Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৮ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২৪ জুন ২০২৬
FIFA

উদ্বাস্তু তকমা নিয়েই দেশের জার্সি! ফিফার সিদ্ধান্তে আফগান নারী ফুটবলে নতুন সূর্যোদয়

যুদ্ধ, নির্বাসন আর অনিশ্চয়তার অন্ধকার পেরিয়ে এই স্বীকৃতি শুধু ফুটবলের জয় নয়, এটি নারী স্বাধীনতা, সাহস এবং স্বপ্নেরও এক অনন্য বিজয় হিসাবে দেখছেন অনেকেই।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৩০, ২০২৬, ১৮:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৩০, ২০২৬, ১৮:৫০

options
link
উদ্বাস্তু তকমা নিয়েই দেশের জার্সি! ফিফার সিদ্ধান্তে আফগান নারী ফুটবলে নতুন সূর্যোদয় zoom
আফগান দল। ফাইল ছবি।

ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত ফিফার। এবার থেকে ফিফা আয়োজিত প্রতিযোগিতায় খেলতে দেখা যাবে আফগানিস্তানের মহিলা উদ্বাস্তু ফুটবল দলকে। অর্থাৎ বিশ্বকাপ-সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় তাদের খেলতে আর কোনও বাধা রইল না। আরও বড় ব্যাপার হল, নিজেদের দেশের নামেই খেলতে পারবে তারা। 

এতদিন ‘আফগান উইমেন ইউনাইটেড’ নামে পরিচিত দলটি এবার সরাসরি আফগানিস্তানের প্রতিনিধিত্ব করবে। আফগানিস্তানের মহিলা ফুটবল দলের শেষ আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা ছিল ২০১৮ সালে। এরপর ২০২১ সালে তালিবান ক্ষমতা দখলের পর দেশটির নারী ফুটবল কার্যত থেমে যায়। জাতীয় দল ভেঙে দেওয়া হয়, আর বহু ফুটবলার নিরাপত্তার কারণে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন। বর্তমানে তাঁদের বেশিরভাগই অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস করছেন। সেখানকার বিভিন্ন ক্লাবে খেলছেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এই সিদ্ধান্তে আবেগপ্রবণ হয়ে ফুটবলার নাজিয়া আলি বলেন, “আমরা এতদিন নানা নামে খেলেছি। কখনও উদ্বাস্তু দল। কখনও আফগান উইমেন ইউনাইটেড। কিন্তু মনে-প্রাণে আমরা সবসময় আফগানিস্তানের ফুটবলারই ছিলাম। আবার দেশের পতাকা গায়ে জড়াতে পারব। এর চেয়ে বড় আনন্দ আর নেই।”

মঙ্গলবার ভ্যাঙ্কুভারে অনুষ্ঠিত ফিফা কাউন্সিলের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ফলে ২০২৮ সালের লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিকে অংশগ্রহণের রাস্তা খুলে গেল তাদের সামনে। যদিও আগামী বছরের মহিলাদের বিশ্বকাপে যোগ্যতা অর্জনের সময়সীমা ইতিমধ্যেই পেরিয়ে গেছে। ফিফা সভাপতি জিয়ানি ইনফান্তিনো বলেন, “এই ফুটবলাররা যে সাহসী যাত্রা শুরু করেছিলেন, আমরা শুধু সেই পথটাকে আরও সুগম করার চেষ্টা করেছি। এবার তারা নিজেদের দেশের হয়েই মাঠে নামতে পারবে।”

আফগানিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক খালিদা পোপালের কথায়, “পাঁচ বছর ধরে আমাদের বলা হয়েছিল, আফগানিস্তানের হয়ে আর কখনও খেলতে পারব না। কিন্তু আজ প্রমাণ হল, ইচ্ছাশক্তি থাকলে অসম্ভবও সম্ভব।” যুদ্ধ, নির্বাসন আর অনিশ্চয়তার অন্ধকার পেরিয়ে এই স্বীকৃতি শুধু ফুটবলের জয় নয়, এটি নারী স্বাধীনতা, সাহস এবং স্বপ্নেরও এক অনন্য বিজয় হিসাবে দেখছেন অনেকেই।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.