাবি খাচ্ছেন স্কটিশ ক্রিকেট কর্তারা।
আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হচ্ছে বিশ্বকাপ। ঠিক দু’সপ্তাহ আগে স্কটল্যান্ডকে সরকারিভাবে বিশ্বকাপে খেলার আমন্ত্রণ জানায় আইসিসি। ভারতে উড়ে আসার আগে হাতে মাত্র দিন সাতেক সময় পায় স্কটল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড। এই সাতদিনে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ করতে হচ্ছে স্কটিশ বোর্ডের কর্তাদের। মূল সমস্যা স্পনসরের। স্কটল্যান্ডে ক্রিকেট যে তুমুল জনপ্রিয়, তেমন নয়। আবার স্কটল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডে আধিকারিক সংখ্যাও হাতে গোণা। মোটে জনা তিরিশেক লোক একটি বোর্ড চালান। একসঙ্গে একাধিক দল বিদেশ সফরে গেলে বেশ চাপে পড়ে যায় স্কটিশ বোর্ড। এই মুহূর্তে স্কটল্যান্ডের অনূর্ধ্ব-১৯ দল বিশ্বকাপে। মহিলা দল নেপালে বিশ্বকাপের যোগ্যতাঅর্জন পর্বে খেলছে। এর মধ্যে আচমকা বিশ্বকাপে সুযোগ।
আরও পড়ুন:
এখন সমস্যা হল, পুরুষ দলের জন্য ভালোমানের স্পনসর জোগাড় করতে হবে। যে কাজটা এই সামান্য সময়ে বেশ কঠিন। না আছে স্পনসর, না আছে বিশ্বকাপের জার্সি। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে কতটা সম্ভব হবে, বুঝতে পারছেন না স্কটিশ কর্তারা। স্কটল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের চিফ এক্সিকিউটিভ ট্রুডি লিন্ডব্লেড বলছেন, “এত কম সময়ের মধ্যে বিশ্বকাপের জার্সি হাতে পেলে, সেটা বাড়তি পাওনা হবে। না হলে স্কটল্যান্ড সারা বছর যে জার্সি পরে খেলে সেটা পরেই নামবে। স্পনসর পাওয়া যাবে কিনা জানি না। হাতে দিন সাতেক সময় রয়েছে। দেখা যাক কতদূর কী হয়।” যা পরিস্থিতি তাতে দিন সাতের মধ্যে সবটা গুছিয়ে অন্য দেশগুলির মতো প্রস্তুত হয়ে সম্ভবত আসতে পারবে না স্কটিশরা।
তবে বিশ্বকাপে তারা চমকে দেওয়ার আশায় রয়েছে। ইউরোপের ক্রিকেট সার্কিটে স্কটল্যান্ড বেশ সমীহ আদায় করেছে। এই দেশটি আইসিসির অ্যাসোসিয়েট সদস্য। শেষ তিন টি-২০ বিশ্বকাপে বেশ ভালো পাফরম্যান্স রয়েছে তাদের। ২০২৪ বিশ্বকাপে তারা হারায় ইংল্যান্ডকে। সেবার গ্রুপে তৃতীয় হয়েছিল স্কটল্যান্ড। অল্পের জন্য তারা যেতে পারেনি পরের রাউন্ডে। ২০২২ সালে স্কটল্যান্ড হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের মতো প্রতিষ্ঠিত দলকেও। সেবারও তারা অল্পের জন্য সুপার-১২ যেতে পারেনি। আর ২০২১ সালে সুপার-১২ রাউন্ডে উঠেছিল। তাছাড়া ক্রিকেট কর্তারা সেভাবে প্রস্তুত না থাকলেও দল অনুশীলনের মধ্যে রয়েছে। গত কয়েক সপ্তাহ লাগাতার অনুশীলন
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
এবার বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়ির সামনে ‘পর্ক উৎসব’ হিন্দুত্ববাদীদের! কী বলছেন বামনেতা?
-
যুদ্ধের প্রস্তুতি, দেশের ২৪৪ জেলায় বসছে বিমান হানার বিপদ সংকেত কেন্দ্র
-
কাশ্মীরে জঙ্গিদমন অভিযান চলাকালীন বিপত্তি! পাহাড় থেকে পড়ে মৃত্যু সেনা আধিকারিকের
-
অতিমারী রুখতে কার্যকরী! এআই ব্যবহার করে তৈরি সর্বগুণসম্পন্ন টিকা
-
‘সিএবি কোষাধ্যক্ষ ইচ্ছেমতো আইন বদলে ফেলতে পারেন না’, ফের বিস্ফোরক অভিষেক