২৮ আশ্বিন  ১৪২৬  বুধবার ১৬ অক্টোবর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

মহামেডান: ৩ (ওমোলো, তীর্থঙ্কর, চিডি)

মোহনবাগান: ২ (বেইতিয়া, চামোরো)

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের চাপের মুখে মুখ থুবড়ে পড়ল কিবু ভিকুনার মোহনবাগান। মিনি ডার্বিতে ‘রক্ষণহীন’ সবুজ-মেরুন শিবিরকে হারিয়ে দিল মহামেডান। এদিনের রক্ষণে গুরজিন্দর, কিমকিমারা থাকলেও, মহামেডান আক্রমণের সামনে তাদের চোখেই পড়ল না। একপ্রকার রক্ষণহীন দশা হল সবুজ মেরুনের। ফলস্বরূপ আক্রমণভাগে ক্ষীপ্রতা দেখালেও ৩-২ গোলে ম্যাচ হারতে হল মোহনবাগানকে।

[আরও পড়ুন: অঘটনের ঘরোয়া লিগ! ভবানীপুরকে হারিয়ে খেতাব জয়ের আরও কাছে পিয়ারলেস]

গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচকে অতিরিক্তি গুরুত্ব দিয়েই দেখছিলেন মোহনবাগান কোচ। আগেই জানিয়ে রেখেছিলেন, লিগে কোনও দুর্বল দল নেই। তাই কাউকে হালকাভাবে নেওয়া যাবে না। কিন্তু, তাঁর সেই কথার প্রভাব খেলার মাঠে দেখা গেল না। ম্যাচের শুরুটা বিভ্রান্তের মতোই করল মোগনবাগান। মহামেডানের চিডি, ওমোলোজা আর তীর্থঙ্করদের আক্রমণের সামনে অসহায়ভাবে আত্মসমর্পণ করল মোহনবাগানের রক্ষণ। ম্যাচের মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যেই জোড়া গোল হজম করে ব্যাকফুটে চলে গেল সবুজ মেরুন শিবির। এদিন প্রথম থেকেই ত্রিফলাকে ব্যবহার করে আক্রমণের পথে হাঁটেন মহামেডানের টিডি দীপেন্দু বিশ্বাস। তাঁর সেই আক্রমণের সামনে গুরজিন্দর-কিমকিমারা দাঁড়াতেই পারলেন না। প্রথম ১৫ মিনিটে মোহনবাগান আরও গোল খায়নি সেটাই ভাগ্যের ব্যপার।

[আরও পড়ুন: জীবনের সেরা গোলের চেয়েও ভাল অনুভূতি বান্ধবীর সঙ্গে সঙ্গম, স্বীকারোক্তি রোনাল্ডোর]

মিনিট পনেরোর পরে অবশ্য কিছুটা ম্যাচে ফেরে সবুজ মেরুন শিবির। ম্যাচের ২৪ মিনিটে দুর্দান্ত ফ্রি-কিক থেকে গোল করে ব্যবধান করেন বেইতিয়া। দ্বিতীয়ার্ধের মিনিট পনেরো খেলা পেরতেই ব্যবধান আরও বাড়িয়ে দেন মহামেডানের জন চিডি। ৮২ মিনিটে সালভা চামোরো গোল করে ব্যবধান কমালেও শেষরক্ষা হয়নি বাগানের। হারের ফলে ৭ ম্যাচে ১৪ পয়েন্টেই দাঁড়িয়ে রইল মোহনবাগান। অন্যদিকে, মহমেডান ১৬ পয়েন্ট নিয়ে চলে গেল দ্বিতীয় স্থানে। এদিনের হারের ফলে মোহনবাগানের লিগ জয়ের আশা কার্যত শেষ। অন্যদিকে, মহামেডান এখনও লিগ জয়ের আশা জিইয়ে রাখল। তবে, এই মুহূর্তে লিগের লড়াইয়ে সবার চেয়ে এগিয়ে পিয়ারলেস।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং