সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লিগ শেষ হবে এখনও সপ্তাহ খানেক দেরি৷ কিন্তু এবারের আই লিগ চ্যাম্পিয়ন কে হবে চলেছে, সেই সংক্রান্ত যাবতীয় প্রশ্নের উত্তর পেতে শনিবারের ম্যাচের দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন ফুটবলভক্তরা৷ শক্তিশালী মোহনবাগানের সামনে ফের ভারতসেরা হওয়ার হাতছানি৷ আর অন্যদিকে ঘরের মাঠে নিজেদের প্রমাণ করার জোর তাগিদ আইজল এফসির৷ সব মিলিয়ে জমজমাট একটা হাইভোল্টেজ ম্যাচের সাক্ষী হতে চলেছেম সমর্থকরা৷ কিন্তু মাঠে নামার আগে চিন্তার ভাঁজ বাগান ফুটবলারদের মাথায়৷
[জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা ফাঁস, পুলিশের নজরে ২০০০ মাদ্রাসা-মসজিদ]
শুক্রবার প্র্যাকটিসে কুঁচকিতে সামান্য চোট পান ডাফি৷ বেশ কিছুক্ষণ চলে শুশ্রূষা৷ তবে সে চোট গুরুতর নয়৷ তার উপর আইজলের আকাশের মুখ ভার৷ গতকাল বর্ষণের ধারার সঙ্গে চলছিল মেঘের খেলা৷ তবে এসবের মধ্যেও ফুটবল উন্মাদনায় এতটুকু ভাটা পড়েনি পাহাড়ে ঘেরা শহরে৷ আট হাজার আসনের যে একটিও ফাঁকা থাকবে না, তেমন খবরই মিলল৷ দলমত নির্বিশেষে সকলেই যে আসছেন মোহনবাগান-আইজল ম্যাচের সাক্ষী থাকতে৷

গতবছর এই দলটা নেমে গিয়েছিল আই লিগ থেকে৷ গোয়া-পুণেরা একজোট হয়ে যদি আই লিগ থেকে নিজেদের নাম প্রত্যাহার না করত তাহলে আইজলকে এবার হয়তো লড়তে হত সাদার্ন সমিতি, মহামেডানের সঙ্গে৷ আই লিগে মূলপর্বে ওঠার জন্য৷ অথচ সেই দল কিনা আজ পাহাড়ের বুকে ইতিহাস গড়ার মুখে দাঁড়িয়ে রয়েছে৷ বাগানের ঘরের মাঠে যা করে দেখাতে পারেনি, এদিন সেটাই করতে বদ্ধপরিকর তারা৷ হারের বদলা নিতে প্রস্তুত দল৷ মোহনবাগানিরা কি সেখানে পিছিয়ে? বিকেলে একঘণ্টা প্র্যাকটিস করে সন্ধে সাড়ে চারটে নাগাদ মাঠ ছাড়লেন সোনিরা৷ দেখা গেল টিম বাসের সামনে রিপোর্টার-ফটোগ্রাফার মহলের হুড়োহুড়ি৷ কেন? কলকাতা থেকে আসা জনা সত্তর সমর্থকের টিম বাসকে ঘিরে স্লোগান চলছে৷ সচিব অঞ্জন মিত্র অসুস্থ শরীর নিয়ে সপরিবার চলে এসেছেন এই ম্যাচের সাক্ষী থাকতে৷ সত্যিই যেন উৎসবের আমেজে ঢেকে গিয়েছে আইজল৷
[মধুর প্রতিশোধ, রায়নার দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে পরাস্ত কেকেআর]

কিন্তু এই ম্যাচের উপর কি সত্যিই আই লিগের ভাগ্য নির্ভর করবে? অঙ্ক বলছে নাও করতে পারে৷ যদি আইজল জেতে৷ তাও দু’গোলের ব্যবধানে জিতলে তবেই শেষ হাসি হাসতে পারে খালিদ জামিলের দল৷ সেক্ষেত্রে তাদের শেষ ম্যাচে শিলং লাজংকে হারাতে হবে৷ গতবার জহর দাসের কোচিংয়ে আইজলের মাটিতে হেরেছিল মোহনবাগান৷ এবার অবশ্য সবচেয়ে সহজ রাস্তার সামনে দাঁড়িয়ে মোহনবাগান৷ যেখানে জিতলে তো কথাই নেই, ড্র করলেও লিগ প্রায় পকেটে পুরে ফেলতে পারবে৷ কলকাতায় সোনিদের শেষ ম্যাচটা তখন জেতা জরুরি৷ মোহনবাগানের ইতিহাস বলছে, এইসব ম্যাচেই সবুজ-মেরুনের দাপট থাকে বেশি৷
সর্বশেষ খবর
-
‘সিক্স প্যাক, তোমাকে দেখার অপেক্ষায়’, প্রথমবার বেবি বাম্প দেখিয়ে মিষ্টি বার্তা হবু মা সামান্থার
-
হাসপাতালে রোগীকে পরপর লাথি! ভিডিও ভাইরাল হতেই সাসপেন্ড মহিলা স্বাস্থ্যকর্মী
-
বর্ষায় বেহাল রাস্তায় অ্যাম্বুল্যান্স দূর, হাঁটাই দুষ্কর! রোগীকে চটের বস্তায় ঝুলিয়ে হাসপাতালে পরিবার
-
সেবাশ্রয়ে হাতুড়ে ডাক্তার দিয়ে চিকিৎসা, জোর করে আনা হত লোক! অভিষেকের বিরুদ্ধে ফের থানায় ববি
-
টলিপাড়ার অচলাবস্থা কাটাতে অস্থায়ী কমিটি পাপিয়ার, ‘কনফেডারেশনের সঙ্গে বিজেপির সম্পর্ক নেই’, জানালেন শমীক