×

৪ চৈত্র  ১৪২৫  বুধবার ২০ মার্চ ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও #IPL12 বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

দুলাল দে: সংকটে সুপার কাপ। আই লিগের ৭টি ক্লাব জোট বেঁধে ফেডারেশনকে চিঠি দিয়ে জানাল, দাবি না মানলে তারা সুপার কাপ বয়কট করবে। ফেডারেশন অবশ্য দাবি মানার পথে না গিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে, তেমন হলে বাতিল করে দেওয়া হবে এই মরশুমের সুপার কাপ। তবুও মাথা নোয়াবে না। এ সবই প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া। এরপর দু’পক্ষের আলোচনা হবে। উল্লেখযোগ্য ব্যাপার, এর আগে রিয়াল কাশ্মীর এবং লাজংকে বাদ দিয়ে ফেডারেশনের বিরুদ্ধে জোট বেঁধেছিল ৮ ক্লাব। এবার জোট থেকে বেরিয়ে গেল চার্চিল ব্রাদার্স। তাই ফেডারেশনের কাছে গেল ৭ ক্লাবের জোটের চিঠি।

[৯ মাস পর ফের রিয়াল মাদ্রিদের কোচের পদে ফিরছেন জিনেদিন জিদান]

আই লিগ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সব ক্লাব সুপার কাপের প্রস্তুতি নিয়ে পরিকল্পনা শুরু করে দিয়েছিল। ২৩ মার্চ থেকে সুপার কাপের প্র‌্যাকটিস শুরু হবে জেনে দেশে ছুটি কাটাতে গিয়েছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ আলেজান্দ্রো। সাময়িক ছুটি দেওয়া হয়েছে বাগান ফুটবলারদেরও। কিন্তু, এরমধ্যে ৭ ক্লাব জোট বেঁধে ফেডারেশন সচিবকে চিঠি দিয়ে তাদের সিদ্ধান্তের কথা জানাল।

দাবিগুলি ঠিক কী? কেন সুপার কাপ খেলতে চাইছে না আই লিগের ৭ ক্লাবের জোট? ফেডারেশন সচিব কুশল দাসকে পাঠানো চিঠিতে তারা লিখেছে, এর আগে আই লিগের ক্লাবগুলির তরফে ফেডারেশন প্রেসিডেন্ট প্রফুল্ল প্যাটেলকে চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছিল, আই লিগের ক্লাবগুলি তাঁর সঙ্গে বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে মিটিং করতে চান। কিন্তু আজ পর্যন্ত চিঠির উত্তর প্রফুল্ল প্যাটেল জানাননি। তাছাড়া আর্থিক ভাবেও আই লিগের ক্লাবগুলিকে বঞ্চিত করছে ফেডারেশন। এই অবস্থায় সুপার কাপ খেলা সম্ভব নয়। যতক্ষণ না ফেডারেশন আই লিগের ক্লাবগুলির দাবি মানছে, ততক্ষন পর্যন্ত সুপার কাপে তারা নেই।

আগের মতো এই জোটের চিঠিতে সই করেনি রিয়াল কাশ্মীর এবং লাজং। আর ইন্ডিয়ান অ্যারোজ যেহেতু ফেডারেশনের নিজের দল তাই জোটের চিঠিতে সই করার প্রশ্ন নেই। তবে চার্চিল কর্নধার আলেমাও চার্চিল এবার সুপার কাপ না খেলার দাবির জোটের চিঠিতে সই করেননি। জোট কর্তারা চিঠি নিয়ে এখনই সরকারি ভাবে মন্তব্য করতে চাইছেন না। কিছুদিনের মধ্যে তারা সাংবাদিক সম্মেলন করে সব জানাবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সাত ক্লাবের জোটের হুমকির চিঠি পেয়ে প্রাথমিক ভাবে ফেডারেশন চিন্তিত নয়। সচিব কুশল দাস বললেন, “ওদের চিঠি পেয়েছি। ওরা যদি সুপার কাপে না খেললে আমরা কী করতে পারি। সুপার কাপের জন্য ফেডারেশনের যে বাজেট রয়েছে, তা জুনিয়র ডেভলপমেন্ট প্রোগ্রামে খরচ হবে।”

[৯ মাস পর ফের রিয়াল মাদ্রিদের কোচের পদে ফিরছেন জিনেদিন জিদান]

আই লিগের পর সব ক্লাবের প্র‌্যাকটিস বন্ধ। এখন সুপার কাপে খেলতে হলে ফের ফুটবলারদের পিছনে খরচ করতে হবে। যা লিগের ছোট ক্লাবগুলির পক্ষে সমস্যার। তাই বেশিরভাগ ক্লাবই চাইছে না সুপার কাপ খেলতে। সুপার কাপ না হলে আইএসএলের দলগুলি কী করবে? তারা তো খেলার জন্য তৈরি। ফেডারেশন সূত্রে জানা যাচ্ছে, সুপার কাপ এই মরশুমে না হলে, আইএসএলের দলগুলিও আপত্তি জানাবে না। তাদেরও বাজেট বাঁচবে। তাই যে দাবিগুলি নিয়ে আই লিগের সাত ক্লাব জোট বেঁধে সুপার কাপ না খেলার দাবি জানিয়েছে, সেই দাবিগুলি মানবে না ফেডারেশন। সেদিকেই তাঁরা পা বাড়িয়েছেন। দেখানোর চেষ্টা হবে, ফেডারেশন সুপার কাপ করতে চায়। কিন্তু ক্লাবগুলি চায় না।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং