Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৩০ আগস্ট ২০২৬

সৌদিকে ৫ গোলের মালা, রুশ বিপ্লবে পুড়ে ছারখার আরব বসন্ত

হাসতে হাসতে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ পকেটে পুরল আয়োজক রাশিয়া।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৪, ২০১৮, ২২:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৪, ২০১৮, ২২:৪২

options
link
সৌদিকে ৫ গোলের মালা, রুশ বিপ্লবে পুড়ে ছারখার আরব বসন্ত zoom
Advertisement

রাশিয়া: ৫ (গাজিনস্কি, চেরিশেভ-২, জিউবা, গোলোভা)
সৌদি আরব: ০

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাস বলছে উদ্বোধনী ম্যাচে ঘরের দল কখনও হারের মুখ দেখেনি। রাশিয়াতেও তার ব্যতিক্রম হল না। কোনও অঘটন ঘটাতে পারলেন না হুয়ান পিজ্জির ছেলেরা। গতিময় ফুটবলেই সৌদি আরবকে উড়িয়ে দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করল রাশিয়া।

Advertisement

আলোর রোশনাইয়ে সেজে উঠেছে মাত্র কয়েক দশক আগে বিধ্বস্ত হওয়া লেনিনগ্রাদ, স্টালিনগ্রাদ, মস্কো। হল জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানও। প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ভাষণ দিয়ে শুরু হল বিশ্বকাপের আসর। আর মাঠে বল গড়াতেই ঘরের দলের জন্য গর্জে উঠল মস্কোর ৮১ হাজার আসন বিশিষ্ট লুঝনিকি স্টেডিয়াম। কিন্তু ম্যাচ কি জমল? নাহ, বিশ্বকাপের প্রথম লড়াই মন ভরাল না ফুটবলপ্রেমীদের। প্রথম ম্যাচ ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই বিশ্ববাসীর উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। রাশিয়ার খেলা নজর কাড়লেও সৌদি আরবের করুণ পারফরম্যান্সে বিশ্বমানের দ্বন্দ্বই দেখা হল না। তার জন্য এখনও খানিকটা অপেক্ষা করতেই হচ্ছে।

[  ব্যালের দেশে অপেরা আর পপের মূর্ছনায় বিশ্বকাপের নান্দীমুখ ]

তবে এদিন রাশিয়ার প্রধান শক্তি ছিল স্টেডিয়ামের শব্দব্রহ্ম। তা কাজে লাগিয়েই সৌদি আরবকে চাপে ফেলে দিল রাশিয়া। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে বিপক্ষ রক্ষণের উপর চাপ বজায় রাখে তারা। ফলে গোলমুখ খুলতে দেরি হয়নি। প্রথমার্ধেই জোড়া গোলে এগিয়ে যায় হোম ফেভরিটরা। গাজিনস্কির দুর্দান্ত হেডারে গোল এগিয়ে দেয় রাশিয়াকে। তারপরই দেশের জার্সি গায়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে স্বপ্নের গোলটি করে দলের জয় একপ্রকার নিশ্চিত করে দেন চেরিশেভ। পরিবর্ত হিসেবে নেমে সৌদির দুই ডিফেন্ডারকে বোকা বানিয়ে গোল করেন তিনি। ম্যাচের শেষ গোলও তাঁর। দ্বিতীয়ার্ধে আরও দুটি গোল করেন জিউবা ও গোলোভা। আর তাতেই লজ্জায় মুখ পুড়ল মরু দেশের। তবে এ ম্যাচের শেষে রাশিয়া দুর্দান্ত খেলল না বলে বলা যেতে পারে সৌদি আরবের প্রদর্শন বেশ খারাপ।

দুই অর্ধে দুর্দান্ত জায়গা থেকে দুটি ফ্রি-কিক কাজে লাগাতে পারেনি দল। আর যে আল সাহলাওয়ির দিকে নজর ছিল সৌদি ভক্তদের, তিনি যেভাবে একটি নিশ্চিত গোল হাতছাড়া করলেন তা কোনওভাবেই কাম্য ছিল না। অন্তত বিশ্বকাপের মতো মঞ্চে তো নয়ই। টুর্নামেন্টের যোগ্যতা অর্জন পর্বে যে ফুটবলারের নামের পাশে ১৬টি গোল রয়েছে, সেই সাহলাওয়ির এমন পারফরম্যান্সে হতাশ ফুলবলপ্রেমীরা।

[  দেশলাই কাঠিতে বিশ্বকাপের রেপ্লিকা গড়ে তাক লাগালেন কালনার শিল্পী ]

১৯৯৩-এর শেষ সাক্ষাতে রাশিয়াকে ৪-২ গোলে হারিয়েছিল সৌদি আরব। এদিন তাদের পারফরম্যান্সে জয়ের সেই খিদেই লক্ষ্য করা গেল না। টানা তিন ম্যাচে যে দল হেরেছে, তারা যে বিশ্বকাপের মঞ্চে সর্বশক্তি দিয়ে ঝাঁপাবে, এমন আশাই করেছিল ফুটবল মহল। কিন্তু খেলা জমাট বাঁধল কই? আর সেই সুযোগেই লেটার মার্কস নিয়ে উত্তীর্ণ হলেন রাশিয়ান স্ট্রাইকাররা। একপেশে ম্যাচ জিতে খুশি কোচ স্ট্যানিসলাভ। তাঁর ডিফেন্ডারদের এদিন পরীক্ষার মুখে পড়তেই হল না। প্রথম ম্যাচ হাসি ফুটিয়েছে হাজার হাজার রাশিয়াবাসীর মুখেও। আর সাত ম্যাচে জয়ের মুখ না দেখা রাশিয়া শিবিরে ফিরল অনেকখানি স্বস্তির নিঃশ্বাস।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.