Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৫ জুন ২০২৬
Mohun Bagan

৮ ম্যাচ পর খসল ‘অপরাজিত’ তকমা, অ্যাওয়ে ম্যাচে গোয়ার কাছে হার মোহনবাগানের

ম্যাচ হারলেও ১২ ম্যাচে ২৬ পয়েন্ট নিয়ে লিগশীর্ষেই রইল মোলিনার দল। তবে চাপ রইল পেত্রাতোসের চোট নিয়েও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২০, ২০২৪, ২১:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২০, ২০২৪, ২১:৪৮

options
link
৮ ম্যাচ পর খসল ‘অপরাজিত’ তকমা, অ্যাওয়ে ম্যাচে গোয়ার কাছে হার মোহনবাগানের zoom

মোহনবাগান: ১ (পেত্রাতোস)
গোয়া: ২ (ব্রিসন ফার্নান্দেজ ২)
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:
আট ম্যাচ পর খসল মোহনবাগানের ‘অপরাজিত’ তকমা। অ্যাওয়ে ম্যাচে গোয়ার কাছে হার মানল সবুজ-মেরুন। ম্যাচের ফলাফল গোয়ার পক্ষে ২-১। গোয়ার হয়ে দুটি গোল করেন ব্রিসন ফার্নান্দেজ। মোহনবাগানের হয়ে পেনাল্টি থেকে একটি গোলশোধ করেন পেত্রাতোস। এই ম্যাচ হারলেও ১২ ম্যাচে ২৬ পয়েন্ট নিয়ে লিগশীর্ষেই রইল মোলিনার দল।

মোহনবাগান শেষ ম্যাচ হেরেছিল সেপ্টেম্বর মাসে বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে। তারপর জোড়া ডার্বিসহ একাধিক ম্যাচ জিতেছে মোলিনার দল। মাঝে শুধু ড্র করেছিল ওড়িশার বিরুদ্ধে। গতম্যাচে কেরালাকে শেষ মুহূর্তের গোলে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসে টগবগ করে ফুটছিলেন আলবার্তো রদ্রিগেজরা। কিন্তু এদিন ফাতোরদা স্টেডিয়ামে প্রত্যাশিত কামব্যাকটি হয়নি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

গোয়া ম্যাচের আগে মোহনবাগান কোচ মোলিনার বক্তব্য ছিল, ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চান। সেই অনুযায়ী চেনা ফুটবল ঘরানাই তুলে ধরতে চেয়েছিলেন পেত্রাতোসরা। কেরালার কামব্যাকের দলই নেমেছিল গোয়ার বিরুদ্ধে। কিন্তু ঘরের মাঠে চাপ বাড়াতে থাকে গোয়া। যার ফল মিলল ১৩ মিনিটের মধ্যেই। ব্রিসন ফার্নান্দেজের শট টম অলড্রেডের গায়ে লেগে আচমকা দিক পরিবর্তন করে। মোহনবাগানের গোলকিপার বিশাল কাইথ ঝাঁপ দিয়েছিলেন অন্য দিকে। তাঁকে স্তম্ভিত করে জালে বল জড়িয়ে যায়। তারপরও ধারাবাহিকভাবে চাপ বজায় রেখেছিল গোয়া। প্রথমার্ধে ব্যতিব্যস্ত থাকতে হয়েছিল বিশালকে। যদিও মনবীররা উইং দিয়ে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু গোলের মুখ খুলতে পারেননি। সহজ সুযোগ মিস করেন পেত্রাতোস। একেবারেই চোখে পড়েননি ম্যাকলারেন।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই চমকে দেন সাহাল আব্দুল সামাদ। তাঁর দূরপাল্লার শট কোনওমতে সামলান গোয়ার গোলকিপার। কিন্তু টানা চাপ সামলাতে পারেনি তারা। সবুজ-মেরুনের প্রাক্তন স্ট্রাইকার আর্মান্দো সাদিকুর হ্যান্ডবলে পেনাল্টি পায় মোহনবাগান। সেখান থেকে দলকে এগিয়ে দেন পেত্রাতোস। কিন্তু চাপও রইল। খানিক পরেই চোট পেয়ে মাঠ ছাড়লেন তিনি। একে গ্রেগ স্টুয়ার্ট নেই। তার উপর পেত্রাতোসও চোট পেলেন। তিনি মাঠ ছেড়ে উঠে যাওয়ার খানিকক্ষণের মধ্যেই দ্বিতীয় গোল হজম করে মোহনবাগান। রক্ষণভাগকে বোকা বানিয়ে হেডে গোল করে যান সেই ব্রিসন। বোরহার বাঁকানো বল যখন বক্সে ভেসে আসছে, তখন কেউই ব্রিসনকে খেয়ালই করেননি। আর সেটাই পার্থক্য গড়ে দিল। জেসন কামিংস থেকে আশিক কুরুনিয়ান, কেউই সেই ‘হিরো’ হয়ে উঠতে পারেননি। শেষের দিকে চাপ দিয়েও কেরালা ম্যাচের মতো মির‍্যাকল ঘটাতে পারেননি কেউ।

বড়দিনের আগে গোয়া থেকে খালি হাতেই ফিরবে মোহনবাগান। অন্যদিকে ঘাড়ের কাছে নিঃশ্বাস ফেলছে বেঙ্গালুরু। ১২ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ২৪। গোয়াকে হারাতে পারলে শীর্ষস্থান আরও পাকাপোক্ত হত সবুজ-মেরুনের জন্য। কিন্তু তার বদলে লিগের সাপ-লুডোর খেলা আরও জমে উঠল। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.