Advertisement
Advertisement
ফুটবলের মহাযুদ্ধ
FIFA World Cup 2026

ব্রাজিলের জয়ের ম্যাচে নজর কাড়ল তাদের বেসক্যাম্পও, কলম্বিয়া পার্ক নিয়ে মুগ্ধ ক্লপও

স্থানীয় আয়োজকদের তরফে বেসক্যাম্পের জন্য যে বিকল্পগুলি দেওয়া হয়েছিল সেলেকাওদের, তার মধ্য থেকে কলম্বিয়া পার্ককে বেছে নিতে এক মুহূর্তও সময় নষ্ট করেনি ব্রাজিল কোচ।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুন ২০, ২০২৬, ১৪:০৬

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুন ২০, ২০২৬, ১৪:০৬

options
link
ব্রাজিলের জয়ের ম্যাচে নজর কাড়ল তাদের বেসক্যাম্পও, কলম্বিয়া পার্ক নিয়ে মুগ্ধ ক্লপও zoom
কলম্বিয়া পার্কে ট্রেনিং সেন্টারে ছাউনি ফেলেছেন ব্রাজিল। ছবি সংগৃহীত।

আশি একরের ক্যাম্পাস। আটটা পেল্লাই মাঠ। যার মধ্যে পাঁচটা ঘাসের, তিনটে টার্ফ। একাধিক ড্রেসিংরুম। আধুনিক জিম। রিকভারি পুল। কনফারেন্স রুম। পূর্বে উল্লেখিত বিষয়গুলি নিউ জার্সির মরিস টাউনশিপে অবস্থিত কলম্বিয়া পার্ক ট্রেনিং ফেসিলিটির অংশ। যা তৈরি করেছে রেড বুল। মেজর লিগ সকারে তাদের ক্লাব নিউ ইয়র্ক রেড বুলের জন্য। সেখানেই বেসক্যাম্প করেছিল ব্রাজিল। যা তাদের জয়ের ম্যাচেও মন কেড়েছে। 

বর্তমানে যে ফেসিলিটিই ঠিকানা পাঁচবারের বিশ্বজয়ী দল ব্রাজিলের। কোচ কার্লো আন্সেলোত্তির কড়া নজরদারিতে এই কলম্বিয়া পার্কেই ট্রেনিং সেরে ভিনিসিয়াস জুনিয়র, রাফিনহারা হাইতির বিরুদ্ধে নেমেছিলেন। স্থানীয় আয়োজকদের তরফে বেসক্যাম্পের জন্য যে বিকল্পগুলি দেওয়া হয়েছিল সেলেকাওদের, তার মধ্য থেকে কলম্বিয়া পার্ককে বেছে নিতে এক মুহূর্তও সময় নষ্ট করেনি তারা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

অবশ্য শুধু ব্রাজিলই নয়, এই ফেসিলিটিতে বেসক্যাম্প তৈরির বিষয়ে আগ্রহী ছিল বিশ্বকাপে যোগ দেওয়া আরও কয়েকটা দেশ। যে প্রসঙ্গে রেড বুলের ‘গ্লোবাল হেড অফ স্পোর্ট’ যুরগেন ক্লপ বলে দিয়েছেন, “ব্রাজিলকে রাজি করানোর জন্য আমাকে কোনও পরিশ্রমই করতে হয়নি। কার্লো আন্সেলোত্তি একবার পরিদর্শন করেই রাজি হয়ে গিয়েছেন। আসলে একবার দেখলেই তিনি বুঝে যান কোনটা ভালো।” শুধু ব্রাজিল যাতে পুরো সেন্টার না নিয়ে নেয়, তা নিশ্চিত করতে হয়েছে ক্লপকে। কারণ ওই ফেসিলিটিতে তাঁদের বিভিন্ন দলও অনুশীলন করে সারাবছর।

কী কী আছে নিউ ইয়র্ক রেড বুলের কলম্বিয়া পার্ক ট্রেনিং ফেসিলিটিতে? ৮০ একর জমির উপর অবস্থিত ফেসিলিটিতে মোট আটটা মাঠ আছে। পাঁচটা প্রাকৃতিক ঘাসের, তিনটি কৃত্রিম টার্ফ। নিউ জার্সিতে বছরের একটা সময় টানা তুষারপাত হয়। সেকথা মাথায় রেখে তিনটি মাঠ কৃত্রিমভাবে গরম করার ব্যবস্থাও রয়েছে। যাতে মাঠে বরফ জমে যাওয়া বরফ দ্রুত গলিয়ে ফেলা যায়। ফেসিলিটিতে হোম টিমের জন্য বিশাল ড্রেসিংরুম রয়েছে। অ্যাওয়ে টিমের জন্যও আছে আলাদা ড্রেসিংরুম। একটা সাধারণ জিমের পাশাপাশি ফুটবলারদের রিহ্যাবের জন্যও আছে বিশেষ জিম। সঙ্গে পাঁচ হাজার স্কোয়ারফুটের ওয়েলনেস ল্যাব। একাধিক পুল রয়েছে ক্যাম্পাসে, যাতে হাইড্রোথেরাপি হয়। একটা ছোটখাট ‘সিনেমা হল’ রয়েছে সেন্টারে, যেখানে অডিও-ভিজ‌্যুয়াল ক্লাস নেওয়া যায়। রয়েছে একটা কনফারেন্স রুম। যেখানে চাইলে প্রেস কনফারেন্স বা দলের সঙ্গে আলোচনা করা যাবে। একজন নির্দিষ্ট প্লেয়ারের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের সুবিধা। আসলে ফুটবলের মান এবং ফুটবলের জনপ্রিয়তায় ইউরোপে প্রথমসারির লিগগুলির ধারেকাছে নেই মেজর লিগ সকার। কিন্তু পরিকাঠামোর বিচারে তারা টেক্কা দিতে পারে বাকি বিশ্বকে।

কলম্বিয়া পার্কের ট্রেনিং সেন্টারের ‘সৌন্দর্য’ মুগ্ধ করেছিল ক্লপকে। কতটা? ক্লপের কথায়, “লিভারপুল ছাড়ার পর এমন কিছু ছিল না যেটা আমি মিস করেছি। কিন্তু এই সেন্টারটা! দেখে মনে হয়েছিল, আবার কোচিংয়ে ফিরে যাই।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.