BREAKING NEWS

২৬ শ্রাবণ  ১৪২৭  মঙ্গলবার ১১ আগস্ট ২০২০ 

Advertisement

ইস্টবেঙ্গলকে আইএসএলে খেলাতে উদ্যোগ মুখ্যমন্ত্রীর! সাধুবাদ জানালেন সুজন চক্রবর্তী

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: June 28, 2020 1:20 pm|    Updated: June 28, 2020 5:02 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সব খেলার সেরা বাঙালির তুমি ফুটবল…। রাজনৈতিকভাবে সম্পূর্ণ ভিন্ন মেরুতে অবস্থান দু’জনের। একজন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অপরজন, বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী (Sujan Chakraborty)। সচরাচর রাজ্যের দুই যুযুধান প্রতিপক্ষকে কোনও বিষয়ে ঐক্যমত হতে দেখা যায় না। এ হেন দুই রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে এক ছাতার তলায় এনে দিল ফুটবল। প্রসঙ্গ, ইস্টবেঙ্গলের আইএসএলে খেলা। যে প্রসঙ্গে একমত দু’জনেই। বাংলার ঐতিহ্যবাহী এই ক্লাবটির এই মরশুমেই আইএসএলে সুযোগ পাওয়া উচিত, মনে করছেন দু’জনেই। যা নিশ্চিত করতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নাকি উদ্যোগীও হয়েছেন। মমতার সেই উদ্যোগকে স্বাগত জানালেন সুজনবাবু।

East-bengla-Mamata
পড়শি ক্লাব মোহনবাগান ইতিমধ্যেই এটিকের (ATK) সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে আইএসএলে (ISL) খেলার ছাড়পত্র পেয়ে গিয়েছে। এবার পালা ইস্টবেঙ্গলের। এখনও ইনভেস্টরের নাম ঘোষণা করতে না পারলেও, লাল-হলুদ শীর্ষকর্তার শুরু থেকেই দাবি করে আসছেন, ইস্টবেঙ্গল (East Bengal) এই মরশুমেই আইএসএল খেলবে। শোনা যাচ্ছে খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ইস্টবেঙ্গলকে আইএসএলে খেলার সুযোগ করে দিতে উদ্যোগী হয়েছেন। ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী নিজে ফেডারেশন সভাপতি প্রফুল্ল প্যাটেলকে অনুরোধ করেছেন তাঁদের আইএসএলে খেলার সুযোগ করে দিতে। মমতার এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানালেন সিপিএম নেতা। গত ১৮ জুন মমতাকে একটি চিঠি লেখেন সুজনবাবু। শনিবার রাতে সেই চিঠি প্রকাশ্যে আসে।

[আরও পড়ুন: ফুটবল ফেডারেশন-সহ ৫৪টি ক্রীড়া সংস্থার অনুমোদন বাতিল করল কেন্দ্রীয় ক্রীড়াদপ্তর]

চিঠিতে সুজনবাবু লিখছেন, “রাজ্যের তিন ঐতিহ্যবাহী ক্লাব মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল এবং মহামেডান স্পোর্টিং। মহামেডান এখনও আইএসএলে খেলার মতো মান অর্জন করতে না পারলেও, মোহনবাগান এবং ইস্টবেঙ্গলের সেই যোগ্যতা আছে। মোহনবাগান ইতিমধ্যেই এটিকের সঙ্গে যুক্ত হয়ে আইএসএলে খেলা নিশ্চিত করেছে। ইস্টবেঙ্গলও যাতে আইএসএলে খেলার ছাড়পত্র পায়, তা নিশ্চিত করতে আপনি উদ্যোগী হয়েছেন। এটা খুবই আশাপ্রদ খবর।” এ প্রসঙ্গে পার্শ্ববর্তী রাজ্য ওড়িশার ক্লাব ওড়িশা এফসির কথা উল্লেখ করে সুজনবাবু বলছেন, “ওড়িশার একটি ক্লাবকে আইএসএলে খেলানোর ব্যাপারে সেখানকার সরকার যেভাবে সাহায্য করেছে, পশ্চিমবঙ্গ সরকারও সেভাবে ক্রীড়া পরিকাঠামো গঠন করে রাজ্যের ক্লাবগুলির পাশে দাঁড়াবে। এটাই আমাদের আশা।”

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement