Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২১ আগস্ট ২০২৬

মরক্কোর কাছে আটকে গিয়েও গ্রুপ শীর্ষে থেকে নক-আউটে স্পেন

নাটকীয় ম্যাচের ফল চিন্তায় রাখবে স্পেনকে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৩, ১৭:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৩, ১৭:১৩

options
link
মরক্কোর কাছে আটকে গিয়েও গ্রুপ শীর্ষে থেকে নক-আউটে স্পেন zoom
Advertisement

স্পেন- ২(ইস্কো, আসপাস)

মরক্কো- ২ (বোতেব, এন’ নেসিরি)

Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রচুর সুযোগ নষ্ট, দুর্বল রক্ষণ, অজস্র মিস-পাস। মরক্কো ম্যাচে এ যেন এক অজানা স্পেনকে দেখা গেল।শেষ মুহুর্তে পরিবর্ত খেলোয়াড় ইয়াগো আসপাস মান না বাঁচালে গ্রুপ চ্যাম্পিয়নের তকমা হারাতে হত স্পেনকে। খাপছাড়া পারফরম্যান্স সত্ত্বেও গ্রুপ বি-তে শীর্ষস্থানেই শেষ করল লা রোজা। গ্রুপের শেষ ম্যাচে স্পেন, পর্তুগাল দু দলই ড্র করল। দু’দলের গোলপার্থক্যও একই । কিন্তু বেশি গোল করার দরুন গ্রুপে শীর্ষস্থান পেলেন ইনিয়েস্তারাই। নকআউটে অপেক্ষাকৃত দুর্বল রাশিয়ার মুখোমুখি হবে স্পেন, রোনাল্ডোরা মুখোমুখি হবেন গ্রুপ এ-র চ্যাম্পিয়ন উরুগুয়ের বিরুদ্ধে।

[পেনাল্টি মিস রোনাল্ডোর, ইরানের সঙ্গে ড্র করে নক-আউটে পর্তুগাল]

প্রথমার্ধে এক মুহূর্তের ভুল চাপে ফেলে দিয়েছিল স্পেনকে। ভুলটা করেছিলেন দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ দুই ফুটবলার, একজন আন্দ্রে ইনিয়েস্তা, আরেকজন খোদ অধিনায়ক সের্জিও ব়্যামোস। ম্যাচের ১৩ মিনিটে নিজেদের ভুল বোঝাবুঝির জেরে মরক্কোর বোতেবের পায়ে বল তুলে দেন এই দুই তারকা। সেই সুযোগ কাজে লাগাতে ভুল করেননি বোতেব, গোলকিপার দে হেয়ার পায়ের ফাঁক দিয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি। হঠাৎই চাপে পড়ে যায় ২০১০-এর চ্যাম্পিয়নরা।স্প্যানিশ সমর্থকরা হয়তো ভয় পেতে শুরু করেছিলেন ২০১৪’র পুনরাবৃত্তি হওয়ার। সেই দুঃশ্চিন্তা অবশ্য মিনিট পাঁচেকের মধ্যেই দূর করে দেন ইস্কো। ১৯ মিনিটে স্প্যানিশ পাসের জাদুতে কার্যত ফাঁকা গোল পেয়ে গেলেন রিয়াল মাদ্রিদ মিডফিল্ডার, জোর শটে জালে বল জড়িয়ে দিতে ভুল করেননি তিনি। গোলটির স্থপতি অবশ্যই ‘ইনক্রেডিবল’ ইনিয়েস্তা, শুধু এই গোল নয়, স্ট্রাইকারদের জন্য আরও বেশ কয়েকটা জাদুকরী পাস দিয়েছিলেন স্পেনের ‘মিডফিল্ড-মায়েস্ট্রো’। কিন্তু তা কাজে লাগাতে পারেননি স্ট্রাইকাররা। খেসারতও দিতে হল। যে ম্যাচ সহজেই পকেটে পুরে ফেলা যেত সেই ম্যাচই শেষ হল অমীমাংসীতভাবে।

[আশা জাগিয়েও হতাশ করলেন সালাহ, সব ম্যাচ হেরেই বিশ্বকাপ থেকে বিদায় মিশরের]

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আরও স্পষ্ট হল স্পেনের ডিফেন্সের ফাটল। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুর দিকে পরপর বেশ কয়েকটি আক্রমণ শানায় মরক্কো। দু’একবার নেহাতই ভাগ্যের জোরে রক্ষা পায় লা রোজা। আম্রাবাটের একটি শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। দু’টি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করেন দে হেয়াও। কিন্তু ৮১ মিনিটের মাথায় ভুল করলেন না এন’ নেসিরি। দুর্দান্ত হেডারে দ্য খেয়ার জালে বল জড়িয়ে দিলেন তিনি।  নাটক তখনও বাকি ছিল, যখন মনে হচ্ছিল ৩৬ বছর পর গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে পরাস্ত হতে চলেছে স্পেন, তখনই ইশ্বরের দূত হয়ে এলেন ইয়াগো আসপাস। অতিরিক্ত সময়ে দুর্দান্ত ফ্লিকে মরক্কোর জালে বল জড়িয়ে স্পেনকে একটি মহামূল্যবান পয়েন্ট এনে দিলেন তিনি। গ্রুপ শীর্ষে থেকে নকআউট নিশ্চিত করল স্প্যানিশরা।

[রুশ বিপ্লব থামিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নক-আউটে উরুগুয়ে]

গ্রুপ পর্বের বাধা কোনওক্রমে টপকে গেলেও, মোটেই আশাপ্রদ পারফরম্যান্স করতে পারল না স্পেন। রক্ষণের ফাঁকফোকর বন্ধ না করতে পারলে প্রি-কোয়ার্টারে ফাইনালে রাশিয়ার বিরুদ্ধে সত্যিই ভুগতে হবে লা রোজাকে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.