৭ শ্রাবণ  ১৪২৬  মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০১৯ 

Menu Logo বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শেষবার ২০১৪ বিশ্বকাপের ফাইনালে ব্রাজিলের মারাকানা স্টেডিয়ামে জার্মানির মুখোমুখি হয়েছিল আর্জেন্টিনা। সে স্মৃতি মধুর ছিল না। রানার্স আপ হয়েই বিশ্বকাপের সফর শেষ হয়েছিল লিও মেসিদের। কিন্তু শুক্রবারের ছবিটা ছিল উলটো। অতীত স্মৃতি মুছে হাসি মুখেই মারাকানায় জয়ের ইতিহাস রচনা করলেন স্কালোনির ছেলেরা। ভেনেজুয়েলাকে ২-০ গোলে হারিয়ে কোপা আমেরিকার সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল মারাদোনার দেশ। এদিকে, পেনাল্টি শুটআউটে কলম্বিয়াকে হারিয়ে শেষ চারে জায়গা পাকা করল গতবারের চ্যাম্পিয়ন চিলি।

গ্রুপ পর্যায়ে বেশ ছন্নছাড়া দেখিয়েছে আর্জেন্টিনা দলকে। অতিকষ্টে শেষ আটে পৌঁছেছিল তারা। কিন্তু কোয়ার্টার ফাইনালে অনেক পরিণতভাবে খেললেন মেসি-অ্যাগুয়েরোরা। প্রথমার্ধে এলএম টেনের কর্ণার থেকে অ্যাগুয়েরোর বাড়ানো বল থেকে নিখুঁত ব্যাক হিলে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন মার্টিনেজ। পিছিয়ে পড়ে দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের ঝাঁজ দ্বিগুণ করে তোলে ভেনেজুয়েলা। একাধিকবার গোলের সুযোগ তৈরি করেছিলেন রোনাল্ড হার্নান্দেজরা। সমতা ফেরানোর আপ্রাণ চেষ্টা করতে থাকেন তাঁরা। কিন্তু সব প্রয়াস আটকে আর্জেন্টিনা শিবিরে স্বস্তি ফেরান পরিবর্ত হিসেবে নামা সেলসো। এই গোলের নেপথ্যেও ছিলেন ম্যাঞ্চেস্টার সিটি স্ট্রাইকার অ্যাগুয়েরো। “আমরা নিজেরাই সেমিফাইনালে পৌঁছনোর পথটা কঠিন করে ফেলেছিলাম। তবে ভেনেজুয়েলাকে হারিয়ে দারুণ খুশি।” ম্যাচ শেষে বলেন অ্যাগুয়েরো। তবে খেলার বাইরেও অন্য একটি বিষয় এদিন দর্শকদের বেশি নজর কাড়ল।

[আরও পড়ুন: পাকিস্তানকে রুখতে ইচ্ছা করে খারাপ খেলবেন কোহলিরা, প্রাক্তন পাক ক্রিকেটারের মন্তব্যে বিতর্ক]

এদিন ম্যাচ শুরুর আগে দলের বাকি সতীর্থদের সঙ্গে জাতীয় সংগীতে গলা মেলালেন মেসিও। সাধারণত জাতীয় সংগীত গাইতে দেখা যায় না তাঁকে। এনিয়ে বহুবার সমালোচনার মুখেও পড়তে হয়েছে বার্সা তারকাকে। তাহলে এদিন কী হল? মেসির উত্তর, “আজ গাইতে ইচ্ছা করল। তাই গাইলাম।” দেশের জার্সি গায়ে লাগাতার ব্যর্থতার হতাশা ও নিন্দা হয়তো এভাবেই কাটাতে চাইছেন মেসি। সেমিফাইনালে তাঁদের প্রতিপক্ষ ব্রাজিল। আর সেই মেগাম্যাচে লড়াইটা যে কঠিন হবে তা স্বীকার করে নিয়েছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। তাঁর কথায়, “ঘরের মাঠে ভাল ফর্মে থাকা ব্রাজিলকে হালকাভাবে নেওয়া যাবে না। তাছাড়া ওরা একটা বেশি দিন বিশ্রামও পাচ্ছে।”

এদিকে, কলম্বিয়ার বিরুদ্ধে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সহজেই জিতে যেত পারত চিলি। কিন্তু VAR-এর দৌলতে দু-দুবার গোল তাদের বাতিল হয়ে যায়। ফলে গোলশূন্য ম্যাচ গিয়ে পৌঁছায় পেনাল্টি শুটআউটে। কিন্তু সেখানে কলম্বিয়ার উপর আর ভাগ্যদেবী সহায় হননি। ৫-৪ ব্যবধানে জেতেন স্যাঞ্চেজরা। শেষ চারে তাদের প্রতিপক্ষ উরুগুয়ে বনাম পেরু ম্যাচে জয়ী দল।

[আরও পড়ুন: পেনাল্টি শুটআউটে প্যারাগুয়েকে হারিয়ে কোপার শেষ চারে দাঁতনখহীন ব্রাজিল]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং