Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

দীর্ঘ ১২ ঘণ্টা বিমানবন্দরে আটকে রাখা হল ভারতীয় শুটারদের

ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন অলিম্পিকে সোনা জয়ী শুটার অভিনব বিন্দ্রা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৯, ২০১৭, ১৫:২৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৯, ২০১৭, ১৫:২৬

options
link
দীর্ঘ ১২ ঘণ্টা বিমানবন্দরে আটকে রাখা হল ভারতীয় শুটারদের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী বিমানবন্দরে চরম হেনস্তার শিকার হলেন জাতীয় শুটাররা। দীর্ঘ ১২ ঘণ্টার জন্য তাঁদের বিমানবন্দরে আটকে রাখা হল অলিম্পিয়ান শুটার গুরপ্রীত সিং ও কিনান চেনাই-সহ ১০ জনকে। অপরাধ? নাহ, তাঁদের কেউই কোনও অপরাধ করেননি। তাঁদের সঙ্গে থাকা বন্দুকগুলি ছাড়পত্র না পাওয়ার কারণে কাস্টম বিভাগের কর্মীরা বিমানবন্দর থেকে ছাড়লেন না শুটারদের।

[রবিনের জোড়া গোলে চলতি ফেড কাপে প্রথম জয় ইস্টবেঙ্গলের]

মঙ্গলবার প্লজেন শুটিং গ্রাঁ প্রি টুর্নামেন্ট থেকে ফেরার সময়ই ঘটে এমন ঘটনা। শুটারদের বন্দুকগুলিকে ছাড়পত্র দিতে রাজি হয় না কাস্টমস বিভাগ। ফলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা গুরপ্রীতদের অপেক্ষা করতে হয় বিমানবন্দরে। হেনস্তার শিকার হওয়া এক অ্যাথলিট জানান, “২০ ঘণ্টার বিমান যাত্রার পর ভোর চারটে নাগাদ বিমানবন্দরে পৌঁছেছি আমরা। কাস্টমস বিভাগ আমাদের বন্দুকগুলি নেওয়ার ছাড়পত্র দিচ্ছিল না। বলা হয়, কাস্টমস কমিশনার আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। তাঁর আসার কথা ছিল সকাল ১০টায়। কিন্তু তিনি আসেননি। ওই বিভাগ থেকে আর কিছু জানানোও হচ্ছিল না। আমাদের কেন আটক করে রাখা হয়েছে বুঝতে পারলাম না। বিশ্বের বিভিন্ন শহরে ঘুরতে হয় আমাদের। এমনটা হয়নি।” দীর্ঘ অপেক্ষার কারণে অ্যাথলিটদের খিদেও পেয়ে গিয়েছিল। কর্মীদের সে কথা বলতে তাঁদের বলা হয়, “না খেলে মারা যাবেন না।”

Advertisement

[মেসি কিন্তু মেসি নন! তাহলে কে ইনি?]

ঘটনার কথা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে নিজের ক্ষোভ উগরে দেন অলিম্পিকে সোনা জয়ী শুটার অভিনব বিন্দ্রা। টুইটারে তিনি লেখেন, “শুটারদের এমন হেনস্তার কথা শুনে অত্যন্ত খারাপ লাগল। তাঁরা দেশের প্রতিনিধি। তাহলে কীভাবে কাস্টমস বিভাগের কর্মীরা তাঁদের সঙ্গে এমন অভভ্য আচরণ করতে পারেন। ক্রিকেট দলের সঙ্গে কি কোনওদিন এমনটা করা হত? কয়েকজন শুটার জানালেন, ফেডারেশনের তরফেও সাহায্য পাচ্ছিলেন না তাঁরা। যা সত্যিই লজ্জাজনক। এমনকী শুটগান দলের ম্যানেজারও অ্যাথলিটদের ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন।” গোটা ঘটনায় তীব্র সমালোচনার ঝড় উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.