আইএসএল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার ক্ষেত্রে অঙ্কের বিচারে এখনও সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সেটা যথেষ্টই কঠিন। প্রথমত দিল্লি এফসির বিরুদ্ধে নিজেদের বড় ব্যবধানে জিততে হবে শেষ ম্যাচ। অন্যদিকে তাকিয়ে থাকতে হবে ইস্টবেঙ্গল ইন্টার কাশী ম্যাচের দিকেও। সেই ম্যাচের ফলাফল যথেষ্টই গুরুত্বপূর্ণ।
মোহনবাগানের বিরুদ্ধে ইন্টার কাশী গোলশূন্য ড্র করায় অভিজিৎ মণ্ডলের দল কেমন পারফরম্যান্স করে সেদিকেও নজর থাকবে মোহনবাগান শিবিরের। যদি ইন্টার কাশীর সঙ্গে ড্র করে ফেলে ইস্টবেঙ্গল ওদিকে মোহনবাগান জিতে যায় তাহলেও চ্যাম্পিয়ন হতে পারেন জেমি ম্যাকলারেনরা। এই মুহূর্তে দুই প্রধান পয়েন্টের বিচারে এক হলেও গোল পার্থক্যে ইস্টবেঙ্গল পাঁচ গোলে এগিয়ে রয়েছে। অর্থাৎ শেষ ম্যাচে ইস্টবেঙ্গল যত গোলে জিতবে সেই গোলের সঙ্গে পাঁচ গোল যোগ করে যে গোল সংখ্যা বেরবে সেই গোলের ব্যবধানে মোহনবাগান যদি দিল্লি এসসি ম্যাচ জেতে তাহলেও মোহনবাগান চ্যাম্পিয়ন হতে পারে।
আরও পড়ুন:

যদিও মোহনবাগান কোচ এখনই হাল ছাড়তে নারাজ। এই সব অঙ্ক মাথায় নিয়েও সার্জিও লোবেরা বলেন, “আমাদের বিশ্বাস রাখতে হবে। কারণ, আমাদের আরও একটা ম্যাচ খেলতে হবে। একই সঙ্গে বড় ব্যবধানে জিততেও হবে। তাই শেষ পর্যন্ত বিশ্বাস রাখতেই হবে। ভেঙে পড়লে চলবে না। শেষ ম্যাচে উচ্চাকাঙ্খী হয়ে নিজেদের কাজটা করে যাওয়া। তারপর দেখা যাক কি হয়।”
তবে মোহনবাগানের এমন অবস্থার জন্য কামিংসরাই দায়ী। বিশেষ করে মোহনবাগানের আক্রমণভাগ। শেষ কয়েকটি ম্যাচে আক্রমণভাগের ব্যর্থতার জন্য গোল তুলে না আনতে পারার জন্যই ড্র হয়েছে একাধিক ম্যাচ। ফলে অ্যাডভান্টেজ পজিশন থেকে দূরে সরে গিয়েছে মোহনবাগান। তবে কোচ এখনও আশাবাদী।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
স্বজনপোষণ, দুর্নীতি! হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির
-
বাংলার আকাশে দুর্যোগের ঘনঘটা! দুই জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস, বর্ষণ কলকাতাতেও
-
কোহলিই এগিয়ে, পরিসংখ্যানে শচীনের মহত্ব মেনেও নিজের অবস্থানে অনড় ডিভিলিয়ার্স
-
মানস সরোবরের পথে নিখোঁজ দুর্গাপুরের দম্পতি, সব মিলিয়ে নেপালে নিখোঁজ বাংলার ৩৬
-
প্রকৃতির রুদ্র তাণ্ডবে তছনছ বুদ্ধের দেশ! নেপালে ভয়ংকর হড়পা বানের নেপথ্যে কোন কারণ?