Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৮ জুন ২০২৬
রহিম নবি

অভাবের তাড়নায় আই লিগ খেলা জুনিয়র ফুটবলার এখন সবজি বিক্রেতা, পাশে দাঁড়ালেন নবি

লকডাউনের জন্য বন্ধ বাবার ব্যবসা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৬, ২০২০, ২১:২৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৬, ২০২০, ২১:২৫

options
link
অভাবের তাড়নায় আই লিগ খেলা জুনিয়র ফুটবলার এখন সবজি বিক্রেতা, পাশে দাঁড়ালেন নবি zoom

মণিরুল ইসলাম, উলুবেড়িয়া: বাগনানের পিপুল্যানের বাসিন্দা বছর ষোলোর নূর হোসেন ২০১৮-তে জুনিয়র (অনূর্ধ্ব ১৫) আই লিগে খেলেছে। গত বছর সুব্রত কাপও খেলেছে। সাব জুনিয়র প্রতিযোগিতায় বেঙ্গল টিমে খেলেছে বছর দুয়েক আগে। গত মরশুমে দাপিয়ে বেড়িয়েছে কলকাতা লিগে। সেই ফুটবলার এখন প্রস্তুতি নিচ্ছে চলতি বছরের নার্সারি লিগের। সবই ছন্দে চলছিল। কিন্তু করোনা আর আমফান যেন সব ওলটপালট করে দিল নূর হোসেনের জীবন। বুটজোড়া আপাতত তুলে রেখে সবজি বিক্রি করে সংসার চালাচ্ছে নূর।

স্ট্রাইকার পজিশনে খেলা নূর ড্রিবল করে মাঠে বিপক্ষকে পরাস্ত করেছে বহুবার। কিন্তু এখন সে করোনার ড্রিবলে কুপোকাত। কাজ বন্ধ বাবা শেখ রফিক আলির। যিনি পেশায় ট্রেনের হকার। রেল পরিষেবা বন্ধ থাকায় রোজগার নেই তাঁর। সংসারের দায়িত্ব এসে পড়ে নূরের কাঁধে। পরিবারের পেট চালাতে সাইকেলে চেপে পাড়ায় পাড়ায় সবজি বিক্রি করতে হচ্ছে তরুণ ফুটবলারকে। তবে এমন অবস্থায় তার পাশে দাঁড়ালেন দিন প্রধানে খেলা ফুটবলার রহিম নবি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: বিদেশেও জনপ্রিয় ভারতীয় তারকারা, কপিল-শচীন-কোহলির নামে হল রাস্তার নামকরণ]

করোনার দোসর হিসেবে এসেছিল আমফান। ঘূর্ণিঝড়ে তাদের বাড়ির ব্যাপক ক্ষতি হয়। ছাউনির টালি, মাটির দেওয়াল নষ্ট হয়ে গিয়েছে। এমন করুণ পরিস্থিতিতে নূরের পরিবারের পাশে দাঁড়ায় বাগনানের বিধায়ক অরুণাভ সেন। সরকারের দেওয়া ২০ হাজার টাকা পাওয়ার ক্ষেত্রে সাহায্য করেন। মঙ্গলবার প্লেয়ার্স ফর হিউম্যানিটিও নূরের সাহায্যে এগিয়ে আসে। সেই সংস্থার সঙ্গেই যুক্ত ময়দানের চেনা মুখ নবি। এদিন নূরের বাড়ি যান তিনি। প্রিয় ফুটবলারকে দেখে আপ্লুত নূর। বাড়ি মেরামতির জন্য নবিদের সংস্থার তরফে প্রায় ৩৪ হাজার টাকা দেওয়া হয়। মাথার উপর ছাদের ব্যবস্থা হলেও অবশ্য পেটের টান পিছু ছাড়ছে না।

nabi

নূরের মা নূর নেহা বেগমের কথায়, “নূরের‌ বাবা এখন একশো দিনের কাজ করছেন। যদিও আয় সামান্যই। তাই আপাতত নূরকে সবজি বিক্রি করেই হয়তো দিন গুজরান করতে হবে।” তবে তরুণ ফুটবলারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন ইউটিলিটি ফুটবলার নবি। বড় হয়ে জাতীয় দলে খেলার স্বপ্ন দেখে নূর। কিন্তু লকডাউনের মধ্যে দারিদ্র আষ্টেপৃষ্ঠে ধরেছে তাকে। তবে নূরের আশা, একদিন সব প্রতিকূলতা কেটে যাবে।

[আরও পড়ুন: ফের কলকাতার ‘দিল’ জিতলেন শাহরুখ, কলেজ স্ট্রিটের বইপাড়া পুনরুদ্ধারে অর্থ দিল কেকেআর]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.