Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬

খালিদ নয়, ইস্টবেঙ্গলের দায়িত্বে সুভাষ ভৌমিকই

পদ্মাপারের ক্লাবে খালিদ জমানা এখন অতীত।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৪, ২০১৮, ১৮:১০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৪, ২০১৮, ১৮:১০

options
link
খালিদ নয়, ইস্টবেঙ্গলের দায়িত্বে সুভাষ ভৌমিকই zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: খালিদ জামিল না সুভাষ ভৌমিক? নতুন মরশুমে দলের দায়িত্ব কার হাতে যাচ্ছে? এ প্রশ্ন ছিল ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের। মঙ্গলবার দুপুরেই অবশ্য উত্তর অনেকটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল। পাল্লা ভারী ছিল সুভাষের পক্ষেই। প্রত্যাশামতোই দলের দায়িত্ব থাকল ময়দানের এই বর্ষীয়ান কোচের কাঁধেই।

[  নয়া দল ঘোষণা করে রাজনীতির ময়দানে লড়াই শুরু বাইচুংয়ের ]

Advertisement

আই লিগ জয়ের স্বপ্ন সফল করতেই খালিদ জামিলকে কোচ করে এনেছিল পদ্মাপারের ক্লাবটি। আইজলের মত ছোট দলকেও আই লিগে চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন খালিদ। কিন্তু আইজল ও ইস্টবেঙ্গলের মধ্যে আকাশ-পাতাল ফারাক। বড় ক্লাবে সমর্থকদের প্রত্যাশার চাপ পাহাড়প্রমাণ। তা সামলাতেই হিমশিম খেতে হল খালিদকে।  ফলত আই লিগ চ্যাম্পিয়ন হওয়া তো দূরের কথা, খালিদের কুসংস্কারের কিসসাই আলোচনার শীর্ষে চলে আসে। এরপর দলের টেকনিক্যাল ডিরেক্টর করে আনা হয় সুভাষ ভৌমিককে। কিন্তু খুব স্বাভাবিকভাবেই তাঁর সঙ্গে খালিদের দ্বন্দ্ব বেধে যায়। একটা পর্যায়ে খালিদ-সুভাষ দ্বন্দ্বে রীতিমতো দিশেহারা ছিলেন ফুটবলাররা। শেষমেশ দলের দায়িত্ব ক্রমশ নিজের দিকেই টেনে নেন সুভাষ। ব্রাত্য হয়ে যান খালিদ। দেওয়াল লিখন স্পষ্ট ছিল। পরবর্তীকালে তাঁর হাতে যে দল চালনার ভার কর্তারা ছাড়বেন না, তা তিনি নিজেও বোধহয় খুব ভাল জানতেন। বাস্তবেও হল তাই। সুভাষ ভৌমিকের হাতেই দলের দায়িত্ব দেওয়া হল। তবে পাশে শিখণ্ডী হিসেবে একজন এ লাইসেন্সধারী কোচ হয়তো থাকবেন। কিন্তু দল পরিচালনায় সুভাষের সিদ্ধান্তই যে চূড়ান্ত হবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

[  আইপিএলে স্লো ওভার রেটের শাস্তি, কোহলির জরিমানা ১২ লক্ষ টাকা ]

মঙ্গলবার দুপুরের গেট টুগেদারেই একপ্রকার আভাস দিয়ে রেখেছিলেন কর্তারা। দলের দায়িত্ব যে এককভাবে সুভাষের হাতেই তুলে দেওয়া হবে সে ঘোষণা ছিল স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে সেই ঘোষণা করে দেওয়া হল। খালিদ জমানা এক অতীত। দ্বন্দ্বের ইতিহাসও সময়ের খাতায় চাপা। আপাতত কলকাতা লিগ ও আই লিগকে পাখির চোখ করেই এগোতে চান লাল-হলুদ কর্তারা।

 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.