Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৭ জুলাই ২০২৬

কলিঙ্গের গরমই আজ পাহাড় টপকাতে সুভাষের অক্সিজেন

সুপার কাপের শেষ আটে ইস্টবেঙ্গলের প্রতিপক্ষ চেনা আইজল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১২, ২০১৯, ১৪:৩২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১২, ২০১৯, ১৪:৩২

options
link
কলিঙ্গের গরমই আজ পাহাড় টপকাতে সুভাষের অক্সিজেন zoom

সোম রায়: দৃশ্য ১- শনিবার সকাল আটটা। কলিঙ্গ স্টেডিয়াম লাগোয়া মাঠে প্র্যাকটিস করছে ইস্টবেঙ্গল। পারদের তাপমাত্রা উঠেছে ৩৫ ডিগ্রি। অস্বস্তি আরও বাড়াচ্ছে চ্যাপচ্যাপে ঘাম। আশ্চর্যজনক ভাবে মাঠের বাইরে বসে মুচকি হাসি বছর সত্তরের মানুষটার মুখে!

দৃশ্য ২- বিকেল সাড়ে পাঁচটা। হঠাৎ কালো করে এল ভুবনেশ্বরের আকাশ। নন্দনকানন রোডের দোকান থেকে একলাফে বাইরে এসে দু’হাত ছড়িয়ে বৃষ্টির ‘স্বাদ’ নিচ্ছে বছর সাতেকের পুঁচকে ছেলে। স্বস্তির নিশ্বাস ফেলছে গোটা শহর। অথচ আকাশের মতোই মুখ গোমড়া করে হোটেলের লবিতে বসে সেই বছর সত্তরের মানুষ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
[কমনওয়েলথে রেকর্ড ভারোত্তোলক মীরাবাই চানুর, ভারতের ঝুলিতে প্রথম সোনা]

দু’টোই সুভাষ ভৌমিক। কেন এহেন বৈপরীত্য? মাথা ঝাকিয়ে বললেন, “সহজ ব্যাপার। ওরা (আইজল) পাহাড়ে থেকে অভ্যস্ত। গরমটা বেশি হলে ম্যাচের আগেই কাজ অনেকটা সহজ হয়ে যেত না?” মাঠের বাইরের কাজ ‘সহজ’ হল না। তা বলে কি বসে ইস্টবেঙ্গল? মোটেই না। নিজেদের কাজ পুরোদমে করে চলেছেন সুভাষ-খালিদ জুটি। ‘কাজ’ করতে পারছেন না। কলকাতায় ইস্টবেঙ্গল প্র‌্যাকটিসে গত কয়েকদিন বারবার বলেছেন কোচ খালিদ জামিল। শনিবারের ভুবনেশ্বর অবশ্য দেখল অন্য ছবি। মাঠে ফুটবলারদের সিচুয়েশন প্র্যাকটিস করালেন খালিদ। টিডি সুভাষ মাঠের পাশে চেয়ারে বসে যা দেখলেন আগাগোড়া। আসলে তিনি পরীক্ষার আগের দিন নতুন করে পড়ায় বিশ্বাসী নন। শুধু হালকা রিভিশন। সেটাই টিম করায় খুশি সকালের সুভাষ।

[কাটসুমি-আমনা যুগলবন্দিতে মাঝমাঠে তুফান, সুপার কাপের শেষ আটে ইস্টবেঙ্গল]

আবার কালো মেঘের আড়াল থেকে মাঝেমধ্যে যেমন বিদ্যুতের ঝলকানির দেখা মেলে, বিকেলে টিম হোটেলে তেমনই কয়েকবার পাওয়া গেল সুভাষকে। একটু আগে লবিতে দেখতে পেয়ে গলা জড়িয়ে ধরলেন রবিবারের ‘শত্রু সেনাপতি’ সন্তোষ কাশ্যপকে। লাল-হলুদে সুভাষের প্রত্যাবর্তনের আগে আই লিগে দু’দলের লড়াইয়ে দু’বারই ড্র। সুপার লিগে প্রথম ম্যাচ খেলতে হয়েছে অচেনা আইএসএল শত্রুর বিরুদ্ধে। কোয়ার্টার ফাইনাল কি তাই একটু হলেও সুবিধের? প্রতিপক্ষ চেনা আই লিগ টিম আইজল বলে? সুভাষ বললেন, “প্রথমত আমার কাছে নয়, ওরা চেনা আমার ক্লাবের কাছে। তা ছাড়া শত্রু কখনও চেনা হয় না। কখন কোন সারপ্রাইজ চলে আসে কে বলতে পারে?” একই কথা সকালে সাংবাদিক সম্মেলনে বলেছেন খালিদ। আইজলকেই গতবার আই লিগ চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন। “শুধু সুবিধের কথাই কেন বলছেন? অসুবিধেও তো আছে। ওরাও তো আমাদের চেনে।”

[শাহিদ আফ্রিদিকে তুলোধোনা গম্ভীর, রায়নার! মুখ খুললেন বিরাটও]

এই একটা বিষয়ে ইস্টবেঙ্গল শিবিরে দুই কোচের গলায় এক সুর। কিন্তু এদিনও প্র্যাকটিসে দু’জন ছিলেন দু’প্রান্তে। কিছুটা ঘুরিয়ে বিষয়টা মানলেন সুভাষ। বললেন, “দু’টো মানুষের মতের অমিল তো হবেই। দেখতে হবে তাতে দলের ক্ষতি হচ্ছে, না লাভ? সামান্য টোটকাতেই তো আগের ম্যাচে ছেলেরা স্বপ্নের ফুটবল খেলল।” শুধু সুভাষ কেন? গোটা লাল-হলুদ সেটা চাইছে মাঠে। আজকের ম্যাচেও। ‘বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য’।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.