Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ আষাঢ় ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ২১ জুন ২০২৬
টি-২০ বিশ্বকাপ ২০২৬
Suryakumar Yadav

সুপার এইটের সূচিতে বাড়তি সুবিধা পাকিস্তানকে! জয় শাহর আইসিসিকে নিশানা সূর্যর

প্রশ্ন উঠছে, সেরা দলগুলি এক গ্রুপে, আর তুলনায় দুর্বল দলগুলি এক গ্রুপে কেন?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬, ১৯:১৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬, ১৯:১৪

options
link
সুপার এইটের সূচিতে বাড়তি সুবিধা পাকিস্তানকে! জয় শাহর আইসিসিকে নিশানা সূর্যর zoom
বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের আম্পায়ার প্যানেল ঘোষণা করল আইসিসি। ফাইল ছবি।

চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে টি-২০ বিশ্বকাপের সুপার এইটের আট দল। আর সেটা চূড়ান্ত হতেই প্রশ্নের মুখে আইসিসি। দেখা যাচ্ছে, চার গ্রুপের শীর্ষ যে চার দল, তারা পড়েছে এক গ্রুপে। আর চার গ্রুপের রানার্স আপ দল এক গ্রুপে। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, সেরা দলগুলি এক গ্রুপে, আর তুলনায় দুর্বল দলগুলি এক গ্রুপে কেন? এ নিয়ে এবার প্রশ্ন তুললেন খোদ ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবও।

বিশ্বকাপের সুপার এইট পর্বে এক গ্রুপে রয়েছে ভারত, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবোয়ে। অন্য গ্রুপে থাকবে নিউজিল্যান্ড, ইংল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান। দুই গ্রুপের শীর্ষ দুই দল যাবে সেমিফাইনালে। প্রথম গ্রুপে যে চার দল রয়েছে তারা সবাই শীর্ষস্থানের অর্থাৎ প্রথম পর্বের গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন। অন্য গ্রুপে নিউজিল্যান্ড, ইংল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, সবাই গ্রুপের দ্বিতীয় স্থানের। সেটা নিয়েই প্রশ্ন তুললেন ভারত অধিনায়ক। সাফ বলছেন, এভাবে গ্রুপ বিন্যাস তাঁর পছন্দ নয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

রবিবার সুপার এইটে অভিযান শুরু ভারতের। তার আগে সূর্য বলছেন, “দেখুন, কে আগে থেকে সূচি ঠিক করে রেখেছিল, সেসব তো আমি জানি না। তবে যদি আমাকে দায়িত্ব দেওয়া হত, তা হলে আমি এই সূচি বদলে দিতাম। চার চ্যাম্পিয়ন দলকে এক গ্রুপে না রেখে, দু’টো গ্রুপে ভেঙে দিতাম।” ভারতীয় অধিনায়কের এই ক্ষোভপ্রকাশ বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ এই মুহূর্তে আইসিসি যারা পরিচালনা করছেন, তাদের সিংহভাগ ভারতীয়। মাথাতেও রয়েছেন জয় শাহ।

আসলে আসলে এবার সুপার এইটের গ্রুপ বিন্যাস আগে থেকেই করে রেখেছিল আইসিসি। অর্থাৎ কোন দল সুপার এইটে উঠলে কোন গ্রুপে পড়বে, বা কোথায় কোথায় খেলবে সেটা আগে থেকেই আইসিসি ক্রমতালিকার ভিত্তিতে ঠিক করা ছিল। এই পদ্ধতিকে বলে ‘প্রি সিডিং’। এর আগে বিশ্বকাপের মতো কোনও ইভেন্টে এই প্রি সিডিং ব্যবস্থা রাখা হয়নি। সচরাচর সুপার এইটের গ্রুপগুলিতে প্রথম পর্বের গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স আপরা মিলিয়ে মিশিয়ে থাকে। কিন্তু এবার প্রি সিডিংয়ের জেরে প্রথম পর্বের সেরা দুই দল যে সুপার এইট থেকেই বাদ যাবে সেটা নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে। কিন্তু কেন এই প্রি সিডিং ব্যবস্থা? আইসিসি বলছে, ২০ দলের বিশ্বকাপ। দু’দেশ জুড়ে হচ্ছে। তাই বিরাট লজিস্টিক্যাল ঝামেলা এড়ানোর জন্য আগে থেকেই কোন দল কোন মাঠে খেলবে সেটা ঠিক করে রাখা জরুরি ছিল। কিন্তু যে সত্যিটা আইসিসি বলছে না, সেটা হল এ সবের নেপথ্যে রয়েছে পাকিস্তানের গোঁ। পাকিস্তান আগেই জানিয়ে দেয়, ভারতে তারা খেলতে আসবে না। ফলে গ্রুপ পর্ব থেকে সুপার এইট বা সেমিফাইনাল-ফাইনাল, পাকিস্তান যতগুলি ম্যাচ খেলবে, সব ম্যাচের আয়োজন করতে হবে শ্রীলঙ্কায়। তাছাড়া আয়োজক হিসাবে শ্রীলঙ্কাও নিজেদের সব ম্যাচ দেশের মাটিতে খেলতে চেয়েছে। সেটা নিশ্চিত করতে আগে থেকে সুপার এইটের সূচি নির্ধারণ করে রাখা ছাড়া উপায় ছিল না আইসিসির হাতে। অর্থাৎ যাবতীয় সমস্যার মূলে পাকিস্তানের সেই গোঁ। আর এই সূচিতে সবচেয়ে বেশি সুবিধা পেয়েছে পাকিস্তানই।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.