Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
FIFA Football World Cup 2018

অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসেই ডুবল ব্রিটিশরা, ইংল্যান্ডকে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম

বেলজিয়ান কাচের মতোই বৈচিত্রময় ফুটবল রেড ডেভিলসদের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১, ২০১৯, ১৪:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১, ২০১৯, ১৪:০৯

options
link
অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসেই ডুবল ব্রিটিশরা, ইংল্যান্ডকে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম zoom

ইংল্যান্ড- ০

বেলজিয়াম- ১ (ইয়ানুজাজ)

Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কেন তাদের রেড ডেভিলস বলা হয় তা হাড়ে হাড়ে টের পাইয়ে দিল বেলজিয়াম। বেলজিয়ান কাচের মতোই বৈচিত্রময় ফুটবল। আর সেই বৈচিত্রেই খেই হারিয়ে ফেলল দ্য থ্রি লায়নস- ইংল্যান্ড। জেতা টিমে একগাদা পরিবর্তন আনতে গিয়েই ডুবল গ্যারেথ সাউথগেটের ইংল্যান্ড। ব্রিটিশদের ১-০ গোলে হারিয়ে গ্রুপ জি চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ ষোলোয় পদার্পণ করল বেলজিয়ানরা। সৌজন্যে আদনান ইয়ানুজাজের বিশ্বমানের গোল। সেই গোলের সুবাদে গ্রুপ পর্বে দাপটের সঙ্গে খেলা ইংরেজদের মাটি ধরিয়ে নক-আউটে কঠিন লড়াইয়ের বার্তা দিয়ে রাখল রবের্তো মার্টিনেজের দল। প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে কলম্বিয়ার মুখোমুখি হবে তারা। গ্রুপে দ্বিতীয় হয়ে জাপানের সঙ্গে ম্যাচ পড়ল হ্যারি কেনদের।

[পোল্যান্ডের কাছে হেরেও নক-আউটে জাপান, রাশিয়ায় নতুন সূর্যোদয় এশীয় ফুটবলের]

রাশিয়া বিশ্বকাপের কালো ঘোড়া বলা হচ্ছিল দুই দলকে। আগের দুটি ম্যাচে সহজ প্রতিপক্ষদের রীতিমতো উড়িয়ে দিয়ে গ্রুপের শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হয় ইংল্যান্ড আর বেলজিয়াম। হাড্ডাহাড্ডি ম্যাচেরই আগমনী ছিল। রূদ্ধশ্বাস খেলা দেখার জন্য মুখিয়ে ছিল ফুটবল বিশ্ব। দুই দল আগেই পরের রাউন্ডে চলে যাওয়ায় ফুটবলপ্রেমীরা বেশ উদ্গ্রীব ছিলেন এই ম্যাচের জন্য। বেলজিয়াম কোচ মার্টিনেজ আক্রমণভাগের ত্রিফলা- হ্যাজার্ড, লুকাকু ও মার্টেন্সকে বিশ্রাম দিয়েছিলেন এই ম্যাচে। প্রথম একাদশে রাখেননি ডিফেন্সের স্তম্ভ কোম্পানিকেও। রিজার্ভ বেঞ্চের শক্তি ঝালিয়ে নেওয়ার জন্যই এমন সিদ্ধান্ত তা বোঝাই যাচ্ছে। একই পথে হাঁটেন ইংল্যান্ড ম্যানেজার সাউথগেটও। বিশ্রাম দেন এখনও পর্যন্ত গোল্ডেন বুটের প্রধান দাবিদার হ্যারি কেনকে। তার বদলে প্রথম একাদশে রাখেন জেমস ভার্দিকে। বিশ্রাম দেন লিনগার্ড, স্টারলিংয়ের মতো নির্ভরযোগ্য ফুটবলারদের। ক্লাব ফুটবলে লেস্টার সিটিতে খেলা ভার্দি সোনালি ফর্মের ধারেকাছে নেই। তাও তাঁকে খেলিয়ে দেখতে চেয়েছিলেন। সঙ্গে রাখেন ব়্যাশফোর্ডকে। কিন্তু এদিন দুজনেই ব্যর্থ। ব়্যাশফোর্ড তো এমন সুযোগ মিস করলেন যা ক্ষমার অযোগ্য। দুই দলই প্রথমার্ধে গোল করতে পারেনি।

[মেসির গোলে ফেরার পিছনে রয়েছে বাঁ পায়ে বাঁধা ‘রিবন’-এর মাহাত্ম্য!]

দ্বিতীয়ার্ধে আসে বেলজিয়ান ফরোয়ার্ড আদনান ইয়ানুজাজের পা থেকে বিশ্বমানের গোল। বক্সের ভিতরে জটলার মধ্যে বাঁ পায়ের কার্ভিং শটে যে গোল করলেন তার জন্য কোনও প্রশংসাই যথেষ্ট নয়। এই একটি শট, একটি গোলই ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দেয়। একাধিক সুযোগ নষ্টের খেসারত দিতে হয় ব্রিটিশদের। শেষ ষোলোয় উঠলেও এই পরাজয় অনেক শিক্ষা দিয়ে গেল তাদের। ইংরেজদের অশ্বমেধের ঘোড়া থামাল বিশ্বকাপের আরেক কালো ঘোড়া বেলজিয়াম।

[মাঠের যুদ্ধ পিছনে ফেলে ঠোঁটে ঠোঁট রেখে ব্যারিকেড]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.