Advertisement
Advertisement
ফুটবলের মহাযুদ্ধ
Vinicius Jr

স্কুটারের গতির সঙ্গে পাল্লা দিতেন ভিনি! ‘পাড়ার ছেলে’র হাতে বিশ্বকাপ দেখতে মুখিয়ে পড়শিরা

স্কলারশিপের জন্য চেষ্টা করেও কেন ছোটবেলায় বাদ পড়েছিলেন ভিনিসিয়াস?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৯, ২০২৬, ২০:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৯, ২০২৬, ২০:১৮

options
link
স্কুটারের গতির সঙ্গে পাল্লা দিতেন ভিনি! ‘পাড়ার ছেলে’র হাতে বিশ্বকাপ দেখতে মুখিয়ে পড়শিরা zoom
ভিনিসিয়াস জুনিয়র

‘দ্য বেস্ট ইন দ্য ওয়ার্ল্ড, কেম ফ্রম হেয়ার…’

বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ, এখান থেকেই গিয়েছেন।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

রিও ডি জেনেইরোর সোন গানসালো এলাকার ফ্ল্যামেঙ্গো সকার স্কুলের ছোট মাঠটার পাশের এক দেওয়াল জুড়ে লেখা এই লাইন।

কেন?

আসলে এই মাঠেই যে ফুটবলের হাতেখড়ি, থুরি, পায়েখড়ি হয়েছিল তাঁর।

হতে পারেন তিনি ফুটবলবিশ্বের মহাতারকা। তবে রিওর সোন গোনসালোর নাগরিকদের জন্য তিনি পাশের বাড়ির ছেলে।

তাঁর বয়স তখন আট। যখন স্থানীয় টুর্নামেন্ট খেলতেন, তখনই তাঁর গতি ছিল এমন যে, মাঠের ধারে দাঁড়িয়ে থাকা দর্শকরা নাকি চিৎকার করে বলতেন, “ওরে একটা স্কুটার আন। নাহলে ওকে আটকানো যাবে না…”

তিনি ভিনিসিয়াস জুনিয়র (Vinicius Jr)।

তবে বাচ্চা ভিনির এই ট্যালেন্ট এক সময় আবার তাঁর পথের কাঁটাও হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

স্থানীয় টুর্নামেন্টগুলিতে সেই সময় ছ’-সাত গোলের কম মারতেন না ভিনিসিয়াস। তাঁর খেলায় মোহিত হয়ে তাঁকে নিজেদের ওদেতে সাও পাইয়ো স্কুলে ভর্তি করাতে চেয়েছিলেন সেই স্কুলের ফুটসল দলের কোচ ফার্নান্দো লেসা। সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর সটান চলে গিয়েছিলেন ডিরেক্টর দিয়েগো সাও পাইয়োর কাছে। বলেছিলেন, “স্যর ছেলেটার মধ্যে এত ট্যালেন্ট আছে, না দেখলে বিশ্বাস করবেন না। ও একদিন দুনিয়া কাঁপাবে। এখুনি ওকে আমাদের স্কুলে অ্যাথলেটিক্স স্কলারশিপ দিয়ে ভর্তি করিয়ে নিন।” কিন্তু বিধি বাম। দিয়েগো জানিয়েছিলেন, যা নিয়ম, তাতে এই বৃত্তি পেতে গেলে বয়স কম করে এগারো হতে হয়।

ভিনিসিয়াসের প্রথম ফুটবল স্কুলের কোচ কাকাউ শোনালেন তাঁর সুপারস্টার ছাত্রের একেবারের শুরুর দিনের কথা। ছ’বছর বয়সে প্রথম ফ্ল্যামেঙ্গো ইউথ অ্যাকাডেমিতে আসেন ভিনিসিয়াস। প্রথম দিন থেকেই ফুটবল স্কিলে নিজেকে বাকিদের থেকে অন্য আসনে বসিয়ে ফেলেছিল ছোট্ট ছেলেটা। এখনও কোনও টুর্নামেন্ট চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর যখন বাড়ি ফেরেন ভিনিসিয়াস, দেখা করেন কাকাউ, তাঁর সহকর্মী ভ্যালেরিয়াদের সঙ্গে। তাঁদের অ্যাকাডেমি জুড়ে ভর্তি হয়ে রয়েছে ভিনিসিয়াসের বিভিন্ন জার্সি, অটোগ্রাফড ফটো। শেষবার ফেব্রুয়ারিতে এসে রিয়াল মাদ্রিদে নিজের জার্সি দিয়ে গিয়েছেন ভিনি। সেসবের ডালি সাজিয়ে পুরনো দিনের গল্প বলার মাঝে কাকাউ বলছিলেন, “ও যখন আট, তখন আমরা ঠিক করি, এবার ওকে বিভিন্ন টুর্নমেন্টে পাঠাব। সেই বয়সেই পায়ে বল আসার পর কী করবে, তা যেন ও স্পষ্ট দেখতে পেত। একবার একটা ম্যাচে ওর স্পিড দেখে এক দর্শক তো চিৎকার করে বলেই ফেলল যে, একটা স্কুটার নিয়ে আয়। নাহলে ছেলেটাকে রোখা যাবে না। বদলে ভিনির জন্যও বিশেষ উপহার বানিয়েছে ফ্ল্যামেঙ্গো সকার স্কুল। দেওয়ালজুড়ে গ্রাফিটিতে লিখে রেখেছে, বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ এখান থেকেই গিয়েছেন।

ভারতীয় সময় শনি ভোরে হাইতির বিরুদ্ধে ব্রাজিলের হেক্সা জয়ের দৌড় নতুন করে শুরুর খেলায় নামবেন ভিনিসিয়াস জুনিয়র। আর মাঠের বাইরে প্রার্থনা চালিয়ে যাবেন তাঁকে ছোট থেকে মহামানব হয়ে উঠতে দেখা মানুষগুলো।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.