Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৮ আগস্ট ২০২৬
Champions League

মেসিদের আট গোলের মালা, মুলার–কুটিনহোদের বায়ার্নের হাতে ধ্বংস বার্সার সাম্রাজ্য

ফিরে এল বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে জার্মানির বিরুদ্ধে ব্রাজিলের সাত গোল খাওয়ার স্মৃতি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৫, ২০২০, ০৮:২৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৫, ২০২০, ০৮:২৫

options
link
মেসিদের আট গোলের মালা, মুলার–কুটিনহোদের বায়ার্নের হাতে ধ্বংস বার্সার সাম্রাজ্য zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:‌ ২০১৪ সালের ৯ জুলাই। বিশ্বকাপের (World Cup) সেমিফাইনাল ম্যাচ। বিখ্যাত মারাকানা স্টেডিয়াম হলুদ রংয়ে ছেয়ে গিয়েছিল। মুখোমুখি ব্রাজিল (Brazil) এবং জার্মানি (Germany)। ওই ম্যাচে দাভিদ লুইজদের ডিফেন্সকে কার্যত ছারখার করে দিয়েছিলেন জার্মানরা। ফলাফল ছিল ৭–১। অতি বড় জার্মান ভক্তও বোধহয় ভাবতে পারেননি এমনটা হতে পারে। ঠিক যেমনটা চলতি বছরের ১৪ আগস্ট রাতেও ভাবতে পারেননি কোনও বায়ার্ন মিউনিখ (Bayern Munich) সমর্থকও। চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচে মেসি–সুয়ারেজের মতো তারকা সমৃদ্ধ বার্সেলোনাকে আট গোলের মালা পরাবে জার্মান দলটি। হ্যাঁ, ঠিকই পড়েছেন!‌ শুক্রবার মধ্যরাতে গোটা ফুটবল বিশ্বের সামনে কার্যত দর্পচূর্ণ হল বার্সেলোনার (Barcelona)। ৮–২ গোলে অনায়াস জয় পেলেন মুলার–কুটিনহোরা। সেদিন যেমন ধ্বংস হয়েছিল সাম্বার রাজ্যপাট, এদিন তেমনই জার্মান দলটি ধ্বংস করল বার্সার সাম্রাজ্য়কে। প্রমাণ হল, মাঠে যতই ফুটবল ঈশ্বর থাকুক, খারাপ দিনে তাঁকেও আর পাঁচজন সাধারণ মানুষই মনে হয়।

[আরও পড়ুন: ১০ সেকেন্ডের বিজ্ঞাপনের জন্য ১০ লক্ষ টাকা! মহামারীতেও IPL সম্প্রচারে মোটা টাকা হাঁকবে স্টার]

এদিন খেলার শুরু থেকেই যেন বোঝা যাচ্ছিল কোথাও যেন হারিয়ে গিয়েছেন সুয়ারেজ–মেসিরা। ডিফেন্স বলে কিছুই ছিল না। দু–তিনটি টাচেই বার্সার বক্সের কাছে পৌঁছে যাচ্ছিলেন মুলাররা। বায়ার্নের খেলোয়াড়দের কোনওভাবেই আটকাতে পারছিলেন না ভিদালরা। ফল যা হওয়ার তাই হল। খেলা শুরুর মাত্র ৪ মিনিটের মাথায় টমাস মুলারের গোলে এগিয়ে যায় বার্য়ান। যদিও তিন মিনিট পর আত্মঘাতী গোল করে বার্সাকে সমতায় ফিরতে সাহায্য করেন আলাবা। কিন্তু তারপর থেকে গোটা ম্যাচের রাশ চলে যায় জার্মান দলটির হাতে। আর এরপর কেবলই আক্রমণ আর আক্রমণ। প্রথমার্ধের খেলা শেষ হওয়ার আগেই চার গোল করে ফেলে বায়ার্ন। ২১ মিনিটে পেরিসিচ, ২৭ মিনিটে গ্যানাবরি, ৩১ মিনিটে মুলার গোল করেন। দ্বিতীয়ার্ধেও বজায় ছিল বায়ার্নের দাপট। তবে শুরুতেই একটি গোল শোধ করে দেন সুয়ারেজ। কিন্তু তারপর আর বায়ার্নকে রুখতে পারেনি বার্সা ডিফেন্স। ৬৩ মিনিটে কিমিচ এবং ৮২ মিনিটে লেওয়ানডস্কি ব্যবধান বাড়ান। দ্বিতীয়ার্ধের শেষ দিকে মাঠে নামা কুটিনহো ৮৫ এবং ৮৯ মিনিটে জোড়া গোল করে বায়ার্নের কফিনে শেষ পেরেকটি পোঁতেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: অবিকল যেন ধোনি! ৭ বছরের বাচ্চা মেয়ের ‘হেলিকপ্টার শট’ দেখে অবাক নেটিজেনরা]

এদিকে, ম্যাচ হেরে রীতিমতো ক্ষুব্ধ বার্সা শিবির। মনে করা হচ্ছে এই জঘন্য হারে খুব শীঘ্রই চাকরি যেতে পারে বার্সা কোচের। কারণ গত ৭৫ বছরে এত বড় ব্যবধানে কখনও হারেনি বার্সেলোনা। এর আগে ১৯৪৬ সালে কোপা দেল রে–র শেষ ষোলোয় সেভিয়ার কাছে ০–৮ গোলে হেরেছিল কাটালানরা। তবে এদিনের ম্যাচের পর একটা জিনিস পরিস্কার, সাম্বা হোক বা তিকিতাকা, ক্ষুধার্ত জার্মানদের সামনে সবই যেন ফিকে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.