Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১০ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২৮ আগস্ট ২০২৬
পান্নালাল চট্টোপাধ্যায়

মাঠে বসে দেখেছেন দশটি বিশ্বকাপ, প্রয়াত দেশের ‘সবচেয়ে বড়’ ফুটবল ফ্যান পান্নালাল

কাতার বিশ্বকাপে আর যাওয়া হল না খিদিরপুরের দম্পতির।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৭, ২০১৯, ১৮:৩২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৭, ২০১৯, ১৮:৩২

options
link
মাঠে বসে দেখেছেন দশটি বিশ্বকাপ, প্রয়াত দেশের ‘সবচেয়ে বড়’ ফুটবল ফ্যান পান্নালাল zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শুরুটা হয়েছিল ১৯৮২ সালে। তারপর একে একে দশটি বিশ্বকাপ চাক্ষুস করেছেন। ইচ্ছে ছিল কাতারে গিয়ে মেসি-রোনাল্ডোদের দাপট শেষবারের মতো স্বচক্ষে দেখবেন। সে ইচ্ছে আর পূরণ হল না দেশের সবচেয়ে বড় ফুটবল সমর্থক পান্নালাল চট্টোপাধ্যায়ের। ৮৬ বছর বয়সে প্রয়াত হলেন খিদিরপুরের অশীতিপর বৃদ্ধ। একা হয়ে গেলেন স্ত্রী চৈতালি চট্টোপাধ্যায়।

খিদিরপুরের রামকমল স্ট্রিটের বাসিন্দা পান্নালাল চট্টোপাধ্যায় ও চৈতালি চট্টোপাধ্যায়। দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন পান্নালাল। শরীর ক্রমশ খারাপ হওয়ায় কয়েকদিন আগে হাসপাতালে ভরতি করা হয় তাঁকে। মঙ্গলবার কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে প্রয়াত হন তিনি। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে ক্রীড়ামহলে। আই লিগের অফিসিয়াল টুইটার হ্যান্ডেলেও শোকপ্রকাশ করে টুইট করা হয়েছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: প্রয়াত মোহনবাগান সভাপতি গীতানাথ গঙ্গোপাধ্যায়, ময়দানে শোকের ছায়া ]

১৯৮২-র স্পেন বিশ্বকাপ ফুটবল দেখার মধ্যে দিয়ে যে নেশা তৈরি হয়েছিল, টানা সাড়ে তিন দশকের বেশি সময় ধরে তা বয়ে চলা সহজ বিষয় ছিল না৷ বহু আত্মত্যাগ, বহু ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্যে দিয়ে চারবছর পরপর বিশ্বকাপের যজ্ঞে যোগদান করার অর্থ জমান বৃদ্ধ চট্টোপাধ্যায় দম্পতি৷ একে একে দেখা হয়ে গিয়েছে ১০টি বিশ্বকাপ। দীর্ঘদিনের ময়দানি অভিজ্ঞতায় দেখেছেন অনেক ওঠানামা। অনেক দলের উত্থান-পতন।

[আরও পড়ুন: ডুরান্ডের প্রতিশোধ, গোকুলামকে হারিয়ে ডার্বির আগে ছন্দে মোহনবাগান]

১৯৯৪ বিশ্বকাপে কিংবদন্তি পেলের সঙ্গে দেখা হয়েছিল দু’জনের। মাঠে বসে দেখেছিলেন দিয়েগো মারাদোনার ‘হ্যান্ড অফ গড’ গোলও। ‘ডাই হার্ট’ ব্রাজিল অনুরাগী হওয়া সত্ত্বেও ২০১৪-র বিশ্বকাপে তাঁদের দেখতে হয়েছিল প্রিয় দলের ভয়ঙ্করতম হার৷ সেমিফাইনালে জার্মানির কাছে ১-৭ গোলে দুরমুশ হয়েছিল ব্রাজিল৷ মন ভেঙে গিয়েছিল পান্নালালের৷ কাকা-রোনাল্ডোদের ব্রাজিলের ওই দুর্দশা সত্যিই ব্যাথিত করেছিল। তারপরও অবশ্য খেলা দেখা থামাননি। ২০১৮তে আবার ব্রাজিলের হাতে বিশ্বকাপ দেখার স্বপ্ন নিয়ে রাশিয়া যান। এবারেও হতাশ হতে হয়। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের জন্যও হয়তো নতুন করে স্বপ্ন বুনছিলেন ‘পানুদা’।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.