ভারত: ৪৯ ওভারে ৩৪০/৩ (প্রতিকা ১২২, স্মৃতি ১০৯, জেমাইমা ৭৬ অপরাজিত)
নিউজিল্যান্ড: ৪৪ ওভারে ২৭১/৮ (ব্রুক হ্যালিডে ৮১, রেণুকা ২৫/২)
ভারত ৫৩ রানে জয়ী ডিএলএস পদ্ধতিতে।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মরণবাঁচন ম্যাচে জ্বলে উঠল ভারতের ব্যাটিং লাইন আপ। যোগ্য সঙ্গত দিলেন বোলাররাও। আর তার ফলে সহজে নিউজিল্যান্ডকে উড়িয়ে দিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে ফেলল উইমেন ইন ব্লু।
এদিন টস জিতে প্রথমে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠায় নিউজিল্যান্ড। পরপর তিন ম্যাচে হারের পর এই ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোটা ভারতের পক্ষে খুবই প্রয়োজন ছিল। তাই ব্যাটিং শক্তিশালী করতে আমনজ্যোত কৌরের জায়গায় জেমাইমা রডরিগেজকে ফেরানো হয়। সেই ম্যাচে শুরু থেকেই ঝড় তোলেন ওপেনিং জুটি স্মৃতি-প্রতিকা। তবে দু’জনের মধ্যে স্মৃতি অনেক বেশি আগ্রাসী ছিলেন। তুলনায় প্রতিকার রানের গতি খানিক কম ছিল। শেষ পর্যন্ত ১০৯ রান করেন স্মৃতি মান্ধানা। প্রতিকা রাওয়ালের সংগ্রহ ১২২। এদিনের শতরানে মহিলাদের ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরির তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছেন স্মৃতি। অন্যদিকে বিশ্বকাপের মঞ্চে প্রথম এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দ্বিতীয় সেঞ্চুরি করলেন প্রতিকা। জেমাইমা রডরিগেজ করে যান ৫৫ বলে অপরাজিত ৭৬। শেষপর্যন্ত ভারত তোলে ৩ উইকেটে ৩৪০। বৃষ্টির কারণে পুরো ইনিংস খেলতে পারেনি ভারত। ৪৯ ওভারে শেষ হয় ইনিংস। সেই অর্থে কোনও কিউই বোলারই আজ সুবিধা করতে পারেননি ভারতীয় ব্যাটারদের সামনে।
বৃষ্টির কারণে ওভারসংখ্যা এবং টার্গেট দুটোই কমে যায় নিউজিল্যান্ডের। ডাকওয়ার্থ-সুইস পদ্ধতির কারণে অবশ্য বেড়ে যায় আস্কিং রেট। ৪৯ ওভারে ৩৪১ নয়, ৪৪ ওভারে ৩২৫ রানের লক্ষ্যমাত্রা তাদের সামনে রাখা হয়। আর তারপরই শুরুতে সুজি বেটসকে (১) ফেরান ক্রান্তি গৌর। তুলে মারতে গিয়ে কভার পয়েন্টে ক্যাচ দিয়ে আউট হন তিনি। পঞ্চাশের ঘরে কিউইরা আরও দুই উইকেট খোয়ায়। জর্জিয়া প্লিমার (৩০) ও সোফি ডেভিন (৬) দু’জনকেই ফেরান রেনুকা সিং। স্কোর দাঁড়ায় ৫৯/৩। ততক্ষণে নিউজিল্যান্ডের ইনিংসের বয়স ১১.৩ ওভার। বোঝা গিয়েছিল, লড়াইটা এবার আরও বেশি কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই হল। যত সময় গেল, উইকেট পড়ছিল নিয়মিত। রান উঠছিল। কিন্তু যত দ্রুত ওঠার কথা ছিল, উঠছিল না। আর তাতেই ক্রমশ নিশ্চিত হয়ে যাচ্ছিল ম্যাচের ভাগ্য। ব্রুক হ্যালিডে (৮১), অ্যামেলিয়া হ্যালিডে (৪৫) লড়াই করলেও তা মোটেই স্মৃতিদের হারানোর পক্ষে যথেষ্ট ছিল না। ইসাবেলা গেজ অপরাজিত থেকে যান ৬৫ রানে।
৪৫ ওভারেরও কম সময়ে সাড়ে তিনশোর কাছাকাছি রান তুলতে হলে স্কোরিং গিয়ারকে আরও দ্রুতগামী করার দরকার ছিল। হয়তো পরিকল্পনা ছিল, ম্যাচটা ছোট করে এনে রানের গতি বাড়ানোর। কিন্তু তা হয়নি। খেলাশেষের বেশ অনেকটা সময় আগেই পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল খেলা শেষই হয়ে গিয়েছে। শেষ দু’ওভারে দরকার ছিল ৬৪। আস্কিং রেট ৩২। শেষপর্যন্ত নিউজিল্যান্ড ম্যাচটা হারল ৫৩ রানে। ভারতও সেমির দরজা খুলে ফেলল। আগামী রবিবার স্মৃতিদের শেষ ম্যাচ বাংলাদেশের সঙ্গে। নকআউটের আগে ওই ম্যাচ এখন স্রেফ নিয়মরক্ষার।
সর্বশেষ খবর
-
বিশ্বকাপে অঘটনের শুরু! কেপ ভার্দের ‘বুড়ো’ গোলকিপারের হাতে আটকে গেল স্পেন, ব্যর্থ বদলি ইয়ামালও
-
স্কুলের শ্রেণিকক্ষ, অফিসের বাইরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে মহিলাদের অন্তর্বাস!
-
বিশ্বকাপের এক ম্যাচ পরই ছাঁটাই, লজ্জার নজির গড়ে কপাল পুড়ল কোন দেশের কোচের?
-
১১ ঘণ্টা ম্যারাথন জেরা, ইডি দপ্তর থেকে বেরিয়ে কী বললেন অভিষেক?
-
এআই পৃথিবীতে সেকেলে শিক্ষানীতি বদলে ফেলছে চিন, কোথায় দাঁড়িয়ে ভারত?