সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জল্পনায় সিলমোহর। নিজের পুরনো ক্লাব স্যান্টোসেই ফিরছেন ব্রাজিলিয় মহাতারকা নেইমার। সোশাল মিডিয়ায় নিজেই ছোটবেলার ক্লাবে ফেরার কথা ঘোষণা করলেন তিনি। সোশাল মিডিয়া পোস্টে নেইমার (Neymar) জানালেন, “আমার ঘনিষ্ঠরা সিদ্ধান্তটা জানে। আমি স্যান্টোস ফুটবল ক্লাবে সই করতে চলেছি। ক্লাব ও সমর্থকদের প্রতি আমার ভালোবাসা কখনও বদলায়নি।”
২০০৯ থেকে ২০১৩ সালে পর্যন্ত ব্রাজিলের ক্লাব স্যান্টোসে খেলেছেন তিনি। ২২৫ ম্যাচে রয়েছে ১৩৬ গোল। তারপর চলে আসেন বার্সেলোনায়। সেখান থেকে প্যারিস সাঁ জাঁ হয়ে চলে যান সৌদির ক্লাব আল হিলালে। কিন্তু স্যান্টোসে যে সাফল্য তিনি পেয়েছিলেন, সেটা আর কোথাও পাননি। বার্সেলোনায় থাকাকালীন বিশ্বজোড়া জনপ্রিয়তা পেলেও তাঁকে বরাবর থাকতে হয়েছে মেসির ছায়ায়। পিএসজিতেও সেই একই পরিস্থিতি। আল-হিলালে এসে হয়তো নিজের স্বকীয়তা প্রমাণ করতে চেয়েছিলেন নেইমার। কিন্তু সেটাও হয়নি।
২০২৩-এ পিএসজি থেকে প্রায় ৮৫০ কোটি টাকায় আল হিলালে আসেন ব্রাজিলীয় তারকা। কিন্তু আল হিলালে গত দুই মরশুমের অধিকাংশ সময় চোটের কবলেই কেটে গিয়েছে। পুরনো চোট সারিয়ে ফিরে আসার পরই ফের চোট। যার জেরে আল হিলালে দেড় বছরের কেরিয়ারে মাত্র ৭টি ম্যাচ খেলেছেন নেইমার। গোল ১টি, অ্যাসিস্ট ৩টি। প্রশ্ন উঠেছে তাঁর পেশাদারিত্ব নিয়ে। আদৌ তিনি পেশাদার ফুটবলে খেলার মতো ফিট কিনা, সেই খোঁচাও শুনতে হয়েছে। বস্তুত এই মুহূর্তে খাদের কিনারে দাঁড়িয়ে ব্রাজিলিয় মহাতারকার কেরিয়ার।
ঘুরে দাঁড়াতে নিজের ছোটবেলার ক্লাবের উপরই আস্থা রাখলেন নেইমার। সোশাল মিডিয়ায় তিনি বললেন, “স্যান্টোসে জন্মানো, স্যান্টোসের জন্য বাঁচা এবং স্যান্টোসের সঙ্গে আমৃত্যু যুক্ত থাকার সুযোগ খুব কম মানুষই পায়। আমি নিশ্চিত আগামী বছরগুলির চ্যালেঞ্জ সামলাতে যে ভালোবাসার প্রয়োজন। সেটা আমাকে শুধু স্যান্টোসই দিতে পারবে।” নেইমারের সেই পোস্টে সান্তোসের হ্যান্ডেল থেকে উত্তর দেওয়া হয়েছে, ‘তোমার ঘর তোমার অপেক্ষায়। তোমার ভক্তরা তোমার অপেক্ষায়।’
সর্বশেষ খবর
-
স্কুলের শ্রেণিকক্ষ, অফিসের বাইরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে মহিলাদের অন্তর্বাস!
-
বিশ্বকাপের এক ম্যাচ পরই ছাঁটাই, লজ্জার নজির গড়ে কপাল পুড়ল কোন দেশের কোচের?
-
১১ ঘণ্টা ম্যারাথন জেরা, ইডি দপ্তর থেকে বেরিয়ে কী বললেন অভিষেক?
-
এআই পৃথিবীতে সেকেলে শিক্ষানীতি বদলে ফেলছে চিন, কোথায় দাঁড়িয়ে ভারত?
-
কেন বলেছিলেন, ‘স্যাটা গরম করে দেব’? উত্তর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় নিজেই