Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৪ জুলাই ২০২৬

সৌদির বিরুদ্ধে হার ভুলে দ্বিতীয় ম্যাচেই ঘুরে দাঁড়ালেন ধীরাজরা

সমালোচকদের যোগ্য জবাব দিলেন কোচ মাতোস।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৯, ১৮:২১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৯, ১৮:২১

options
link
সৌদির বিরুদ্ধে হার ভুলে দ্বিতীয় ম্যাচেই ঘুরে দাঁড়ালেন ধীরাজরা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অনূর্ধ্ব ১৯ এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের যোগ্যতা অর্জনকারী টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে সৌদি আরবের কাছে শোচনীয় হার। তারপরই পরই কোচ লুই নর্টন মাতোসের দল গঠন নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল নানা মহলে। কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচেই পর্তুগিজ কোচ যোগ্য জবাব দিলেন সমালোচকদের। অপেক্ষাকৃত শক্তিশালী ইয়েমেনকে রুখে দিল তাঁর দল। ম্যাচ গোলশূন্য ড্র রেখে। ভারতের এখন দু’ম্যাচে এক পয়েন্ট। শেষ ম্যাচে তুর্কমেনিস্তানকে হারাতে পারলে কঠিন গ্রুপ থেকে পরের রাউন্ডে ওঠার এখনও আশা রয়েছে ভারতের।

[রস টেলরকে আধার কার্ড দেওয়ার আরজি বীরেন্দ্র শেহবাগের]

সদ্য অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপে লড়াকু পারফরম্যান্সের পর সৌদির বিরুদ্ধে সেই ভারতীয় দলের পাঁচজনকে প্রথম দলে রেখেছিলেন মাতোস। কিন্তু কেন এতজন জুনিয়র ফুটবলারকে দলে রেখেছিলেন তিনি? উঠছিল সেই প্রশ্ন। সৌদি ম্যাচে বিশ্রী রেজাল্টের পর দেশজ ফুটবলমহলেরও কোথাও কোথাও মাতোসের ওই সিদ্ধান্ত সমালোচিত হচ্ছিল। কিন্তু তিনি-মাতোস এদিন দামামে ভারতের অনূর্ধ্ব ১৯ দলের পরের ম্যাচেই পাঁচজন নয়, আরও দু’জন বেশি অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপার ভারতীয়কে প্রথম দলে খেলান। না জিতলেও সমালোচকদের যোগ্য জবাব দিয়ে দিলেন। মঙ্গলবার ইয়েমেনের বিরুদ্ধে ভারতের অনূর্ধ্ব ১৯ দলের প্রথম একাদশে সাতজন অনূর্ধ্ব ১৭ জাতীয় দলের ফুটবলার ছিলেন। এঁরা হলেন, গোলে ধীরাজ সিং। ডিফেন্সে বরিস সিং ও জিতেন্দ্র সিং। মাঝমাঠে অমরজিৎ সিং, সুরেশ সিং ও কেপি রাহুল। ফরোয়ার্ডে রহিম আলি। দেশের মাঠে অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপে ভাল পারফরম্যান্সের পুরস্কার বিদেশের মাঠে পেলেন বাংলার জিতেন্দ্র ও রহিমও।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[বাইশ গজে লড়াইয়ের আগে কিউয়ি স্পিনারকে দাবায় মাত চাহালের]

এদিন প্রিন্স মহম্মদ বিন ফাহাদ স্টেডিয়ামেও মূলত বরিস-সুরেশদের দাপটে প্রথম দশ মিনিটের পর থেকে ম্যাচে প্রাধান্য নেওয়া শুরু করে ভারতের অনূর্ধ্ব ১৯ দল। ইয়েমেন ম্যাচ শুরুর বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে যে আক্রমণের ঝড় তুলেছিল সেটাও ধীরাজের নিরাপদ গ্লাভসে এসে আটকে যায়। ১৪ মিনিটে ভারতের সামনে গোল করার সুযোগ এসে গিয়েছিল। ওভারল্যাপে আসা বরিসের ক্রসে বক্সে দাঁড়ানো রহিম ঠিক মতো হেড নিতে পারলে নিশ্চিত গোল ছিল। ইয়েমেন গোলকিপার বলের ফ্লাইট মিস করে তখন অসহায়। চার মিনিট পর আবার রহিমের ফাইনাল পাস থেকে গোলের সুযোগ হারান অমরজিৎ। ২৯ মিনিটে রাইট উইং থেকে রহিম-নিনথোই ওয়ান-টু খেলে বক্সে ফাঁকায় দাঁড়ানো সুরেশকে থ্রু দিলে তিনি গোলপোস্ট থেকে করমর্দনের দূরত্বে থেকেও বলে পা লাগাতে পারেননি। দ্বিতীয়াধের্র শুরুতেই রহিম ম্যাচের সবচেয়ে সহজ সুযোগ হারান। ইয়েমেন গোলকিপারকে একা পেয়েও বাইরে মারেন। এরপর অভিষেক হালদারও একটি সুযোগ হারান। ভারতীয়রা যা সুযোগ পেয়েছিলেন তার পঞ্চাশ শতাংশ কাজে লাগাতে পারলেও তিন গোলে জিততে পারতেন। ম্যাচের শেষ পাঁচ মিনিট ইয়েমেন কিছু ভাল কাউন্টার অ্যাটাক করলেও ধীরাজকে টপকাতে পারেননি। সবমিলিয়ে তাই ইয়েমেনের থেকে এক পয়েন্ট পাওয়াও মাতোসের ভারতের জন্য ভাল পারফরম্যান্স বলতে হবে। অনূর্ধ্ব ১৯ এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ থেকে এই পয়েন্টটি ভারত তুলল মূলত অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপারদের ক্যারিশমায়!

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.