Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২০ জুন ২০২৬
ISL

‘এখনই আইএসএল চাই’, ফেডারেশনকে বিঁধে কড়া বার্তা ‘মরিয়া’ সুনীল-শুভাশিসদের

আইএসএল কি আদৌ হবে? এই প্রশ্নের উত্তর অধরাই।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১১, ২০২৫, ১৩:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১১, ২০২৫, ১৩:১৩

options
link
‘এখনই আইএসএল চাই’, ফেডারেশনকে বিঁধে কড়া বার্তা ‘মরিয়া’ সুনীল-শুভাশিসদের zoom
ফাইল ছবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এখনই আইএসএল চাই। দেশের সেরা ফুটবল টুর্নামেন্ট নিয়ে প্রবল ডামাডোলের মধ্যেই এই বার্তা দিলেন ভারতীয় ফুটবলাররা। মঙ্গলবার শুভাশিস বোস, সন্দেশ ঝিঙ্ঘন, আনোয়ার আলি, প্রীতম কোটাল, নিখিল প্রভু, আকাশ মিশ্রদের মতো একাধিক ফুটবলারের ইনস্টাগ্রামে দেখা যায় এক দীর্ঘ বিবৃতি। যার সারবত্তা হল, যত দ্রুত সম্ভব আইএসএল শুরু হোক। মেগা টুর্নামেন্ট ঘিরে অনিশ্চয়তা থেকে এখন ফুটবলাররা মরিয়া হয়ে উঠেছেন মাঠে নামার জন্য়।

কিংবদন্তি সুনীল ছেত্রী থেকে শুরু করে মোহনবাগান অধিনায়ক শুভাশিস বোস- সকলেরই এক মত। এমনকি ইস্টবেঙ্গল, কেরালা ব্লাস্টার্সের মতো দলের প্রত্যেক ফুটবলার একযোগে এই বিবৃতি প্রকাশ করেছেন। তারকা ফুটবলারদের খোলা চিঠিতে ইঙ্গিতে কাঠগড়ায় তোলা হয়েছে ফেডারেশনকেই। ভারতীয় হোক বা বিদেশি-প্রত্যেক ফুটবলারেরই দাবি, ‘আমাদের খেলাটা এই দেশে চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব যারা নিয়েছেন, তাদের জানাতে চাই, ভারতে এই মুহূর্তেই প্রতিযোগিতামূলক ফুটবল হওয়াটা সবচেয়ে বেশি দরকার।’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

A post shared by Subhasish Bose (@subhasis17)

আইএসএল কি আদৌ হবে? এই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায়নি। ৫ নভেম্বরের জায়গায় বিড জমা দেওয়ার জন্য দু’দিন পিছিয়ে ৭ নভেম্বর ডেডলাইন বেঁধে দিয়েছিল ফেডারেশনের টেন্ডার কমিটি। কিন্তু শেষদিনেও এফএসডিএল-সহ কোনও সংস্থাই আইএসএলের জন্য বিড করেনি। ফলে আদৌ আইএসএল হবে কিনা, হলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টুর্নামেন্ট শেষ করা যাবে কিনা- সব মিলিয়ে ভারতীয় ফুটবল এখন ‘নেই রাজ্যে’র বাসিন্দা। এহেন পরিস্থিতিতে ব্যাপক সংশয় তৈরি হয়েছে ফুটবলারদের ভবিষ্যৎ নিয়েও।

ইতিমধ্যেই মোহনবাগান অনুশীলন বন্ধ রেখেছে। ক্লাবের যাবতীয় কার্যকলাপ বন্ধ করে দিয়েছে কেরালা ব্লাস্টার্স, ওড়িশা এফসিও। সুপার কাপে টিকে থাকা চার দল এখন অনুশীলন করলেও টুর্নামেন্ট শেষে কি হবে জানা নেই। অর্থাৎ মরশুমের মাঝপথে ফুটবলাররা কার্যত ঘরে বসে থাকতে বাধ্য হবেন। এহেন পরিস্থিতিতে তাঁরা আর্জি জানিয়েছেন ফুটবলপ্রেমীদের কাছে। সকলেরই মত, রাগ-ক্ষোভ থেকে এখন ফুটবল খেলতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন তাঁরা। সমাধান মিলবে কি ?

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.