Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ২৩ আগস্ট ২০২৬
East Bengal

দশ জনে লড়ে বেঙ্গালুরুর সঙ্গে ড্র, ইস্টবেঙ্গলের খেতাবের লড়াই আরও কঠিন

মহামেডানকে সাত গোলে উড়িয়ে দেওয়ার পর চেন্নাইয়িনের বিরুদ্ধে জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। যে কারণে সমর্থকরাও আশায় বুক বেঁধেছেন, যদি বেঙ্গালুরুকে ঘরের মাঠে হারিয়ে দেওয়া যায়, তাহলে লিগ শীর্ষে থাকা মুম্বইয়ের ঘাড়ে উঠে পড়া যাবে। পয়েন্ট টেবিলে বড়সড় লাফ দেওয়ার হাতছানি ছিল। কিন্তু ঘরের মাঠে সেই সুযোগ হেলায় হারাল ইস্টবেঙ্গল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৬, ২০২৬, ২১:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৬, ২০২৬, ২১:৪২

options
link
দশ জনে লড়ে বেঙ্গালুরুর সঙ্গে ড্র, ইস্টবেঙ্গলের খেতাবের লড়াই আরও কঠিন zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

বেঙ্গালুরু এফসি: ৩ (আশিক, সুরেশ, উইলিয়ামস)
ইস্টবেঙ্গল: ৩ (আনোয়ার, ক্রেসপো, সোজবার্গ)

পয়েন্ট টেবিলে বড়সড় লাফ দেওয়ার হাতছানি ছিল। কিন্তু ঘরের মাঠে সেই সুযোগ হেলায় হারাল ইস্টবেঙ্গল। চোট সমস্যায় জেরবার হয়েও লাল-হলুদ শিবির সমানে সমানে লড়াই করবে বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে, আশায় ছিল ভক্তকুল। লড়াইটা সমানে হল, কিন্তু অহেতুক মাথা গরম করে তিন পয়েন্টের আশায় জল ঢেলে দিলেন অস্কার ব্রুজোর ছাত্ররা। শেষ মুহূর্তের অনবদ্য গোলে এক পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ল ইস্টবেঙ্গল। 

Advertisement

মহামেডানকে সাত গোলে উড়িয়ে দেওয়ার পর চেন্নাইয়িনের বিরুদ্ধে জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। যে কারণে সমর্থকরাও আশায় বুক বেঁধেছেন, যদি বেঙ্গালুরুকে ঘরের মাঠে হারিয়ে দেওয়া যায়, তাহলে লিগ শীর্ষে থাকা মুম্বইয়ের ঘাড়ে উঠে পড়া যাবে। কিন্তু সমস্যা যেন লাল-হলুদ শিবিরের নিত্যসঙ্গী। চোটের জন্য আইএসএল শেষ হয়ে গিয়েছে নাওরেম মহেশের। মিডফিল্ডের প্রাণভোমরা রশিদও চোট পেয়ে নামতে পারলেন না ম্যাচে।

বৃহস্পতিবারের যুবভারতীতে ম্যাচের প্রথম মিনিট থেকেই সেয়ানে সেয়ানে টক্কর দুই দলের মধ্যে। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের উত্তাপ দুই দলের মধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছিল। আগ্রাসী মেজাজ ধরা পড়ছিল সিবিলে-আনোয়ারদের মধ্যে। মাত্র ৬ মিনিটের মধ্যেই রেফারি প্রথম কার্ড দেখাতে বাধ্য হলেন। তার ঠিক ৬ মিনিট বাদেই গোল। প্রাক্তন মোহনবাগানি আশিক কুরুনিয়নের গোলে এগিয়ে যায় বেঙ্গালুরু। ২১ মিনিটে অনবদ্য বাইসাইকেল কিকে সমতা ফেরালেন আনোয়ার আলি।

তারপরেই লাল-হলুদের ছন্দপতন। অহেতুক মেজাজ হারিয়ে লাল কার্ড দেখলেন মিগুয়েল। সেখান থেকে লাল-হলুদের খেলার ঝাঁজটাই উধা হয়ে গেল। কাঁধ ঝুলে যাওয়া শৌভিক চক্রবর্তীদের মাথাব্যথা বাড়িয়ে ৩৯ মিনিটে আবার বেঙ্গালুরুর গোল। তবে গোলের নেপথ্যে সুরেশের শটের চেয়েও বেশি কৃতিত্ব প্রভসুখন গিলের নির্বুদ্ধিতা। ২-১ পিছিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করে লাল-হলুদ ব্রিগেড।

ম্যাচের বয়স যখন ৫৬ মিনিট, চোখ ধাঁধানো দূরপাল্লার শটে সমতা ফেরালেন সল ক্রেসপো। তবে শেষের আধঘণ্টা আনোয়ার বেরিয়ে যাওয়া আরও ভঙ্গুর হয়ে পড়ল ইস্টবেঙ্গলের রক্ষণ। তিন মিনিটের মধ্যেই প্রায় শুয়ে পড়ে গোলমুখী শট মারলেন উইলিয়ামস। গড়াতে গড়াতে বল চলে গেল গোলে। লাল-হলুদ সমর্থকরা ধরেই নিয়েছেন, হার অবশ্যম্ভাবী। কিন্তু শেষ মুহূর্তে নায়ক হয়ে উঠলেন সোজবার্গ। শেষ মিনিটে দুরন্ত গোল করে এনে দিলেন একটা মূল্যবান পয়েন্ট। পয়েন্ট টেবিলে তিন নম্বরে উঠে এল ইস্টবেঙ্গল। তবে এদিনের ম্যাচে পয়েন্ট নষ্ট করে খেতাবি লড়াই কঠিন করে ফেলল লাল-হলুদ। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.