Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৫ জুন ২০২৬
Mohun Bagan

‘মনে হচ্ছিল হার্ট অ্যাটাক হয়ে যাবে’, শিল্ড জয়ের উৎসবের মধ্যেই বলছেন কামিংস

শিল্ড ফাইনালের প্রথমার্ধেই পেনাল্টি মিস করেছেন এই অজি তারকা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২০, ২০২৫, ১১:২৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২০, ২০২৫, ১১:২৫

options
link
‘মনে হচ্ছিল হার্ট অ্যাটাক হয়ে যাবে’, শিল্ড জয়ের উৎসবের মধ্যেই বলছেন কামিংস zoom
ফাইল ছবি।

স্টাফ রিপোর্টার: শনিবার প্রথমার্ধেই পেনাল্টি মিস করেছেন। ম্যাচের ফল অন্যরকম হলে সমর্থকরা সমালোচনার ঝড় বইয়ে দিতেন। তবে শেষ পর্যন্ত সে সব কিছুই হয়নি। জেসন কামিংসকে কার্যত বাঁচিয়ে দিলেন সবুজ-মেরুনের বাকি ফুটবলাররাই। ম্যাচ শেষে যখন জয় গুপ্তার শট বাঁচিয়ে বিশাল বলছিলেন, তিনি টেনশনে ছিলেন না। এমনকী মোহনবাগানের হয়ে শেষ টাইব্রেকার শট নেওয়া মেহতাব সিংও চাপের প্রসঙ্গকে পাত্তা দেননি।

ম্যাচ শেষে মেহতাব পালটা প্রশ্ন করেন, “কীসের চাপ?” সেখানে ম্যাচের শেষের দিকে রিজার্ভ বেঞ্চে থাকা জেসন কামিংস বলছেন উলটো কথা। তাঁর নাকি হার্ট অ্যাটাক হওয়ার উপক্রম হয়েছিল। যদিও এর পাশাপাশি জানিয়েছেন, সতীর্থদের ওপর আস্থা ছিল ম্যাচ বের করে আনার। শেষ পর্যন্ত ট্রফি জিতে খুশি মোহনবাগানের এই অজি ফুটবলার। তিনি বলেন, “রিজার্ভ বেঞ্চে বসে আমার হার্ট অ্যাটাকের অবস্থা হয়ে গিয়েছিল। তবে সতীর্থদের ওপর আস্থা ছিল। আমি খুশি, শেষ পর্যন্ত জিততে পেরেছি।” আরও যোগ করেন, “আরও একটা ট্রফি ক্যাবিনেটে এল। দলগতভাবে জিতেছি। এখানে আমরা একটা পরিবারের মতো। এই ট্রফি জয় আমাদের পরিবারের জয় বলা যায়।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কামিংসের পেনাল্টি মিস নিয়ে মাথা ঘামাতে চাননি অধিনায়ক শুভাশিস বসু। তেমনই সতীর্থের পাশেই দাঁড়িয়েছেন আরেক অজি তারকা দিমিত্রি পেত্রাতোস। তিনি বলেন, “পেনাল্টি মিস খেলারই একটা অঙ্গ। জেসনের মানসিক দৃঢ়তা খুব বেশি। একটা ভালো ম্যাচ খেললাম আমরা। অসাধারণ। আমরা জিতলাম। এটা দরকার ছিল। টুর্নামেন্টের একটা ভালো শেষ হল। আমাদের আরও একটা ট্রফি এল।” টাইব্রেকার নিয়ে বিশাল কাইথও আত্মবিশ্বাসী ছিলেন বলেই জানান। তিনি বলেন, “প্রতিদিন প্র্যাকটিসের শেষে আমরা পেনাল্টি শুট আউট প্র্যাকটিস করি। তাই আত্মবিশ্বাসী ছিলাম সবাই টাইব্রেকারে গোল করবে বলে।” পাশাপাশি মোহনবাগান সমর্থকদের উদ্দেশে তিনি আরও যোগ করেন, “আগামী ম্যাচগুলোতেও এই একইরকম সমর্থন আশা করব।” বিশালের মতো সমর্থকদের উদ্দেশে একই কথা বলেন দিমিত্রিও। তিনি আরও যোগ করেন, “আমাদের কাজই ভালো খেলা। জেতা। সমর্থকদের আনন্দ দেওয়া। ট্রফি জয় হল ফুটবলের একটা পুরস্কার। সমর্থকরাই আমাদের টুয়েলভথ ম্যান। টুয়েলভথ ম্যানের মতোই এইভাবে সমর্থন করে যাও আগামী দিনেও।” শিল্ড চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর সামনেই সুপার কাপ। মোহনবাগান অধিনায়ক শুভাশিস বসু জানান, সুপার কাপের আগে এই জয় দলের আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বাড়াল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.