৪ আশ্বিন  ১৪২৭  বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

এশিয়ান গেমসে সোনা জয় থেকে রনজি ট্রফির ফাইনাল, ফিরে দেখা চুনী গোস্বামী

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: April 30, 2020 6:43 pm|    Updated: April 30, 2020 6:43 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতের সর্বকালের সেরা ফুটবল অধিনায়ক, দেশের সর্বকালের অন্যতম সেরা ফরোয়ার্ড, মোহনবাগানের ঘরের ছেলে এবং এসব ছাপিয়ে অবসরের পর ক্রিকেট ব্যাট হাতে অভাবনীয় সাফল্য। চুনী গোস্বামী ওরফে সুবিমল গোস্বামী এমন এক মহাতারকার নাম, যিনি ক্রিকেট এবং ফুটবল দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় দুই খেলাতেই শ্রেষ্ঠত্বের দাবি রাখেন। বৃহস্পতিবার বিকেল পাঁচটায় একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছেন ময়দানের প্রিয় চুনীদা (Chuni Goswami)। তাঁর মৃত্যুতে দেশের ক্রীড়াজগতের যে অপূরণীয় ক্ষতি হল তা বলাই বাহুল্য।

chuni

চলুন ফিরে দেখা যাক ভারতীয় ফুটবলের প্রথম মেগাস্টারের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলী।
১। মাত্র ৮ বছর বয়সে মোহনবাগান জুনিয়র টিমে খেলা শুরু করেন চুনী। সালটা ১৯৪৬।
২। ১৯৫৪ পর্যন্ত মোহনবাগানের জুনিয়র টিমে খেলার পর ১৭ বছর বয়সে তিনি সিনিয়র টিমে সুযোগ পান।
৩। জুনিয়র এবং সিনিয়র মিলিয়ে প্রায় ২২ বছর মোহনবাগানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এর মধ্যে ১৯৬০ থেকে অবসর নেওয়া পর্যন্ত তিনি ছিলেন ক্লাবের অধিনায়ক।
৪। ভারতের জাতীয় দলের হয়ে তাঁর অভিষেক হয় ১৯৫৬ সালে চিনের অলিম্পিক দলের বিরুদ্ধে। দেশের জার্সিতে মোট ৫০ ম্যাচে ১১টি গোল করেন তিনি। (তবে ফিফার হিসেবে তাঁর পরিসংখ্যান ৩২ ম্যাচে ৯ গোল)
৫। ভারতীয় ফুটবলের সবচেয়ে সফল অধিনায়ক চুনী। ১৯৬২ সালে তাঁর নেতৃত্বেই এশিয়ান গেমসে সোনা যেতে ভারত। সেবারই তিনি এশিয়ার সেরা স্ট্রাইকার নির্বাচিত হন। ১৯৬৩ সালেই ফুটবল ময়দানে অবদানের জন্য চুনীকে অর্জুন পুরস্কারে সম্মানিত করা হয়।
৬। ১৯৬৪ সালে তাঁর নেতৃত্বে ফের এশিয়ান গেমসের ফাইনালে ওঠে ভারত। এবারে অল্পের জন্য সোনা হাতছাড়া হলেও চুনীর পারফরম্যান্স প্রশংসা পায়। সেবারই মাত্র ২৭ বছর বয়সে আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানান তিনি।

[আরও পড়ুন: ভারতীয় ফুটবলের আকাশে নক্ষত্র পতন, প্রয়াত কিংবদন্তী চুনী গোস্বামী]

৭। ফুটবলকে বিদায় জানিয়ে ক্রিকেট ব্যাট হাতে তুলে নেন চুনী। ক্রিকেটেও তাঁর সাফল্য ঈর্ষণীয়। তাঁর অধিনায়কত্বে দুবার রনজি ট্রফির ফাইনাল খেলে বাংলা।
৮। অল-রাউন্ডার হিসেবে তাঁর জনপ্রিয়তা ছিল তুঙ্গে। বেশি বয়সে কেরিয়ার শুরু করায় জাতীয় দলের হয়ে খেলা হয়নি। বাংলার হয়ে ৪৬ ম্যাচে ১৫৯২ রান করেছেন। একটি শতরান এবং ৭টি অর্ধশতরানের মালিক তিনি। বল হাতে দখল করেছেন ৪৭টি উইকেট।
৯। ১৯৮৩ সালে ক্রীড়াক্ষেত্রে অভাবনীয় সাফল্যের জন্য তাঁকে পদ্মশ্রী পুরস্কার দেওয়া হয়।
১০। মৃত্যুর আগে পর্যন্ত মোহনবাগানের সদস্য ছিলেন চুনীদা। ২০০৫ সালে তাঁকে ‘মোহনবাগান রত্ন’ দেওয়া হয়।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement