Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

কলম্বিয়ার বিরুদ্ধে দুর্দান্ত লড়াই করেও হার ভারতীয় খুদেদের

বিশ্বকাপ থেকে কার্যত বিদায় নিল মাতোসের দল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১০, ২০১৭, ০৪:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১০, ২০১৭, ০৪:৪৮

options
link
কলম্বিয়ার বিরুদ্ধে দুর্দান্ত লড়াই করেও হার ভারতীয় খুদেদের zoom

ভারত- ১ (জিকসন)   কলম্বিয়া- ২ (পেনালোজা) 

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কলম্বিয়ার জালে বল জড়াতেই গর্জে উঠেছিল দিল্লির জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়াম। ফুটবল বিশ্বকাপে ভারতের ইতিহাসে প্রথম গোলটি করে আশার আলো জ্বালিয়েছিল জিকসন। কিন্তু পরমুহূর্তেই স্বপ্নভঙ্গ হল।

Advertisement

বহু কাঠ খড় পুড়িয়ে সেই ২০১৩ সালে মিলেছিল অনুমতি। তারপর দীর্ঘ চার বছর ধরে চলেছে প্রস্তুতি। ঢেলে সাজানো হয়েছে দেশের ছটি স্টেডিয়ামকে। শেষমেশ স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়েছে। প্রথমবার দেশে মাটিতে আয়োজিত হচ্ছে যুব বিশ্বকাপ ফুটবলের আসর। আর সেই বিশ্বকাপে সব উৎসাহ টিকে ছিল একটা জায়গাতেই। ভারতীয় জুনিয়র দল। কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী, একটি মন্ত্রই জপছিল গোটা দেশ। ‘ব্লিড ব্লু।’ কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচেই যাবতীয় আশা আকাঙ্খা শেষ হল। কলম্বিয়ার কাছে পরাস্ত হয়ে বিশ্বকাপ থেকে কার্যত বিদায় নিল মাতোসের দল।

[স্ত্রীর ছবি পোস্ট করে নেটিজেনদের রোষের মুখে হরভজন]

এক নয়, কলম্বিয়ার বিরুদ্ধে ভারতীয় দলের নামের পাশে লেখা থাকতে পারত অন্তত চারটি গোল। কিন্তু তেমনটা হল না। দুটো ওয়ান ইস্টু ওয়ান পজিশন থেকে গোল হাতছাড়া। প্রথমার্ধে রাহুলের একটা শট আবার বারে লেগে ফেরে। একটা গোল বাতিল হয় অফসাইডের জন্য। কিন্তু বিশ্বকাপে আনকোরা ভারতীয় দলের কাছে কলম্বিয়াকে জিততে যেভাবে বেগ পেতে হল, তাতে অভিজিৎ, রাহুলদের প্রশংসা প্রাপ্য। সেই তালিকায় যে শীর্ষে থাকবে, তার নাম ধীরাজ সিং। তার হাতই যেন টিম ইন্ডিয়ার ত্রাতা হয়ে উঠল এদিন। অসাধারণ কিছু সেভ করে দাদাদেরও নিঃশব্দে অনেক স্কিল শিখিয়ে দিল সে।

গত ম্যাচে অত্যধিক ডিফেন্সিভ খেলার কারণে আমেরিকার কাছে তিন গোল হজম করতে হয়েছিল। এদিন তাই ছেলেদের খেলার ধরনই বদলে দিয়েছিলেন কোচ মাতোস। দলে চারটি পরিবর্তনও এনেছিলেন। শুরু থেকে তাই আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে খেলতে দেখা গেল রাহুল, রহিমদের। কলম্বিয়াকে গতিতেই মাত দিতে চেয়েছিলেন মাতোস। সচল উইং, গতিময় মাঝমাঠ, প্রতিপক্ষের ডেরায় বারবার হানা দিয়ে খুদেরা বুঝিয়ে দিচ্ছিল, কোচের প্রতিটি নির্দেশ মন দিয়ে পালন করছে তারা। আর ঠিক ততটাই কঠিন হয়ে উঠছিল কলম্বিয়ার জয়। শেষ মুহূর্তে প্রতি আক্রমণ থেকে পেনালোজার গোল রুখে দেওয়া গেলে ফল অন্যরকম হতেই পারত। কিন্তু ভারতীয় ডিফেন্সের ভুলের সুযোগ হাতছাড়া করেনি কলম্বিয়ান ফুটবলারটি। জোড়া গোল করে মূল্যবান তিনটি পয়েন্ট দলকে উপহার দিল সে।

[ম্যাচের মধ্যেই পাক ক্রিকেটারের এ কী কাণ্ড! তাজ্জব নেটদুনিয়া]

কে বলবে এই কলম্বিয়ার কাছেই চার দেশীয় টুর্নামেন্টে তিন গোল হজম করেছিল ভারত। এই ভারতীয় দল অনেক বেশি পরিণত, সাজানো। তাই দিনের শেষে স্কোরবোর্ড যাই দেখাক না কেন,  বিশ্বমঞ্চে বিশ্বমানের ফুটবল খেলেই দর্শকদের মন ভরাল অভিজিৎ অ্যান্ড কোম্পানি।

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.