Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১০ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২৮ আগস্ট ২০২৬
Mohun Bagan and East Bengal

মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গলও উচ্চারণ করতে পারেন না ক্রীড়ামন্ত্রী! ‘বাংলা বিরোধী’ তোপ তৃণমূলের

সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এক্স হ্যান্ডেলে কী লেখা হয়?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৭, ২০২৬, ১৫:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৭, ২০২৬, ১৫:৩৬

options
link
মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গলও উচ্চারণ করতে পারেন না ক্রীড়ামন্ত্রী! ‘বাংলা বিরোধী’ তোপ তৃণমূলের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্যর উপস্থিতিতে ক্লাবগুলির সঙ্গে বৈঠকে বসেছিল ফেডারেশন। সেই বৈঠকেই আইএসএলের সম্ভাব্য রোডম্যাপ জানিয়ে দেওয়া হয় ক্লাবগুলিকে। ক্রীড়ামন্ত্রী জানিয়ে দেন, ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে আইএসএল। ১৪টি দলই তাতে অংশ নেবে। তা সত্ত্বেও দেশের ক্রীড়ামন্ত্রীর উচ্চারণ নিয়ে উত্তাল নেটপাড়া। বৈঠকে তিনি দেখে দেখেও পড়তে পারেননি মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গলের মতো শতাব্দীপ্রাচীন ক্লাবের নাম। হাসির উদ্রেককারী উচ্চারণ করে তিনি যে বাংলাকেই অপমান করেছেন, তা বলে সরব হয়েছে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস।

সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এক্স হ্যান্ডেলে লেখা হয়, “বাংলার শতাব্দীপ্রাচীন দুই ফুটবল ক্লাবের নাম তাদের প্রাপ্য সম্মানের সাথে উচ্চারণ করতে পারেন না ক্রীড়ামন্ত্রী। ‘মোহনবেগান’ নয়, ওটা মোহনবাগান। ‘ইস্টবেগান’ নয়, ওটা হবে ইস্টবেঙ্গল। এই ক্লাবগুলি বাংলার প্রতিষ্ঠান। তাই বাংলা বিরোধী শক্তিরা একে কেবল অবজ্ঞার চোখেই দেখে। ফুটবল বাংলার রক্তে। আমরা ফুটবলে বাঁচি। শ্বাস নিই। ফুটবলকে জীবনের চেয়েও বেশি প্রিয় মনে করি। কিন্তু এই বহিরাগতরা, যারা বাংলাকে চিরকাল অবজ্ঞার চোখে দেখে, তারা কখনই এটা বুঝতে পারবে না। আমরা প্রধানমন্ত্রীকে ১৭ জানুয়ারি রাজ্যে সফরের আগে কিছু প্রাথমিক বাংলা শিক্ষা গ্রহণের পরামর্শ দিচ্ছি। এতে বাংলার মাটিতে ভোট ভিক্ষা চাওয়ার সময় আর লজ্জায় পড়তে হবে না তাঁকে।’

Advertisement

তৃণমূলের মুখপাত্র তন্ময় ঘোষও গর্জে উঠেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে লড়াই করা ক্লাব মোহনবাগান এবং বাংলার গর্বের ধারক ইস্টবেঙ্গলকে অপমান মানে বাংলার ঐতিহ্যের প্রতি অপমান। কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য বাংলার ঐতিহ্যশালী ক্লাবগুলির ইতিহাস জানেন না। এখান থেকেই বোঝা যায়, তিনি বাংলার ইতিহাস একেবারেই জানেন না। এটা বাঙালি বিরোধী। যারা বাংলাকে মানে না, বাংলা তাদেরকে মানে না।’

তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী বলেন, “দেশের ক্রীড়ামন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য গতকাল সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন ভালো কথা। কিন্তু তিনি দেশের গর্ব যে ক্লাবগুলি, তার নামটুকু জানবেন না? আমাদের প্রাণপ্রিয় ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগানকে বলছেন ‘মোহনবেগান’, ইস্টবেগান’। আমাদের চোদ্দপুরুষের ভাগ্য ভালো, বেগানকে ভেগান বানিয়ে দেননি। ইস্টবেঙ্গল জিতলে আমরা ইলিশ মাছ নিয়ে আনন্দ করি। মোহনবাগান জিতলে সমর্থকরা চিংড়িমাছ নিয়ে আনন্দ করে। যারা দেশকে একাধিক আন্তর্জাতিক মানে স্বীকৃতি এনে দিয়েছে। ইস্টবেঙ্গল আশিয়ান কাপের মতো ট্রফি এনে দিয়েছে। মোহনবাগান খালি পায়ে ব্রিটিশদের হারিয়েছে। কিন্তু দেশের ক্রীড়ামন্ত্রী সাংবাদিক সম্মেলনে তাদের নামটুকু ভালোভাবে উচ্চারণ করতে পারেন না!”

তিনি আরও বলেন, “উনি ক্রীড়ামন্ত্রকের পদ অলংকরণ করে বসে রয়েছেন। আর কত অপমান করবেন বাঙালিকে? অবশ্য যাঁরা বঙ্কিমচন্দ্রকে ‘বঙ্কিমদা’ বলেন, ‘বন্দে মাতরম’ বলতে গিয়ে ‘বন্দে ভারত’ করে দেন, তাঁদের কাছে মোহনবাগান ‘মোহনবেগান’ হবে, ইস্টবেঙ্গল ‘ইস্টবেগান’ হবে – এটাই স্বাভাবিক। এর থেকেই প্রমাণিত হয়, আপনারা কতটা অযোগ্য। শুধু তাই নয়। আপনাদের প্রতিটা পদক্ষেপই বুঝিয়ে দিচ্ছে, বাংলা এবং বাঙালির আবেগকে কতটা হেলাফেলা করার ধৃষ্টতা রাখেন। আসলে আপনারা বাংলা বিরোধী। এই বাংলা বিরোধিতার জমিদারি বাংলার মানুষ ঘোচাবে ২০২৬-এ। তারজন্য অপেক্ষা করুন। প্রতি স্তরে, প্রতি পদক্ষেপে যারা বাংলাকে অপমান করছে, বাঙালি তাদেরকে ঘাড়ধাক্কা দেবে।” উল্লেখ্য, ক্রীড়ামন্ত্রীর উচ্চারণ নিয়ে সরব হয়েছেন বাংলার ফুটবলপ্রেমীরাও। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.