Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬

পেনাল্টি মিস রোনাল্ডোর, ইরানের সঙ্গে ড্র করে নক-আউটে পর্তুগাল

রোনাল্ডোর ব্যর্থতার দিনে নজর কাড়ল কারেসমার বিশ্বমানের গোল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৬, ২০১৮, ০২:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৬, ২০১৮, ০২:০২

options
link
পেনাল্টি মিস রোনাল্ডোর, ইরানের সঙ্গে ড্র করে নক-আউটে পর্তুগাল zoom
Advertisement

ইরান- ১ (আনসারিফার্দ)

পর্তুগাল- ১ (কারেসমা)

Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আনসারিফার্দ পারলেন কিন্তু রোনাল্ডো পারলেন না। নক-আউটে যেতে গেলে পর্তুগালকে শুধু ড্র করলেই চলত। জিততেই হত ইরানকে। কিন্তু পারল না ইরান। ১-১ স্কোরে ম্যাচ ড্র করে নক-আউটে চলে গেল পর্তুগাল। বুড়ো হাড়ে ভেলকি দেখানো রিকার্ডো কারেসমার বিশ্বমানের গোলের চেয়েও গোটা দুনিয়ায় ফের আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠলেন রোনাল্ডো। পেনাল্টি মিস করে চলতি বিশ্বকাপে লিওনেল মেসির পাশে নাম লেখালেন সিআর সেভেন। আবার হলুদ কার্ডও দেখলেন তিনি। রিয়াল মাদ্রিদ তারকা গোটা ম্যাচেই এদিন নিষ্প্রভ ছিলেন। কিন্তু পেনাল্টি মিস? মাথায় হাত রোনাল্ডো ভক্তদের। নিজের চোখকেই বিশ্বাস করতে পারছিলেন না অগুনতি দর্শক। কিন্তু ভাগ্যের মার কাউকে ছাড়ে না। পর্তুগাল শেষ ষোলোয় উঠল বটে কিন্তু পেনাল্টি মিস করার জন্য সমালোচনার মুখে মহাতারকা।

এদিন প্রথমার্ধে থেকেই ম্যাচের আধিপত্য ছিল পর্তুগিজদের দখলে। মাঝমাঠে দখল বেশি ছিল তাদের। কিন্তু মাঝেমধ্যে আক্রমণে উঠে পর্তুগিজ ডিফেন্সকে ভাঙার চেষ্টা করছিলেন কার্লোস কুইরোজের ছেলেরা। কিন্তু মাঝমাঠে আধিপত্য থেকেই আসে পর্তুগালের গোল। ৩৫ বছরের রিকার্ডো কারেসমার পা থেকে এল বিশ্বমানের গোল। বাঁধ ভাঙল ইরানের ইটালিয়ান স্টাইল ডিফেন্সের। বয়স হলেও ফুরিয়ে যাননি বুঝিয়ে দেন কারেসমা। অন্যদিকে, আজ রোনাল্ডোর দিন ছিল না। দ্বিতীয়ার্ধে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বক্সের মধ্যে ফাউল করা হয় তাঁকে। ভিএআর নিয়ে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত নেন রেফারি। বিশ্বকাপে নিজের পাঁচ নম্বর গোলটা করেই ফেলতেন। কিন্তু হার মানলেন ইরানের গোলকিপারের কাছে। সিআর সেভেনের পেনাল্টি বাঁচিয়ে দেশবাসীর কাছে হিরো হয়ে গেলেন গোলকিপার। আর মেসির পাশে নাম লেখালেন রোনাল্ডো। চিরদিন কাহারও সমান নাহি যায়… আজ হয়তো সিআর সেভেনের দিন ছিল না। ভাগ্যদেবী সহায় না হওয়ায় কপাল পুড়ল তাঁর।

পেনাল্টি মিসই নয়। ইচ্ছাকৃত ঘুসি মারার দায়ে হলুদ কার্ডও দেখলেন তিনি। এক্ষেত্রেও ভিএআর প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে কার্ড দেখান রেফারি। এরপর ম্যাচ যখন ইনজুরি টাইমে তখনই বক্সের মধ্যে হ্যান্ডবল করার জন্য পর্তুগালের বিরুদ্ধে ইরানকে পেনাল্টি দেন রেফারি। তৃতীয়বার রেফারি ভিএআর প্রযুক্তির সাহায্য নেন। এক ম্যাচে তিনবার। যা নিয়ে ইতিমধ্যে ফুটবল দুনিয়ায় শোরগোল। পেনাল্টি থেকে গোল করতে ভুল করেননি ইরানের পরিবর্ত হিসাবে নামা ফুটবলার আনসারিফার্দ। রোনাল্ডো তখন কপাল চাপড়াচ্ছেন। ভাবছেন, কী যে হল আজ! ওই যে, চিরদিন কাহারও…।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.