Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬
ব্রাজিল

ইতিহাসে অ্যালভেস, এক যুগ পর লাতিন আমেরিকার সেরা ব্রাজিল

পেরুকে পরাস্ত করে নবমবার কোপা খেতাব ঘরে তুলল সেলেকাওরা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৮, ২০১৯, ১০:০৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৮, ২০১৯, ১০:০৫

options
link
ইতিহাসে অ্যালভেস, এক যুগ পর লাতিন আমেরিকার সেরা ব্রাজিল zoom
Advertisement

ব্রাজিল: ৩ (এভারটন, জেসুস, রিচার্লিসন-পেনাল্টি)
পেরু: ১ (পাওলো-পেনাল্টি)

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তিতে জমানায় উধাও নেইমার নির্ভরশীলতা। দলগত পারফরম্যান্সেই যে চ্যাম্পিয়ন হওয়া সম্ভব, ঘরের মাঠে এই ব্রাজিল সেটাই প্রমাণ করে দিল। হাজার বিতর্ককে পিছনে ফেলে ফের সাম্বা ম্যাজিকের সাক্ষী রইল মারাকানা। এক যুগের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে লাতিন আমেরিকা সেরা হল পেলের দেশ। পেরুকে পরাস্ত করে নবমবার কোপা খেতাব ঘরে তুলল সেলেকাওরা।

Advertisement

উরুগুয়েকে হারিয়ে তৃতীয় স্থানে থেকে কোপা সফর শেষ করলেও রেফারিং নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি। ব্রাজিলকে জেতাতেই এমন রেফারিং হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছিলেন এলএম টেন। কিন্তু মারাকানায় ফাইনালের মঞ্চে ব্রাজিল তারকাকেই লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হল।  ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে ২-১ এগিয়ে থাকাকালীন ফাউল করে জোড়া হলুদ কার্ড দেখে মাঠের বাইরে চলে যান গ্যাব্রিয়েল জেসুস। রেফারির সিদ্ধান্ত মেনে নিতে না পারলেও তাঁর স্বস্তি একটাই, ফাইনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মাঠ ছাড়ার আগে অন্তত একটা গোল করে দলকে এগিয়ে দিয়ে যেতে পেরেছেন ম্যান সিটি স্ট্রাইকার। আর দল চ্যাম্পিযন হওয়ার পরই মেসিকে একহাত নিলেন তিতে। রেফারিং প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “মেসিকে আরও পরিণত আচরণ করতে হবে। রেফারির সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে টুর্নামেন্টের প্রতি সম্মান দেখাতে হবে। আমাদের অনেক ম্যাচেও রেফারিংয়ের প্রভাব পড়েছে। এমনকী, বিশ্বকাপেও। সবারই কিছু না কিছু সমস্যা হয়। কিন্তু যে মানের ফুটবলার, তাতে ওকে বিষয়গুলি বুঝে মেনে নিতে হবে।”

এদিকে এদিন শুরু থেকেই পেরুর বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে খেলে ব্রাজিল। প্রথমার্ধে এভারটনের গোলে পিছিয়ে পড়ে সমতা ফেরালেও দ্বিতীয়ার্ধে দশজনের ব্রাজিলের বিরুদ্ধেও অবশ্য ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি সফরকারীরা। আর শেষ মুহূর্তে ব্রাজিলকে পেনাল্টি উপহার দিয়ে জয়ের সব আশায় জল ঢেলে দেয় তারা। তবে কুটিনহো ও ফিরমিনো গোলের সুযোগ হাতছাড়া না করলে আরও বড় ব্যবধানে জিততেই পারত তিতের দল।

[আরও পড়ুন: এগিয়ে গিয়েও লজ্জার হার, ইন্টার কন্টিনেন্টাল কাপের শুরুতেই ধাক্কা সুনীলদের]

তবে নেইমারের অনুস্থিতিতে দলকে জেতানোর কৃতিত্ব কোচ ছাড়াও আরেকজনের প্রাপ্য। তিনি দানি অ্যালভেস। প্রথম ব্রাজিলীয় হিসেবে দলের ৪০টি ট্রফি জয়ের অংশিদার হলেন তিনি। ২০০৭-এর পর দ্বিতীয়বার দলের জার্সি গায়ে কোপা চ্যাম্পিয়ন হলেন।  শুধু নেতৃত্বেই নয়, পারফর্মার হিসেবেও লেটার মার্কস নিয়ে পাশ করলেন প্রাক্তন বার্সেলোনা ডিফেন্ডার। টুর্নামেন্টের সেরা হয়ে মুখের হাসি চওড়া হল তাঁর। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.